যেখানে ছিলাম ঐখানে মনে হচ্ছে যে নতুন না। ছিলাম, আছি এবং থাকবো। এক সাথেই আছি। সুবহানাল্লাহ! এখন যে যতোটুকু বুঝতে পারে।
ঐ বাড়িটা, অনেক বড় বাড়ি! এরিয়া, অনেক বড় এরিয়া! এখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যাঁরা আছেন উনারা আছেন, উনাদের সাথে আমরাও আছি। বিষয়টা তো এরকম না যে, নতুন আছি। আবার যে সরে যেতে হবে এরকমও না। মনে হয়, ছিলাম, আছি, থাকবো।
এখন আমাদের অনেক লোক, প্রায় সব লোকই যারা আছে অনেককে দেখা গেছে। নাম বলবো না, কারো কথা আমি বলবো না। অনেক লোক আছে। আক্বীদাহ্ শুদ্ধ থাকলে তো কোনো সমস্যা নেই। আক্বীদাহ শ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি স্বপ্নের মধ্যে দেখতেছি, একটা বিরাট বালাখানা, বাড়ি। সামনে অনেক বড় জায়গা। সামনে জায়গার মধ্যে সবুজ ঘাস। ওখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অবস্থান মুবারক করতেছেন বাকি অংশ পড়ুন...
‘সূরা নূর’-এর ৬৩ নম্বর আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাক, সেভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন কর না।”
এ আয়াত শরীফ-এর দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে কঠোরভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষ যেন উনার পেয়ারা হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সেভাবে না ডাকে; যেভাবে মানুষ একে অপরকে ডেকে থাকে। স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...












