উল্লেখ্য, যারা উলামায়ে কিরাম, উনারা হচ্ছেন- ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া বা নবীগণের উত্তরাধিকারী। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে-
اَلْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الأَنْبِيَاءِ
অর্থাৎ আলেমগণ হচ্ছেন- নবী আলাইহিমুস সালামগণের ওয়ারিছ।
তাই হাদীছ শরীফের অসংখ্য স্থানে আলেমগণকে তা’যীম-তাকরিম বা সম্মান প্রদর্শন করার নির্দেশ এসেছে। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
أَكْرِمُوا الْعُلَماءَ
যারা আলিম রয়েছেন, উনাদের সম্মান করো।
فَإِنّهُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ
কেননা উনারা হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের ওয়ারিছ। সুতরাং
فَمَنْ أكْرَمَهُمْ
যে আলিমদেরকে সম্মা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
গান-বাজনা” ও “বাদ্য-যন্ত্র” হারাম হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى مَعْصِيَةٌ وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّلَذُّذُ بِهَا مِنَ الْكُفْرِ
অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। (মিরকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাছাবীহ)
বাকি অংশ পড়ুন...
আহলে হাদীছ বা লা-মাযহাবীদের আরো কিছু কুফরী আকিদা:
(১) আহলে হাদীছ দাবিদারদের রচিত ‘হাদয়িতুল মাহদী’ পুস্তকের ১১০নং পৃষ্ঠায় লেখা আছে, “জুমুয়ার খুতবায় খুলাফায়ে রাশেদার নাম নেয়া বিদয়াত। ” নাউযুবিল্লাহ!
(২) আহলে হাদীছ দাবিদারদের রচিত ‘তানবীরুল আফাক’ পুস্তকের ১০৭নং পৃষ্ঠায় লেখা আছে, “খোলাফায়ে রাশেদা উনারা শরীয়তের খেলাফ হুকুম জারি করতেন। নাউযুবিল্লাহ!
(৩) আহলে হাদীছ দাবিদারদের রচিত ‘কাশফুল হিজাব’ পুস্তকের ২১নং পৃষ্ঠায় লেখা আছে, “হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথে যুদ্ধ করে মু বাকি অংশ পড়ুন...
স্মরণযোগ্য যে, ইলিম এবং আলিমের ফাযায়েল, ফযীলত, বুযুর্গী, সম্মান সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফে অনেক আলোচনা করেছেন।
মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ্ শরীফে উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে মুসলমান দু’প্রকার হবে। এক প্রকার হচ্ছে-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
(পবিত্র সূরা নহল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৩, পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَلَا وَرَبِّكَ لَا یُؤۡمِنُونَ حَتَّىٰ یُحَكِّمُوكَ فِیمَا شَجَرَ بَیۡنَهُمۡ ثُمَّ لَا یَجِدُوا۟ فِیۤ أَنفُسِهِمۡ حَرَجࣰا مِّمَّا قَضَیۡتَ وَیُسَلِّمُوا۟ تَسۡلِیمࣰا.
অর্থ: আপনার মহান রব তায়ালা উনার কসম! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমান্দার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তারা নিজেদের সকল বিষয়ে আপনাকে ফায়সালাকারী হিসেবে মেনে না নিবে। অতঃপর আপনার ফায়সালা মুবারক সম্পর্কে তাদের মনে কোন দ্বিধা/ সংশয় থাকে না এবং পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করে তা মেনে নেয়। (সূরা নিসা শরীফ: আয়াত শরীফ: ৬৫)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, কোন মু’মিন নর-নারীর জন্য জায়িয হবে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা যেই ফায়সালা মুবারক করেছেন, সেই ফায়সালার মধ্যে চু-চেরা, কিল ও কাল করা, যদি কেউ করে তবে সে মু’মিন থাকতে পারবে না। এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার শানে নুযুলে কি বলা হয়? এই পবিত্র আয়াত শরীফ কেন নাযিল হয়েছিলো? এ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছিলো হাক্বীক্বী মু’মিন কাদেরকে বলা হয়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضَرَتْ عُمَرُو بْنِ شُعَيْبِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَده اَنَّ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا لاَتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلا بِالنَّصَارٰى.
অর্থ: “হযরত উমর বিন শুয়াইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা হতে উনার পিতা উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ভিন্ন অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। কাজেই আপনারা ইয়াহুদী এবং নাছারাদের সা বাকি অংশ পড়ুন...












