ক্বলবের ক্বিবলা হচ্ছেন- “শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা। ” উনার ফায়েজের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত ও মা’রিফাত মুবারকের ফায়িজে মুরীদ ফায়েজিয়াব বা ফায়েজপ্রাপ্ত হয়, ক্বলব ও অন্যান্য লতীফাসমূহে যিকির জারী হয়। অতঃপর ক্বলবসহ (অন্তর) সমস্ত লতীফা পরিশুদ্ধ হয় এবং ইখলাছ পয়দা হয়। আর তখনই মুরীদের পক্ষে গাইরুল্লাহ মুক্ত হয়ে একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য ইবাদত করা সহজ ও সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, নামাজের ক্বিবলা বা কা’বা শরীফ উনার ন্যায় ক্বিবলায়ে কু বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হজ্জ আদায়ের ছহীহ্ পদ্ধতি বা নিয়ম কি?
জাওয়াব:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
হজ্জ আদায়কারী ৮ই যিলহজ্জ ফজর নামায মক্কা শরীফে পড়ে মিনার দিকে রওয়ানা হবে। মিনাতে যোহর, আছর, মাগরিব, ইশা ও ফজর আদায় করবে। অতঃপর সেখান থেকে আরাফার ময়দানে যাবে অর্থাৎ ৯ই যিলহজ্জ আরাফার ময়দানে সারাদিন অবস্থান করবে। আরাফার ময়দানে ইমাম ছাহেব খুৎবার মাধ্যমে আরাফার কার্যসমূহ শুরু করবেন। খুৎবান্তে যোহরের ওয়াক্তে ইমাম ছাহেব এক আযান ও দুই ইকামতে যোহর ও আছরের নামায পড়াবেন।
যে ব্যক্তি নিজ স্থানে একা একা নামায আদায় করবে সে যোহরের ওয়াক্তে যোহরের নামায, আছরের ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
كُونُوا رَبَّانِيِّينَ
“তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও। ”
অর্থাৎ মাথার তালু হতে পায়ের তলা এবং হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত ও মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হতে হবে।
পর্দার ফাযায়েল-ফযীলত, হুকুম-আহ্কাম, গুরুত্ব-তাৎপর্য সম্পর্কে জানা প্রত্যেক বালেগ এবং বালেগা মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরযে আইন।
হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
بُنِىَ الإِسْلاَمُ عَ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَسُبُّوْا اَصْحَابِىْ فَلَوْ أَنَّ اَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا بَلَغَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلَا نَصِيْفَهُ
অর্থ: তোমরা আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালমন্দ করো না। কেননা যদি তোমাদের কেউ উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান করে, তবুও ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এক মুদ (১৪ ছটাক) বা অর্ধ মুদ (৭ ছটাক) গম দান করার ফযীলতের সমপরিমাণ ফযীলতও অর্জন করতে পারবে না। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
لَايُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ وَمَالِهِ وَوَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ মহান আল্লাহ পাক উনার কছম! যাঁর কুদরতী হাত মুবারকে আমার নূরুল আমর মুবারক অর্থাৎ প্রাণ মুবারক। তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের জান-মাল, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, ধন-সম্পদ থেকে (সমস্ত কিছু থেকে) আমাকে বেশী মুহব্বত করতে না পারবে। ” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এই পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হজ্জ আদায়ের ছহীহ্ পদ্ধতি বা নিয়ম কি?
জাওয়াব:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পর্যায়ক্রমে হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে মুলতাযিম এরপর বাইতুল্লাহ শরীফের দরজা, রুকনে ইরাকী হয়ে হাতিমের বাইর দিয়ে পর্যায়ক্রমে রুকনে শামী, রুকনে ইয়ামেন হয়ে এরপর হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত পৌঁছলে এক চক্কর সমাধা হলো। অতঃপর হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করবে। ভীড়ের কারণে চুম্বন করতে না পারলে ইস্তেলাম করবে। পুনরায় হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফের দ্বিতীয় চক্কর শুরু করবে। প্রত্যেক চক্করের সময় খেয়াল রাখতে হবে, তাওয়াফকারী যেন কোন চক্করের সময়ই হাজরে আসওয়াদ থেকে সামনে বেড়ে তাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই এটা প্রত্যেককেই মনে রাখতে হবে। এই আক্বীদা যদি কেউ রাখে- মাদ্রাসায় পড়লে কি খাবে, কি পরবে, কোথায় থাকবে, কিভাবে চলবে অর্থাৎ ইত্যাদির অভাব হবে, তাহলে সে কাট্টা কাফের হবে। এক নম্বর কাফের। সে এক নম্বর কাফের হবে, যদি সে আক্বীদা পোষণ করে, মাদ্রাসায় পড়লে খাওয়া পাবেনা, পরা পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এক নম্বর কুফরী, এটা মনে রাখবেন। এর থেকে সকলের খালেছ তওবা করা দায়িত্ব রয়েছে।
কাজেই প্রত্যেককেই খালেছ তওবা করতে হবে এর থেকে, যাতে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে উনার মতে মত করে দেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ
অর্থ: হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...












