সেটাই হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে বলা হলো। উনি দলীল তলব করলেন। এর অর্থ এটা নয় যে, হযরত আবু মূসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সঠিক হাদীছ শরীফ বলেননি বরং উনি সঠিক হাদীছ শরীফ-ই বলেছেন তবে হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি আর একজন সাক্ষী তলব করলেন, এই হেতু মুহাদ্দিছীন-ই-কিরামগণ বলেন, যাতে পরবর্তীতে কোন লোক আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কোন ঝুটা-মিথ্যা কথা না বলতে পারে, সেজন্য তিনি দলীল তলব করলেন।
কাজেই অনুমতি নিয়েই প্রবেশ করতে হবে। বিনা অনুমতিতে প্ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَلَا تُقَاتِلُونَ قَوْمًا نَكَثُوا أَيْمَانَهُمْ وَهَمُّوا بِإِخْرَاجِ الرَّسُولِ وَهُمْ بَدَءُوكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ أَتَخْشَوْنَهُمْ فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ تَخْشَوْهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
অর্থ: আপনারা কি সেই জাতির বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন না, যারা তাদের শপথ ভঙ্গ করেছে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থান মুবারক করার বিষয়ে বিরোধিতা করেছে এবং তিনি যেন সেখান থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে সম্মানিত হিজরত মুবারক করেন এ বিষয়ে তারা ষড়যন্ত্র করেছে? আর এরাই প্রথম বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে জেরুজালেম তথা বাইতুল মুক্বাদ্দাস শরীফ ইহুদিদের হাত থেকে মুক্ত করেন মুসলিম সেনাপতি বিশিষ্ট ছাহাবী, হযরত আবূ উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। সেখানকার ইহুদি সম্প্রদায়ের জানা ছিলো যে, আসমানী কিতাবে বর্ণিত ছিল আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতগণ বাইতুল মুক্বাদ্দাস শরীফ জয় করবেন। এমনকি সেই সময় যিনি সম্মানিত খলীফ থাকবেন, তিনি কি অবস্থায় আগমন করবেন সেটাও সেখানে বর্ণনা করা ছিল বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ আল্লামা হযরত ইমাম মুহম্মদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে শিহাব ইবনে ইঊসুফ আল বাযযাযী আল হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ৮২৭ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আল ফাতাওয়াউল বাযযাযিয়্যাহ আউইল জামিউল ওয়াজীয’ উনার মধ্যে বলেন-
اِذَا سَبَّ الرَّسُوْلَ عَلَيْهِ الصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ اَوْ وَاحِدًا مِّنَ الْاَنْۢبِيَاءِ عَلَيْهِمُ الصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ فَاِنَّهٗ يُـقْتَلُ حَدًّا وَّلَا تَوْبَةًلَهٗ اَصْلًا سَوَاءٌ بَـعْدَ الْقُدْرَةِ عَلَيْهِ وَالشَّهَادَةِ اَوْ جَاءَ تَائِـبًا مِّنْ قِـبَلِ نَـفْسِهٖ كَالزِّنْدِيْقِ لِاَنَّهٗ حَدٌّ وَّجَبَ فَلَا يَسْقُطُ بِالتَّـوْبَةِ كَسَائِرِ حُقُوْقِ الْاٰدَمِيِّـيْـنَ وَكَحَدِّ الْقَذْفِ لَا يَسْق বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবুল বাশার আলাইহিস সালাম তিনি গেলেন অতঃপর সালাম দিলেন।
উনারা জাওয়াবে বললেন-
اَلسَّلاَمُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللهِ
একটা শব্দ বাড়িয়ে উনারা বললেন। সেজন্য আদম সন্তানের জন্য এই নিয়ম মহান আল্লাহ পাক তিনি করে দিলেন।
আর মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও করে দিলেন, সালাম দিবে-
اَلسَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
ইচ্ছা করলে আরো বাড়িয়ে বলতে পারে-
وَبَرَكَاتُهٗ وَمَغْفِرَتُهٗ
আরো অনেক বাড়িয়ে বলতে পারে। সালাম দিবে এবং তার জাওয়াবও দিবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটাই ফায়সালা করে দিলেন যে, গৃহবাসীর কাছে গিয়ে সালাম দিবে, সে তার জাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাহাফ’ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تُطِعْ مَنْ اَغْفَلْنَا قَلْبَهٗ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ اَمْرُهٗ فُرُطًا
অর্থ: তোমরা ঐ ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না যার ক্বল্ব্ আমার যিকির থেকে গাফিল। সে নফসের পায়রবী করে আর তার কাজগুলো সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ।
অর্থাৎ যারা শরীয়তের খিলাফ কাজ করে তথা টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করে, হারাম কাজ করে তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়ারমুক জিহাদের প্রান্তর। বিজয়ীর বেশে মুসলমানগণ। কাফেরদের কচুকাটা করে বিজয়ের উচ্ছ্বাস মুসলমানদের মাঝে। কিন্তু এরই মাঝে জিহাদের প্রান্তরে মারাত্মকভাবে আহত মুসলমানগণ পানির জন্য পিপাসার্ত। মুজাহিদগণ আহত মুসলিমদের মাঝে পানি বিতরণ করছেন। আহতদের অনেকেই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম।
বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু তিনি পানি নিয়ে এগুচ্ছিলেন আহতদের উদ্দেশ্যে। কিছুদূর এগিয়ে দেখতে পেলেন আহত হযরত হারিছ ইবনে হিশাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে। যখন উনাকে পানি দেওয়া হলো, হযরত ইকরামা রদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের
আলোকে দুয়া বা মুনাজাত শরীফ উনার গুরুত্ব
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
যেমন এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي اَسْتَجِبْ لَكُمْ اِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ.
অর্থ : “তোমাদের মহান রব তায়ালা তিনি বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে (দুয়ায়) সাড়া দিব। নিশ্চয়ই যারা আমার ইবাদতে অহঙ্কার করে, তারা অতি সত্ত্বর লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে দাখিল (প্রবেশ) হবে। ” (পবিত্র সূরা মু’মিন শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ : ৬০)
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَاد বাকি অংশ পড়ুন...
অনেক লোক বলে থাকে বা অনেকে চিন্তা-ফিকিরও করে থাকে, ঘর-বাড়িতে রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হোক। এমন কোন লোক নেই মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে, যে চায় না তার বাড়িতে রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হোক। যদি কেউ চায় তার বাড়িতে রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হোক সবসময়, সেটাই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলে দিয়েছেন, সে যেন প্রবেশ করতে এবং বের হতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করে এবং বের হয়। তাতে মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল করবেন।
আর একটা হাদীছ শরীফে হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র শান মুবারকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শব্দ চয়ন ছিলো আশ্চর্যজনক। উনারা যে সর্বদিক থেকেই সবচেয়ে বেশি মহাব্বত মুবারক করতেন এবং সর্বোচ্চ আদব রক্ষা করতেন তার বাস্তব নমুনা ফুটে উঠেছে নিম্নোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ উনার মাঝে।
عَنْ حَضْرَتْ قَـيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالى عَنْهُ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَدِّهٖ قَالَ وُلِدْتُ اَنَا وَرَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيْلِ وَسَاَلَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ عَلَيْهِ السَ বাকি অংশ পড়ুন...












