ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য ও হুকুম-আহ্কাম (৩০)
, ২৩ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২১ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ০৬ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
হাদীছ শরীফে বলা হয়েছে, যখন কেউ প্রবেশ করতে চায়, অনুমতি নিতে চায়, তাহলে তাকে স্পষ্ট করে তার বর্ণনা দিতে হবে, কে এসেছে?
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي دَيْنٍ كَانَ عَلَى أَبِي فَدَقَقْتُ الْبَابَ فَقَالَ مَنْ ذَا فَقُلْتُ أَنَا فَقَالَ أَنَا أَنَا كَأَنَّهُ كَرِهَهَا.
“হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, আমি একবার আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুজরা শরীফে গেলাম। যাওয়ার কারণ ছিলো, আমার পিতার উপর ঋণ ছিল সে ঋণের ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য। দরজা খটখটি দিলাম, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আওয়াজ করলেন, কে? আমি বললাম, أَنَا- আমি। ”
এটা শুনে আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
أَنَا أَنَا আমি, আমি বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন?”
كَأَنَّهُ كَرِهَهَا
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, “আমার মনে হলো যে, এটা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অপছন্দ করলেন। ”
‘আমি’, ‘আমি’ অর্থ কি? ‘আমি’ তো যে কেউ হতে পারে? তার স্পষ্ট নাম বলতে হবে। অথবা যে নামে সে পরিচিতি লাভ করেছে বা যে নাম বললে তাকে চেনা সহজ হবে, এমন নাম বলবে।
এরপর অনুমতি দিলে সে প্রবেশ করবে। স্পষ্ট করে বলে, তারপর তাকে প্রবেশ করতে হবে। অস্পষ্ট কোন কথা যেন সে না বলে। স্পষ্ট পরিচয় দিবে। অনুমতি যদি দেয়া হয়, এরপর সে প্রবেশ করবে।
কাজেই অনুমতি নেয়া
إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ
এটা আম এবং খাছ সকলের বাড়ীতে গেলেই অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। আর বিশেষ করে আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুজরা শরীফে প্রবেশ করার জন্য তো অবশ্যই খাছ অনুমতির দরকার রয়েছে।
এখানে পর্দার জন্য একটা বিষয় হচ্ছে অনুমতি নেয়া, অনুমতি নিলে পর্দা রক্ষা করা সহজ হয়। বিনা অনুমতিতে কেউ যদি ঘরে প্রবেশ করে যায়, বেপর্দা হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা বলে দিলেন যে, তোমরা অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবে, তাহলে তোমাদের পর্দার সহায়ক হবে। তোমরা বেপর্দা হবে না।
এরপর বলা হয়েছে যে, তাকে খাদ্য খাওয়ার জন্য ডাকা হবে অর্থাৎ সময়ের পূর্বে যেন প্রবেশ না করে, সেখানে না যায়, অনুমতি প্রার্থনা না করে,
وَلَكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا
“যখন শুধু ডাকা হবে অর্থাৎ অনুমতি দেয়া হবে তখনই প্রবেশ করবে। অর্থাৎ ডাকা হলে প্রবেশ করবে। ”
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












