এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি ঘোষণা করেন-
فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ
“আপনারা যখন কথা বলবেন তখন যদি কখনও বেগানা পুরুষের সাথে কথা বলতে হয় নরম সূরে কথা বলবেন না, মিষ্টি সূরে কথা বলবেন না। ” কেন?
فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ
“যার অন্তরে রোগ রয়েছে, বদ ওয়াসওয়াসা রয়েছে, কু-মন্ত্রনা রয়েছে, শয়তানের তাছীর রয়েছে সে দুশ্চিন্তা, কু-চিন্তা করতে পারে। তার সেই বদ খাছলত প্রবল হয়ে যেতে পারে। ”
وَقُلْنَ قَوْلًا مَّعْرُوفًا
“আপনারা তাদের সাথে স্পষ্টভাবে কথা বলবেন। ”
এই আয়াত শরীফ যখন নাযিল হয়ে গেল, তারপর হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যদি কথা বলার দরকার বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামের দৃষ্টিতে ও ইসলামের নামে ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় সে প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্ব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাঁদীর মৃত্যুতে খুবই দুঃখিত হলেন। তার কাফন-দাফনের ব্যবস্থার জন্য তিনি বাজারে গেলেন। ফিরে এসে দেখেন তার কাফন পড়ানো হয়ে গেছে, আতর-গোলাপ লাগানো হয়েছে। তার দেহ দু’টি সবুজ রংয়ের বেহেশতী চাদরে ঢাকা। এতে দু’ছতরে দু’টো কথা লিখা আছে। প্রথমে লিখা আছে-
لا اله الا الله محمد رسول الله
তারপর লিখা আছে-
الا ان اولياء الله لا خوف عليهم ولا هم يحزنون.
হযরত ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বন্ধুবর্গকে নিয়ে তার জানাযা এবং দাফন শেষে পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ পাঠ করে বাড়ী ফিরে এলেন। বাড়ী ফিরে তিনি দু’রাকাত নাম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-
اَخْلِصْ دِيْنَكَ يَكْفِيكَ الْعَمَلُ الْقَلِيلُ
অর্থ: ‘তোমার অন্তরে খুলুছিয়াত পয়দা করো, অল্প আমলই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার একান্ত মনোনীত আখাছছুল খাছ নিয়ামতপ্রাপ্ত মহান ব্যক্তিত্ব মুবারক হচ্ছেন, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা। পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে কথাই বলেছেন। সেখানে বর্ণিত আছে-
أَنْعَمَ اللّٰـهُ عَلَيْهِمْ مِّنَ النَّبِيِّيْنَ وَالصِّدِّيْقِيْنَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِيْنَ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালিহীন (রহমতুল্লাহি আলাইহিম) উনাদেরকে বিশেষ নিয়ামত হাদিয়া করে বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তোমরা সম্মানিত ঈমান মুবারক গ্রহণ করতে পারো তাহলে তোমরা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ব বাকি অংশ পড়ুন...
অনুরূপ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন,
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ“আপনারা যদি পরহেযগারী ইখতিয়ার করে থাকেন। ”
অর্থাৎ আপনারা যে পরহেযগার হবেন, কতটুকু পরহেযগার হবেন? আপনাদের যে রকম যোগ্যতা রয়েছে ঠিক ততটুকু আপনাদের পরহেযগার হতে হবে। যেহেতু পরহেযগারী যে ইখতিয়ার করবে তার ফযীলত, তার সম্মান, তার ইজ্জত মহান আল্লাহ পাক তিনি বেশী দিয়েছেন।
যা অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ঘোষণা করে দিয়েছেন-
يَاأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْق বাকি অংশ পড়ুন...
কিয়ামতের লক্ষণ
৩য় লক্ষণ ও ৩য় দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنِّـىْ لَا اَخَافُ عَلـٰى اُمَّتِـىْ اِلَّا الْاَئِمَّةِ الْمُضَلِّـيْـنَ وَلَنْ تَـقُوْمَ السَّاعَةُ حَتّٰـى تَـلْحَقَ قَـبَائِلُ مِنْ اُمَّتِـىْ اَلْمُشْرِكِـيْـنَ وَحَتّٰـى تَـعْـبُدَ قَـبَائِلُ مِنْ اُمَّتِـىْ اَلْاَوْثَانَ
“আমি আমার উম্মতের জন্য অধিক ভয়ের অর্থাৎ ক্ষতির কারণ মনে করি বিভ্রান্ত শাসকদেরকে। আর মুশরিকদের সাথে আমার উম্মতের কতিপয় গোত্র না মিলিত হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে না, এমনকি ঐ নামধারী মুসলমানরা মূর্তিপূজাও করবে। ” না‘ঊযুবিল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
অর্থ: আমার যিনি সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য যা কিছু নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন, তা থেকে বিরত থাকো এবং এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ০৭)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত তাক্বওয়ার পোশাক পরিধান করার ব্যাপারে তাকিদ দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
يَا بَنِي বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...












