হযরত নুয়াইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কর্তৃক মুশরিকদের সাথে হিকমত:
এরপর হযরত নুয়াইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি কুরাইশ কাফির মুশরিকদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে (যিনি তখনও ঈমান আনেন নি) ও উনার সাথে অন্যান্য কুরাইশ কাফির-মুশরিকদের নেতৃবৃন্দকে বললেন, তোমাদের সাথে আমার বন্ধুত্ব পূর্ব থেকে তা তোমাদের জানা আছে। আমার সাথে তোমাদের সম্পর্কটাই বড়। আমার কানে একটা সংবাদ পৌঁছেছে, যা একজন শুভাকাঙ্খী হিসাবে তোমাদের জানানো আমি কর্তব্য বলে মনে করছি। তবে শর্ত হলো আমার কথা তোমাদের অব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত হাসসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কর্তৃক কাফির-মুশরিকদের প্রতি নিন্দা:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, কাট্টা কাফির আমর ইবনে আব্দ নিহত হওয়ার পর হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (যিনি তখনও ঈমান আনেননি) পরাজিত হয়ে পিছু হটলেন। তখন তিনি নিজ বর্শাটিও ফেলে যান। এ সম্পর্কে হযরত হাসসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
فَرَّ وَأَلقى لَنا رُمحَهُ - لَعَلَّكَ عِكرِمَ لَم تَفعَلِ
وَوَلَّيتَ تَعدو كَعَدوِ الظَليمِ - ما إِن تَجورُ عَنِ المَعدِلِ
وَلَم تُلقِ ظَهرَكَ مُستَأنِساً - كَأَنَّ قَفاكَ قَفا فُرعُلِ
“তিনি প্রাণ নিয়ে পালালেন, আর বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম কর্তৃক কাট্টা কাফির আমর ইবনে আব্দকে হত্যা:
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার তরবারী মুবারক উনার আঘাতের এতো অধিক কুওওয়াত ছিলো যে, এক আঘাতে কাট্টা কাফির আমরের কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত দুই ভাগ হয়ে গিয়েছিলো। সুবহানাল্লাহ!
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অত্যন্ত উচ্চ আওয়াজ মুবারকে তাকবীর মুবারক দিলেন। সুবহানাল্লাহ! কাট্টা কাফির আমর ইবনে আব্দে উদ্দের নিহত হওয়ার সংবাদ শুনে হযরত ছাহাবায়ে কির বাকি অংশ পড়ুন...
অন্য বর্ণনায় রয়েছে-
إنك كنت تقول لا يدعوني أحد إلى واحدة من ثلاثة إلا قبلتها قال أجل
‘তুমি না বলতে যে, যুদ্ধের ময়দানে যদি কোনো বীর তার প্রতিপক্ষকে তিনটি প্রস্তাব দেয়, তা হলে সেগুলোর যে কোনো একটি তাকে গ্রহণ করতে হবে। সে বললো, হ্যাঁ; অবশ্যই। ’
তখন ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন-
فإني أدعوك أن تشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وتسلم لرب العالمين فقال يابن أخي أخر عني هذه
‘আমি তোমাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোনো মা’বূদ নেই এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম কর্তৃক কাট্টা কাফির আমর ইবনে আব্দকে হত্যা:
এই পরিখা খনন ও তার আশপাশে মুসলিম সেনাদের কড়া প্রহরার ফলে বহু দিন ধরে অবরোধ চালিয়ে যেতে হয়েছিলো সকল কাফির বাহিনীকে। তীব্র শীত শুরু হওয়ায় এবং খাদ্য-দ্রব্য ও রসদ ফুরিয়ে আসায় পরিস্থিতি ক্রমেই কাফিরদের জন্য হতাশাজনক হয়ে পড়ছিলো। তাই কাফির নেতারা যে কোনোভাবে পরিখা অতিক্রম করে মুসলমানদের উপর হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। আর মহাপবিত্র মদীনা শরীফের ভিতর থেকে ইহুদী গোত্র বনু কুরাইজা কাফিরদের জন্য পথ খুলে দেবে ও শহরের ভিতরে আকস্মিক লু বাকি অংশ পড়ুন...
যাঁরা উনার নিকট থেকে হাদীছ শরীফ শুনেছেন এবং উনার ছোহবত পেয়েছেন:
হযরত আইয়ূব রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত শায়বান আন-নাহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইউনুস বিন উবাইদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইবনে আওন রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত হুমাইদ আত-ত্ববীল রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ছাবিত আল-বুনানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত মালিক বিন দীনার রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত হিশাম বিন হাস্সান রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত জারীর বিন হাযিম রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত আর-রাবী’ বিন আছ-ছাবীহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইয়াযীদ বিন ইবরাহীম আত-তুসতরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ম বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
নাম মুবারক: হযরত হাসান রহমতুল্লাহি আলাইহি। পিতা: ইয়াসার। বছরা ও ওয়াসিত-এর মধ্যবর্তী “মায়সান” নামক এলাকার অধিবাসী ছিলেন। সেখান থেকে তিনি বন্দী হিসেবে মদীনা শরীফে আগমন করেন। হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফুফু হযরত আর-রুবাই বিনতুন নদ্বর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাকে ক্রয় করেন, অতঃপর আযাদ করে দেন।
হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত আছে, আমার পিতা-মাতা বনু নাজ্জার গোত্রের এক ব্যক্তির অধীনে ছিলেন। আমার পিতা আনছারদের বনু সালামা গোত্রের এক মহিলাকে বিবাহ করেন। সেই মহিলা উন বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফতকারী ব্যক্তির জন্য তৃতীয় বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফতকারী ব্যক্তি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অনুরূপ নাজাত লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ! কেননা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করেছেন, বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত, বুযূর্গী ও সম্মান মুবারক সম্পর্কে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهٗ اُمَّهٰتُهُمْ.
অর্থ: মহাসম্মানিত ও মহপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের নিকট তাঁদের জানের চেয়েও অধিক বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
يَا مُـحَمَّدُ صَـلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَقْتُ لِاَجْلِكَ
অর্থ: “আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এবং আপনি। আর আপনি ছাড়া যা কিছু রয়েছে, সমস্ত কিছু আমি আপনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্যই সৃষ্টি করেছি।” সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
لَوْلَاكَ مَا خَلَقْتُ الْـجَنَّةَ.
অর্থ: “আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ জন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, মহাসম্মানিত ও উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি তনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ্ অর্থাৎ তৃতীয়’। সুবহানাল্লাহ! তিনি সকলের মাঝে ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালি বাকি অংশ পড়ুন...












