মূল বিষয় হলো যে, মহিলাদের মধ্যে খারাবী রয়েছে কখন? যদি মহিলা বেশরা, বিদ্য়াত, বেপর্দা, বেহায়া হয়, স্বামীর অবাধ্য হয় তখন তার মধ্যে খারাবী রয়েছে। তার মধ্যে কোন বরকত-খায়ের থাকবে না। রহমত সাকীনাহ্ তার জন্য নাযিল হবে না। তখন তার জন্য খারাবী রয়েছে। আর ঐ ঘর-বাড়ীতে খারাবী রয়েছে যে ঘর-বাড়ী স্বাস্থ্যের অনুপযুক্ত। যেখানে মানুষ বসবাস করলে নানা রকম ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, ওয়াস্ওয়াসার সৃষ্টি হয়, জ্বিন-পরীর তাছীর রয়েছে, ক্রিয়া রয়েছে, যার পরিবেশ খারাপ।
যেটা হাদীছ শরীফে এসেছে, اَلْجَارُ قَبْلَ الدَّارِ ঘর করার পূর্বে প্রতিবেশী দেখতে হবে। প্রতিবেশী যদি তার বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ মুবারক অমান্য করার কারণে যদি সবচেয়ে ব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন-
إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ لَمَّا أَتَوُا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنِ الْقَوْمُ أَوْ مَنِ الْوَفْدُ قَالُوْا رَبِيْعَةُ قَالَ مَرْحَبًا بِالْقَوْمِ أَوْ بِالْوَفْدِ غَيْرَ خَزَايَا وَلَا نَدَامَى فَقَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّا لَا نَسْتَطِيْعُ أَنْ نَأْتِيَكَ إِلاَّ فِيْ شَهْرِ الْحَرَامِ وَبَيْنَنَا وَبَيْنَكَ هَذَا الْحَىُّ مِنْ كُفَّارِ مُضَرَ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ فَصْلٍ نُخْبِرْ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا وَنَدْخُلْ بِهِ الْجَنَّةَ وَسَأَلُوْهُ عَنِ الأَشْرِبَةِ فَأَمَرَهُمْ بِأَرْبَعٍ وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعٍ أَمَرَهُمْ بِالإِيْمَانِ بِاللهِ وَحْدَهُ قَالَ أَتَدْرُوْنَ বাকি অংশ পড়ুন...
অজু ভঙ্গের কারণসমূহ১. পায়খানা ও পেশাবের রাস্তা হতে কিছু বের হলে, যথা- বাহ্য, প্রশ্রাব, মনি, মজি, ওদি, পাথরী, বায়ু, কিড়া প্রভৃতি।
২. গুহ্যদ্বারে পিচকারী বা অঙ্গুলি প্রবেশ করে বের করতঃ পিচকারী ও অঙ্গুলির অগ্রভাগ ভিজা দেখতে পেলে অজু ভঙ্গ হবে।
৩. শরীরের কোনো স্থান হতে রক্ত, পুঁজ, বদ রস প্রভৃতি এ পরিমাণ নির্গত হয় যে, ক্ষতস্থান হতে গড়িয়ে যায়, না গড়ালে অজু ভঙ্গ হবে না।
৪. স্ত্রী লোকের সন্তান প্রসবের পর রক্তস্রাব না হলেও অজু ভঙ্গ হবে। হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে এ অবস্থায় গোসলও ফরয হবে।
৫. কর্ণদ্বয়, নাসিকা, নাভিস্থান ও স বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
এখন এই হাদীছ শরীফে আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কতটুকু সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছেন? যদিও মুফাস্সিরীনে কিরাম, মুহাদ্দিছীনে কিরামগণ এ হাদীছ শরীফ নিয়ে অনেকে অনেক কিছু বর্ণনা করেছেন। বিশেষ করে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য আলাদা হুকুম-আহ্কাম। এরপরেও যারা মুত্তাক্বী-পরহিযগার হবে, তাক্বওয়া অবলম্বন করবে, উনাদের জন্য সে একই হুকুম রয়েছে। সতর্ক থাকতে হবে যেন পরপুরুষকে সে দেখবেনা ঠিক পরপুরুষও তাকে যেন না দেখে।
অনুরূপ একই হুকুম তার উপর বর্তাবে। সে অবস্থা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًلا. وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ .قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ .وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ .قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা ঈমানদার ব্যতীত (অন্য ধর্মাবলম্বী) অর্থাৎ কাফিরদেরকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে না। (কেননা) এই কাফির-মুশরিকরা তোমাদের অনিষ্ট করতে (মোটেও) ত্রুটি করে না। তারা (মনে-প্রাণে) এটাই কামনা করে যে, তোমরা (পার্থিব ও ধর্মীয় ব্যাপারে) বিপন্ন হও। (তোমাদের প্রতি শত্রুতায় তাদে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحْيَةِ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন গোঁফ ছোট করার ও দাড়ি লম্বা করার। (দারহী কী শরয়ী হাইছিয়ত)
বাকি অংশ পড়ুন...
আর দুনিয়াবী যতটুকু শিক্ষা করা দরকার সেটা গ্রহণ করবে পর্দার সহিত।
তবে ডাক্তার হওয়ার জন্য যদিও বলা হয়েছে, ডাক্তারী পড়া মেয়েদের জন্য জায়িয রয়েছে। তবে যারা মুত্তাক্বী, পরহেযগার তাদের জন্য নয়। যারা আম, সাধারণ রয়েছে তাদের জন্য। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আলাদা আলাদা ফতওয়া দেয়া হয়েছে। অবস্থা বিশেষে সে ফতওয়া গ্রহণযোগ্য ও কার্যকরী হবে।
যেমন, এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِينَ السَّادِسَةِ أُمِّ سَلَمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ حَضْرَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةُ عَشَرَ مَيْ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নছীহত মুবারক:
তাই তো কবি যথার্থই বলেছেন-
مٹا دو اپنی ہستی کو اگر کچھ مرتبہ چاہو کہ دانہ بخاک ملکر گول گلزار ہوتا ہے
অর্থ: যদি সম্মান-মর্যাদা হাছিল করতে চাও তাহলে নিজের হাস্তী তথা অস্তিত্বকে বিলীন করে দাও। কেননা, শষ্য-দানা মাটির সাথে মিশে, অস্তিত্বকে বিলীন করার পরেই ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়ে থাকে।
তিনি আরো বলেন যে, নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদত-বন্দেগীর একটি বাহ্যিক রূপ আছে। আর একটি হাক্বীক্বত বা মৌলিক তথা প্রকৃত রূপ আছে। এ সব ইবাদত-বন্দেগীর হাক্বীক্বত বা প্রকৃত অবস্থাকে ছেড়ে দিয়ে শুধু জাহির বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...












