যে, আলিম কেমন হবে? এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
نِعْمَ الرَّجُلُ الْفَقِيهُ فِي الدِّينِ إِنِ احْتِيجَ إِلَيْهِ نَفَعَ
উত্তম ফক্বীহ, উত্তম আলিম ওই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি মানুষ যখন তার মুখাপেক্ষী হবে অর্থাৎ কোন মাসয়ালা-মাসায়িল, ইলিম-কালামের জন্য যাবে, তখন তাদের ফায়দা দিবেন। তাকে সেটা বলে দিবেন, জাওয়াব দিয়ে দিবেন।
وَإِنِ اسْتُغْنِيَ عَنْهُ أَغْنَى نَفْسَهُ
যখন মানুষ উনার কাছে যাবেন না, তিনি তাদের থেকে দূরে সরে থাকবেন, তিনি মানুষের মুহ্তাজ হবেন না। যেটা অন্য হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা ত বাকি অংশ পড়ুন...
অন্যান্য দিনের মতোই ভারতের বোম্বের এক সকাল। এক হিন্দু নাপিত তার দোকানের ঝাঁপ খুলে চুল কাটার জিনিসপত্র ঠিকঠাক করছে। এর মধ্যেই দোকানে এসে হাজির হলো এলাকার এক মুসলিম যুবক। পরিচিত সেই মুসলিম যুবকের সাথে হিন্দু নাপিতটি খুব খোশগল্প ও হাসিঠাট্টা করতে লাগলো।
মুসলিম যুবকটি চেয়ারে বসলো, হিন্দু নাপিতটি যুবকটির গালে সাবান মাখিয়ে ক্ষুর হাতে প্রস্তুত হলো। এর মধ্যেই বাইরে শোনা গেল চিৎকার ও হট্টগোল। দোকান থেকে তারা দু’জন দেখতে পেল, বাইরে মুসলমানদের টুপি পরা কয়েকজন যুবক (আসলে টিভি অভিনেতা) একজনকে পেটাচ্ছে। তা দেখে হিন্দু নাপিতটির চেহা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি গরুর বিষয়ে কি বলেছেন?
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّنْ شَعَآئِرِ اللهِ لَكُمْ فِيْهَا خَيْرٌ ۖ فَاذْكُرُوْا اسْمَ اللهِ عَلَيْهَا صَوَافَّ ۖ فَإِذَا وَجَبَتْ جُنُوْبُهَا فَكُلُوْا مِنْهَا وَأَطْعِمُوْا الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ ۚ كَذٰلِكَ سَخَّرْنَاهَا لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ
অর্থ: “পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মধ্যে কুরবানীকৃত পশু (উট, গরু, মেষ, দুম্বা) ইত্যাদিকে আমি তোমাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন মুবারক করেছি। এতে তোমাদের জন্য ভালাই (কল্যাণ) রয়েছে। সুতরাং তোমরা সারিবদ্ধভাবে বাঁধা অব বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন এ প্রসঙ্গে হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন-
سُئِلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا حَدُّ الْعِلْمِ الَّذِي إِذَا بَلَغَهُ الرَّجُلُ كَانَ فَقِيهًا؟
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন পরিমাণ, কতটুকু পরিমাণ ইলিম অর্জন করলে একটা লোক ফক্বীহ হতে পারে? একটা লোক ফক্বীহ হতে পারে, কি পরিমাণ ইলিম অর্জন করলে?
فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فِي أَمْرِ دِينِهَا، بَعَثَهُ اللهُ فَقِيهًا، وَكُ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি, বেদী, ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর এসবগুলোই শয়তানের কাজ। অতএব, এগুলো থেকে তোমরা বিরত থাকো। অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
অর্থ: তোমরা মূর্তিসমূহের খারাবী, অপবিত্রতা, নাপাকী, নিষিদ্ধতা বা শাস্তি থেকে বেঁচে থাকো। বাকি অংশ পড়ুন...
দুনিয়া এবং আখিরাতের খাদ্যের সাইয়্যিদ গোস্ত
দুনিয়া এবং আখিরাতের খাদ্যের সাইয়্যিদ গোস্ত। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيِّدُ طَعَامِ أَهْلِ الدُّنْيَا وَأَهْلِ الْجَنَّةِ اللَّحْمُ
অর্থ: “হযরত আবূ দারদা’ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দুনিয়াবাসী ও জান্নাতবাসীদের খাদ্যের সাইয়্যিদ হচ্ছেন গোস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
লক্ষ্যণীয় বিষয় এই যে, আলিম হওয়ার মধ্যে যেরূপ ফযীলত রয়েছে, তদ্রুপ ইলিমের অপব্যবহার করার মধ্যেও আযাব এবং গযব রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা উভয়টাই বলেছেন। যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِتَّبِعُوا الْعُلَمَاءَ فَإِنَّهُمْ سُرُجُ الدُّنْيَا وَمَصَابِيْحُ الْآخِرَةِ
আলেমদের অনুসরণ কর, নিশ্চয়ই উনারা দুনিয়ার পথ প্রদর্শক وَمَصَابِيْحُ الْآخِرَةِ আর পরকালের প্রদীপ্ত প্রদীপ।
অর্থাৎ আলেমদেরকে অনুসরণ করতে হবে। উনাদের উছীলায় মানুষ দুনিয়াতে সৎপথ পাবে এবং পরকালে নাযাত পাবে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যেই রয়েছে মানবাধিকারের উত্তম আদর্শ। সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে বিভিন্ন হুকুম আহকাম ও দিক নির্দেশনার মাধ্যমে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মানবাধিকারের উত্তম আদর্শ শিক্ষা দিয়েছেন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার, পারিবারিক অধিকার, সামাজিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় অধিকার সুনিশ্চিত ও সংরক্ষিত করেছেন। মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক অধিকার আদায় সুনিশ্চিত করেছেন, মত-পথ প্রকাশের অধিকার, দ্বীনি স্বাধীনতা, ঈমানের স্বাধীনতা, আমলের স্ব বাকি অংশ পড়ুন...












