দশ লতিফার প্রত্যেকটিতে আলাদা আলাদা পবিত্র যিকির জারি হওয়ার পর সম্মিলিতভাবে দশ লতিফার যিকির করতে হয়। আর একেই বলা হয় পবিত্র সুলত্বানুল আযকার বা যিকিরের বাদশাহ।
এতে প্রথমে প্রত্যেক পশমের গোড়ায় গোড়ায় অতঃপর পর্যায়ক্রমে চামড়া, গোশত, রক্ত, হাড় ও তার মজ্জায় অর্থাৎ সমগ্র শরীরে আল্লাহ আল্লাহ উনার যিকির মুবারক জারি হয়ে যায়, তখন মাথার তালু হতে পায়ের তলা পর্যন্ত শরীরের সবকিছুই আল্লাহ আল্লাহ উনার যিকির মুবারক করতে থাকে।
উল্লেখ্য, পবিত্র সুলত্বানুল আযকার যিকির মুবারক উনার তিনটি পর্যায় বা স্তর রয়েছে। প্রথমত : সালিক বা মুরীদ দেখতে পাবে যে, বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
বিলাদত শরীফ: ১২০১ হিজরী
বিছাল শরীফ: ১২৪৬ হিজরী
বয়স মুবারক: ৪৫ বছর
পবিত্র বিলাদত শরীফ:
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, দলিলুল আরেফিন, মাখজানে মারিফাত, সিরাজুল উম্মত, আসাদুল্লাহ্, ছাহিবুল আসরার, সাইয়্যিদুল আবেদীন, মুহইউস সুন্নাহ্, দাফিউল বিদয়াত, মুজাহিদে মিল্লাত, খলীফাতুল্লাহ্ ফিল আরদ, আমিরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১২০১ হিজরী সনের পবিত্র ৬ই ছফর শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ ভারতের উত্তর প্রদেশের “রায় বেরেলী” শহরের বিখ্যাত সম্ভ্রান্ত সাইয়্যিদ পরিবারে পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ
অর্থ: হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ حَدَّثَتْهُ اَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَـمْ يَكُنْ يَتْرُكُ فِىْ بَيْتِهِ شَيْئَا فِيْهِ تَصَالِيْبُ اِلَّا نَقَضَهُ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বীয় পবিত্র হুজরা শরীফ-এ (প্রাণীর) ছবিযুক্ত কোনো জিনিসই রাখতেন না। দেখলেই ভেঙ্গে চূর্ণ করে দিতেন। (বুখারী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
ইবলিস তার আসা-যাওয়া জারি রেখেছে।
সে বললো, অসুবিধার কি রয়েছে, এখানে তো আর কেউ নেই, আর তুমি আবেদ, তোমার সামনে এসেই খাদ্য দিবে, অসুবিধার কি কারণ? অসুবিধা নেই, সে তোমার মেয়ের মত থাকবে, অসুবিধা কি? বলে, হালকা পর্দার খেলাফ সে করলো।
আস্তে আস্তে সে ভিতরে এসে খাদ্য পৌঁছাতো। পৌঁছাতে পৌঁছাতে এমন এক অবস্থায় পৌঁছলো, অবৈধ সম্পর্ক হয়ে গেলো। নাউযুবিল্লাহ!
এদিকে তো দু’ভাই তারা জিহাদে চলে গেছে। অবৈধ সম্পর্ক হয়ে শেষ পর্যন্ত অবৈধভাবে সেই মেয়ের একটা সন্তান হয়ে গেলো।
যখন সন্তান হয়ে গেলো। ইবলিস এসে বললো, ‘তুমি কি করেছো? সর্বনাশ করেছো? জিহাদ তো প্রা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার যমীনে গরু যবেহকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের আগমন ও জিহাদ:
১. ১১৭৮ সালে তৎকালীন আরব থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এই বাংলায় আসেন সুফি বাবা আদম শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি। বিক্রমপুরে তখন কথিত শাসক বল্লাল সেনের শাসন চলছিলো, সে সময় তিনি উনার অনুসারীদের নিয়ে এক কুরবানীর ঈদে গরু যবেহ করেন। এই কথা পৌঁছে যায় কথিত শাসক বল্লাল সেনের কাছে। সে রাগান্বিত হয়ে হামলা করে সুফি বাবা আদম শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফে এবং উনাকে শহীদ করে। কিন্তু সে সময় যুদ্ধের নমুনা এমন ছিলো যে কথিত শাসক বল্লাল সেনের পরিবার মনে করে সে বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- বেহেশতের দরজায় লেখা রয়েছে-
اَلدَّيُّوثُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ
অর্থ: দাইয়ূছ অর্থাৎ যে পুরুষ কিংবা মহিলা নিজে পর্দা করে না এবং তার অধিনস্থদেরকে পর্দা করায় না সে বেহেশতে প্রবেশ করবে না। (মুসনাদে আহমদ)
বাকি অংশ পড়ুন...
আর আবেদকে বললো, “যেহেতু তারা জিহাদে যাবে, তুমি তো আর জিহাদে যেতে পারতেছো না। তাহলে তাদেরকে যদি তুমি সহযোগিতা করো, তুমিও জিহাদের ছওয়াব পাবে।
অর্থাৎ একদিকে তুমি জিহাদেরও ছওয়াব পাবে, অন্য দিকে ইবাদত-বন্দেগীও করতে পারবে, বেশী বেশী করতে পারবে। তাদের সহযোগিতা করা হলে অনেক ফযীলত তুমি পাবে। ” ইত্যাদি ইত্যাদি উভয়কে অনেক ওয়াস্ওয়াসা দিয়ে, অনেক প্রতারণা করে ভুলিয়ে ফেললো সে। শেষ পর্যন্ত তারা ফায়সালা করলো, ঠিক আছে, তাদের সে বোনকে এখানে রেখে যাবে। একটা আলাদা ঘর রয়েছে, সেখানে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, ওযূ-ইস্তিঞ্জার ব্যবস্থা রয়েছে, ইবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অনেকেই হিংসামূলক মনোভাবের কারণে আকাঙ্খা করে যে, ঈমান আনার পর আবার তোমরা কাফির হও। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এ প্রসঙ্গে হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
پسر نوح بابداں بنشست+ خاندان نبوتش گم شد
سگ اصحاب کھف روزے چند+ پئے نیگاں گرفت مردم شد
অর্থ: হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ছেলে কেনান, খারাপ লোকদের ছোহবতে থাকার কারণে নুবুওওয়াতী খান্দানের মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে জাহান্নামী হলো। আর আছহাবে কাহাফ উনাদের কুকুর নেককার লোক উনাদের ছোহবত মুবারক-এ থাকার কারণে মানুষের ছূরতে জান্নাতী হবে। সুবহানাল্লাহ! (গুলিস্তাঁ)
অর্থাৎ হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ছেলে কেনান কাফিরদের ছোহ্বতে থাকার কারণে নুবুওওয়াতী খান্দান হারিয়ে বেঈমান হয়ে মারা বাকি অংশ পড়ুন...












