পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ سَعِيدِ بْنِ أَبِى الْحَسَنِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَقَالَ إِنِّى رَجُلٌ أُصَوِّرُ هَذِهِ الصُّوَرَ فَأَفْتِنِى فِيهَا. فَقَالَ لَهُ اُدْنُ مِنِّى. فَدَنَا مِنْهُ ثُمَّ قَالَ اُدْنُ مِنِّى. فَدَنَا حَتَّى وَضَعَ يَدَهُ عَلَى رَأْسِهِ قَالَ أُنَبِّئُكَ بِمَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كُلُّ مُصَوِّرٍ فِى النَّارِ يَجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسًا فَتُعَذِّبُهُ فِى جَهَنَّمَ. وَقَالَ إِنْ كُنْتَ لاَ بُدَّ فَاعِلاً فَاصْنَعِ الشَّجَرَ وَمَا لاَ نَفْسَ لَهُ.
অর্থ: হযরত সাঈদ রদ্বিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
খুব সূক্ষ্ম শয়তানের তা’ছীর অর্থাৎ শয়তানের ওয়াস্ওয়াসা খুব সূক্ষ্ম। সে তাকে বলতে লাগলো, “তুমি যে নিজে পাক-শাক করে খাও, তোমার তো অনেক সময় ব্যয় হয়ে যায়। তুমি এক কাজ করো, একজন লোক রেখে নাও, যে তোমাকে পাক-শাক করে দিবে, তোমার সময় বেঁচে যাবে, তুমি বেশী বেশী ইবাদত-বন্দেগী করতে পারবে।”
আবেদের ইলিমের কিছু অভাব রয়েছে। সে মনে মনে চিন্তা করলো, ব্যাপারটা তো খারাপ নয়, ভাল। তুমি তো আমাকে ভাল বুদ্ধি দিয়েছো, তাহলে লোক পাবো কোথায়?
ইবলিস বললো, ‘ঠিক আছে আমি দেখি লোক পাওয়া যায় কি-না।’
এটা বলে সে আবার সেই দুই ভাইয়ের কাছে গেলো, গিয়ে বললো “দেখো, আমি তো তার সাথে আ বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রিযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক লাভের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান-ছদক্বা করা। ইবাদতসমূহ উনার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দান-ছদক্বা করা। পবিত্র দ্বীন ইসলামে দান-ছদক্বার ফযীলত ও গুরুত্ব অপরিসীম।
যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ أَضْعَافًا كَثِيرَةً وَاللَّهُ يَقْبِضُ وَيَبْسُطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের
আলোকে দুয়া বা মুনাজাত শরীফ উনার গুরুত্ব
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
عن حَضْرَةْ ابى هريرة رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عن النبى صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قال ليس شيئ اكرم على الله من الدعاء
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দুয়া অপেক্ষা কোন জিনিসই অধিক মর্যাদাশীল বা সম্মানিত নয়। ” (তিরমিযী শরীফ ২য় খ- বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ দেখা গেলো, সেই দেশের সাথে তার প্রতিবেশী দেশের যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যখন যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলো তখন ইবলিস সুযোগ খুঁজতে লাগলো। এর মাধ্যম দিয়ে তাকে কব্জা করা যায় কি-না, কাবু করা যায় কি-না। ইবলিস সেই সুযোগ তালাশ করতে করতে ধোঁকা দেয়ার একটা পথ সে পেয়ে গেলো।
তা হলো, সেই আবেদের প্রতিবেশীদের মধ্যে নিকটবর্তী এলাকায় দুই ভাই ছিলো। যাদের এক বোন ছিলো। তাদের অবস্থা স্বচ্ছল ছিলো। তারাও মোটামুটি পরহেজগার ছিলো। ইবলিস গিয়ে তাদেরকে ওয়াস্ওয়াসা দিলো, “তোমরা এক কাজ করো, জিহাদ শুরু হয়ে গেছে, তোমরা জিহাদে অংশগ্রহণ করো। অনেক ফযীলত রয়েছে এর মধ্যে। এতে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ
অর্থ: “আর যদি তোমরা ভয় করো যে, ইয়াতীম মেয়েদের হক্ব যথাযথভাবে পূরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভালো লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। ” (সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ৩)
এবার জানা দরকার ইয়াতীম কাকে বলে, লিসানুল আরব অভিধানে ইয়াতীমের সংজ্ঞায় বর্ণিত আছে-
اليتيم: الذي يموت أبوه حتى يبلغ الحلم، فإذا بلغ زال عنه اسم اليتيم، واليتيمة ما لم تتزوج، فإذا تزوجت زا বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম ব্যক্তিত্ব সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অনেক সময় বলতেন, তিন কারণে মানুষ ধ্বংস হয়- (ক) অহংকার, (খ) লোভ এবং (গ) হিংসা। নাউযুবিল্লাহ!
তিনি বলেন, (ক) অহংকারের কারণে মানুষের দ্বীনি অনুভূতি বিনষ্ট হয়, এ কারণেই ইবলিস অভিশপ্ত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
(খ) লোভ হচ্ছে নফসের দুশমন। যে কারণে ইবলিস পবিত্র জান্নাত থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
(গ) আর হিংসা পাপীদের গোয়েন্দা, এ কারণেই কাবিল সে হযরত হাবিল আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করেছে। বাকি অংশ পড়ুন...












