অজু করার তরতীব
অজু করার জন্য পবিত্র পাত্রে পাক-পবিত্র পানি নিতে হবে অথবা পাক-পবিত্র পানির স্থানে যেতে হবে। ক্বিবলামুখী হয়ে উঁচু জায়গায় বসতে হবে। পানির পাত্রের আকার যদি এরূপ হয় যে, পাত্রটি তুলে পানি ঢালা সম্ভব, তাহলে পানির পাত্রটি বাম পাশে রাখতে হবে। অন্যথায় পানির পাত্র বা উৎস ডান দিক থাকবে। অজু করার পূর্বে মিসওয়াক করা সুন্নত।
ক) মিসওয়াক করার নিয়ম :
মিসওয়াক করতে হলে ডান হাতের শাহাদাত, মধ্যমা এবং অনামিকা আঙ্গুল মিসওয়াকের উপরে রেখে এবং বৃদ্ধাঙ্গুল ও কনিষ্ঠা আঙ্গুল মিসওয়াকের নিচে রেখে মিসওয়াকের মাঝামাঝি ধরতে হবে। মিসওয়াক করতে বাকি অংশ পড়ুন...
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا
অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং আপনার বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং মু’মিনদের আহলিয়াগণকে বলে দিন- উনারা যেন উনাদের চাদরের একটা অংশ চেহারা ও বুকের উপর টেনে দেন অর্থাৎ পর্দা করেন। এটা হচ্ছে- উনাদের সম্ভ্রান্ত হওয়ার পরিচয় এবং উনাদেরকে বিরক্ বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর আর এক ব্যক্তি আসলেন, এসে বললেন-
اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
(আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ) উনাকে সালামের জাওয়াব দেয়া হলো, তিনি বসলেন। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন- عِشْرُونَ উনার জন্য বিশটা।
এরপর আর এক লোক আসলেন, এসে বললেন-
اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ
(আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্) এটা যখন তিনি বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন বললেন, উনার জন্য ত্রিশটা।
আর এক ব্যক্তি এসে বললেন-
اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَا বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ -৮২)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি, বেদী, ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর এসবগুলোই শয়তানের কাজ। অতএব, এগুলো থেকে তোমরা বিরত থাকো। অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
অর্থ: তোমরা মূর্তিসমূহের খারাবী, অপবিত্রতা, নাপাকী, নিষিদ্ধতা বা শাস্তি থেকে বেঁচে থাকো। বাকি অংশ পড়ুন...
অন্যান্য বর্ণনা:
হযরত খাজা মাহমূদ আনজির ফাগনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় থেকে হযরত সাইয়্যিদ আমীর কুলাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় পর্যন্ত জলী (উচ্চস্বরে) যিকিরের নিয়ম প্রচলিত ছিলো। কিন্তু হযরত খাজা বাহাউদ্দিন নকশবন্দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় থেকে খফী (গোপন) যিকিরের নিয়ম প্রচলিত হয়।
তিনি কয়েক বৎসর হযরত সাইয়্যিদ আমীর কুলাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খিদমতে থেকে সুলূকের পরিপূর্ণতা অর্জন করেন। হযরত সাইয়্যিদ আমীর কুলাল রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে নিয়ামত ও খিলাফত নিয়ে তিনি সেখান থেকে বিদায় হলেন। অতঃপর তিনি হযরত ফাতম শায়েখ র বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সে ব্যক্তি বারবার বলতে লাগলেন ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি তো আমার মা’র সঙ্গে একই ঘরে থাকি, আমি তো উনার খাদিম, উনাকে দেখাশুনা করে থাকি ইত্যাদি ইত্যাদি; এরপরও কি অনুমতি নিব?
তখন আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
أَتُحِبُّ أَنْ تَرَاهَا عُرْيَانَةً ؟
আপনি কি পছন্দ করেন আপনার মাকে বস্ত্রহীন অবস্থায় দেখবেন?’
قَالَ: لاَ،
সে ব্যক্তি বললেন যে, ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘আমি তো সেটা পছন্দ করি না। ’
قَالَ: فَاسْتَأْذِ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, ‘খিলাফতের সময় সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি সিরিয়ায় যে অভিযান প্রেরণ করেন তাতে হযরত আমর ইবনুল আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত শুরাহবীল ইবনে হাসানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে আমীর নিযুক্ত করেন। মুজাহিদ বাহিনীকে রওয়ানা করার পূর্বে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি যে নছীহত মুবারক করেন তা বিশ্বের সমর ইতিহাসে একেবারেই বিরল।
তিনি সেই অবিস্মরণীয় নছীহত মুবারক-এ বলেন, “হে মুসলিম মুজাহিদ বাহিনী! আমি আপনাদেরকে ন বাকি অংশ পড়ুন...
অন্য বর্ণনায় রয়েছে, হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কাল-বিলম্ব না করে কয়েকজন লোকসহ কাঙ্খিত লোকদ্বয়কে দাওয়াতের অনুরোধের জন্য নিজেই তাদের বাসস্থানে উপস্থিত হলেন। তারপর তিনি নম্র কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমরা কে এবং কোথা থেকে এসেছো? তোমরা দাওয়াতে শরীক হলে না কেন?’ তারা নিজেদেরকে গোপন করে বললো, ‘আমরা মুসাফির, দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে আছি। আমরা কারো দাওয়াত গ্রহণ করি না। মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি নির্ভরশীল। আমরা সবসময় ইবাদত, রিয়াজত-মাশাক্কাত ও পরকালের চিন্তা-ফিকিরে ব্যস্ত আছি। পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত আর নফল নামায আদ বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ জাহিলের পরিণতি:
আবূ জাহল (ابو جهل) এটি তার উপাধি। মূল নাম আমর ইবনে হিশাম। জাহেলি যুগে কাফেররা তাকে উপাধি দিয়েছিলো আবুল হাকাম الحكم) (ابو অর্থাৎ জ্ঞানের পিতা। সে ছিলো গভীর জ্ঞানের অধিকারী কিন্তু ঈমান থেকে বিমুখতা, হক্ব বা সত্য গ্রহণে অস্বীকার করার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তার উপাধি দেন আবূ জাহল অর্থাৎ মূর্খের পিতা হিসেবে। ইতিহাসে সে এই উপাধিতেই পরিচিত।
পবিত্র মক্কা শরীফের কাফিরদের মধ্যে এই লোকটাই ছিলো সম্মানিত ইসলাম ও মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুশমন। সকলের দুশমনি এক পাল্লায় বাকি অংশ পড়ুন...












