ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য ও হুকুম-আহ্কাম (৫৭)
, ২৩ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২০ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৯ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ০৪ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এরপর আর এক ব্যক্তি আসলেন, এসে বললেন-
اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
(আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ) উনাকে সালামের জাওয়াব দেয়া হলো, তিনি বসলেন। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন- عِشْرُونَ উনার জন্য বিশটা।
এরপর আর এক লোক আসলেন, এসে বললেন-
اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ
(আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্) এটা যখন তিনি বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন বললেন, উনার জন্য ত্রিশটা।
আর এক ব্যক্তি এসে বললেন-
اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَمَغْفِرَتُهُ
(আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহূ ওয়া মাগফিরাতুহ্) অর্থাৎ وَمَغْفِرَتُهُ (মাগফিরাতুহ্) সংযোগ করে বললেন। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, উনার জন্য চল্লিশটা।
জিজ্ঞাসা করা হলো- ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বললেন দশটা, বিশটা, ত্রিশটা, চল্লিশটা সেগুলো কি?
আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, সেটা হচ্ছে নেকী। শুধু اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ (আসসালামু আলাইকুম) বললে সে দশটা নেকী পাবে। وَرَحْمَةُ اللهِ (ওয়া রহমাতুল্লাহ্) যোগ দিয়ে বললে বিশটা। وَبَرَكَاتُهُ (ওয়া বারাকাতুহ্) যোগ দিলে ত্রিশটা। وَمَغْفِرَتُهُ (ওয়া মাগফিরাতুহ্) যোগ দিলে চল্লিশটা। এ রকম যে যতটা শব্দ বাড়াবে সে প্রতি শব্দে দশটা করে নেকী লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ!
আর আমাদের মুসলমানদের জন্য সালাম- اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ (আসসালামু আলাইকুম) বলতে হবে। অন্য কোন ইঙ্গিত-ইশারা দিয়ে সালাম করতে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিষেধ করেছেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও নিষেধ করেছেন।
হাদীছ শরীফে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا
“হযরত আমর বিন শুয়াইব তিনি উনার পিতা থেকে আর তিনি উনার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا
ঐ ব্যক্তি আমার উম্মতের দলভুক্ত নয় যে অন্যদের সাথে মিল রাখে বা মুশাব্বাহ রাখে। ”
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো বলেন যে-
لاَ تَشَبَّهُوا بِالْيَهُودِ وَلاَ بِالنَّصَارَى
“তোমরা ইহুদী এবং নাছারাদের সাথে কোন মুশাব্বাহ (মিল) রেখ না। ”
فَإِنَّ تَسْلِيمَ الْيَهُودِ اَلْإِشَارَةُ بِالأَصَابِعِ وَتَسْلِيمَ النَّصَارَى اَلْإِشَارَةُ بِالأَكُفِّ
“জেনে রাখ, নিশ্চয়ই ইহুদীদের সালাম হচ্ছে আঙ্গুলী দিয়ে ইশারা করা। আর খৃষ্টানদের সালাম হচ্ছে হাতের তালু দিয়ে ইশারা করা। ”
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতান আব্দুল হামিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলদিজ প্রাসাদে ইফতার আয়োজনের স্মৃতিকথা
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৬)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের হাঁচি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৬)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












