পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّ شَرَّ الدَّوَابِّ عِندَ اللهِ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا فَهُمْ لَا يُؤْمِنُوْنَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই সমস্ত প্রাণীর মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কাফিররাই নিকৃষ্ট, যারা ঈমান আনেনি। ” (পবিত্র সূরা আনফাল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৫)
অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَا تُطِعِ الْكَافِرِيْنَ وَالْـمُنَافِقِيْنَ
অর্থ: কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ নং ১)
বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে ইমাম ইবনু জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখ্য। তিনি একবার সূরা আর-রহমান শরীফ উনার ছোট্ট একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ-
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
উনার তাফসীর করলেন একাধারা দুই বৎসর। তবুও যেন তাফসীর বাকী রয়ে গেল। উনার ভিতরে একটা ফখরের ভাব পয়দা হলো, নিশ্চয়ই তিনি মস্ত বড় একজন তাফসীরকারক। উনার মতো তাফসীরকারক হয়তো আর কেউ নেই। অন্যথায় একখানা আয়াত শরীফ উনার তাফসীর দুই বৎসর করার পর বাকী থাকার কথা নয়। এরই মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছায় এক আগন্তুক উনার তাফসীরের মজলিসে গিয়ে উনাকে প্রশ্ন করলেন, হুযূর! আপনি তাফ বাকি অংশ পড়ুন...
সুন্নতি পাগড়ী:
পাগড়ী পরিধান করা দায়েমী সুন্নত। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা পাগড়ী মুবারক পরিধান করতেন। মক্কা শরীফ বিজয়ের সময়ে উনার মহাসম্মানিত নূরুল হুদা মুবারক অর্থাৎ মাথা মুবারকে কালো পাগড়ী মুবারক ছিলো। তিনি পাগড়ী মুবারকের নিচে এবং পাগড়ী ব্যতীত শুধু টুপি মুবারকও ব্যবহার করেছেন।
পাগড়ী সম্বন্ধে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মানুষ যখন পাগড়ী পরা ছেড়ে দিবে, তখন তাদের থেকে দ্বীন চলে যা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: “তোমরা যদি (কোন বিষয়ে) না জানো, তাহলে আহলে যিকির বা আল্লাহওয়ালা উনাদেরকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নাও।” (পবিত্র সূরা নহল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৩)
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা প্রতীয়মান হলো যে, যিনি বা যারা সত্যিকার আল্লাহওয়ালা উনাদেরকে অনুসরণ করতে হবে। কেননা, উনাদেরকে অনুসরণ করা ব্যতীত কারো পক্ষে আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক বাকি অংশ পড়ুন...
২. তৃতীয় কোনো লিঙ্গের অস্তিত্ব নেই:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এরূপ আরো অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন। যেখান থেকে অত্যন্ত সুস্পভাবে প্রমাণিত যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে কাউকে পুরুষ আর কাউকে মহিলা হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি পুরুষ ও মহিলা ছাড়া তৃতীয় কোনো লিঙ্গ সৃষ্টি করেননি। এ বিষয়টিই হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে আরো সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন। উনারা হিজড়ার ব্যাপারে অর্থাৎ লিঙ্গগত দিক থেকে যেই ব্যক্ বাকি অংশ পড়ুন...












