সউদি আরব চলতি ১৪৪৬ হিজরীতে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস বাংলাদেশের একদিন পূর্বে শুরু করেছিলো অর্থাৎ ইয়াওমুস সাবত, ৩০ আশির, ১৩৯২ শামসী (২৯শে মার্চ, শনিবার) তারা চাঁদ দেখার দাবি করে এবং ইয়াওমুল আহাদ, ৩১ আশির, ১৩৯২ শামসী (৩০শে মার্চ, রোববার) পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করে।
যদিও সারাবিশ্বের মুন সাইটিং এস্ট্রোনোমারগণ সউদি আরবের এই চাঁদ দেখার দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। যারা সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী চাঁদ দেখে মাস শুরুর বিষয়টিকে গুরুত্ব প্রদান করেন তারাই এ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে- সউদি আরব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ উনার ৩৬ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত الْبُدْنَ শব্দ দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি কি উদ্দেশ্য নিয়েছেন?
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এছাড়াও (البدن) দ্বারা যে গরু উদ্দেশ্য এ প্রসঙ্গে তাফসীরের কিতাবে আরো কিছু বর্ণনা এসেছে-
قال حَضْرَتْ ابن جُرَيج رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قال حَضْرَتْ عطاء بن أبي رباح رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ في قوله {وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُمْ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ} قال البقرة، والبعير. وكذا رُوي عن حَضْرَتْ ابن عمر رضي الله تَعَالٰى عنه، وحَضْرَتْ سعيد بن المسيب رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، وحَضْرَتْ الحسن البصري رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ
অর্থ: “হযরত ইবনে জুরাইজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আতা বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে বলা হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল-
سُئِلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ رَجُلَيْنِ كَانَا فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ أَحَدُهُمَا كَانَ عَالِمًا يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ ، ثُمَّ يَجْلِسُ فَيُعَلِّمُ النَّاسَ الْخَيْرَ , وَالآخَرُ يَصُومُ النَّهَارَ وَيَقُومُ اللَّيْلَ أَيُّهُمَا أَفْضَلُ
যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, আয় মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক, কুরবত-নৈকট্য মুবারক হাছিলের অন্যতম মালি ইবাদত হচ্ছেন পবিত্র কুরবানী। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মতে ‘মালিকে নিছাব’ প্রত্যেকের উপর আলাদা আলাদাভাবে পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ সুবহে ছাদিক্ব থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কেউ মালিকে নিসাব হয় অর্থাৎ হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ (নিত্য প্রয়োজনীয় ধন-সম্পদ) বা বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই প্রত্যেককেই খেয়াল রাখতে হবে যে, মূলতঃ আলিম এবং ত্বলিবে ইলিম যারা রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের জন্যই ফযীলত রয়েছে। যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন-
مَنْ خَرَجَ فِي طَلَبِ الْعِلْمِ فَهُوَ فِي سَبِيلِ اللهِ حَتَّى يَرْجِعَ
যে ইলিম ত্বলব করার জন্য বের হয়ে গেল সে ফিরে আসা পর্যন্ত সে ছোট হোক সে বড় হোক, সে ছোট হোক বা বড় হোক সে ফিরে আসা পর্যন্ত সে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় থাকলো। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই সেটা প্রত্যেককেই খেয়াল রাখতে হবে। এজন্যই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মু বাকি অংশ পড়ুন...
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে সপ্তাহের সাতটি দিনের নামকরণ করা হয়েছে গ্রহ-নক্ষত্রের নাম থেকে। আর এই গ্রহ-নক্ষত্রগুলো ছিলো রোমানদের দেব-দেবী। প্রথম শতকের দিকে রোমানদের কাছে শনিবার ছিলো প্রথম দিন আর রবিবার ছিলো দ্বিতীয় দিন। পরে তাদের মাঝে সূর্যের উপাসনা বৃদ্ধি পেতে থাকে ফলে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন রবিবার (রবি=সূর্য) ইংরেজি Sunday (Sun = সূর্য) প্রথম দিনে পরিবর্তিত হয়।
সোমবার, ইংরেজিতে Monday এসেছে Moon থেকে। রোমানরা এই দিনটিকে উৎসর্গ করেছিলো চাঁদের দেবীর উদ্দেশ্যে। মঙ্গলবার এসেছে মঙ্গল গ্রহের নাম থেকে। আর ইংরেজি Tuesday এসেছে দেবতা Tyro -এর নাম থেকে।
ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়ে প্রথম দিকে যারা কিতাব রচনা করেছেন উনাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- হযরত আবুল খত্ত্বাব উমর ইবনে দাহিয়্যাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৪৪-৬৩৩ হিজরী)। উনার লিখিত কিতাবখানা হলো- كِتَابُ التَّنْوِيْرِ فِيْ مَوْلِدِ الْبَشِيْرِ وَالنَّذِيْرِ ‘কিতাবুত্ তান্উয়ীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযীর’ (কোনো কোনো কিতাবে كِتَابُ التَّنْوِيْرِ فِيْ مَوْلِدِ السِّرَاجِ الْمُنِيْرِ ‘কিতাবুত্ তান্উয়ীর ফী মাওলিদিস সিরাজিল মুনীর’ উল্লেখ আছে)।
বাতিলপন্থীরা পবিত্র মীলাদ শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
বাদশাহ আলমগীর তখন ছোট ছিলেন। তিনি দৌড়ে এসে জানালেন হযরত মুল্লা যিউন রহমতুল্লাহি আলাইহিকে যে, হুযূর আপনাকে হয়তো গ্রেফতার করা হবে, পুলিশ আসবে। তিনি বললেন, তাই নাকি? এক কাজ করো আমার ওযূর বদনা লও, আর মিছওয়াক লও।
سِلاَحُ الْمُؤْمِنِ اَلْوُضُوءُ
ওযূ হচ্ছে- মু’মিনদের অস্ত্র। ওযূ করে তোমার পিতা বাদশাহ শাহ্জাহানের বিরুদ্ধে আমি বদ্ দোয়া করবো যেন তার রাজত্ব ধ্বংস হয়ে যায়। এটা শুনে বাদশাহ আলমগীর ভয় পেলেন।
তিনি তাড়াতাড়ি গিয়ে উনার পিতা বাদশাহ শাহ্জাহানকে জানালেন যে, হযরত মুল্লা যিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি গোসসা করেছেন। যেহেতু তিনি হক্ব ফতওয়া দিয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...












