ইহুদী যুবাইর ইবনে বাতা কুরাইযী:
এবার যুবাইর বললো, ‘হিজায ভূমিতে একটা পরিবার বাস করবে, আর তাদের কোন সম্পত্তি থাকবে না, তাহলে তারা বাঁচবে কি করে?’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে গিয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘তার সহায়-সম্পত্তি?’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘তাও আপনার।’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
এক ইহুদী মহিলার মৃত্যুদন্ড প্রদান:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حضرت عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ رضى الله تعالى عنه عَنْ سيدتنا حضرت ام المؤمنين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عليها السلام قَالَتْ لَمْ يُقْتَلْ مِنْ نِسَائِهِمْ تَعْنِي بَنِي قُرَيْظَةَ إِلاَّ امْرَأَةً إِنَّهَا لَعِنْدِي تُحَدِّثُ تَضْحَكُ ظَهْرًا وَبَطْنًا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْتُلُ رِجَالَهُمْ بِالسُّيُوفِ إِذْ هَتَفَ هَاتِفٌ بِاسْمِهَا أَيْنَ فُلاَنَةُ قَالَتْ أَنَا قُلْتُ وَمَا شَأْنُكِ قَالَتْ حَدَثٌ أَحْدَثْتُهُ قَالَتْ فَانْطَلَقَ بِهَا فَضُرِبَتْ عُنُقُهَا فَمَا أَنْسَى عَجَبًا مِنْهَا أَنَّهَا تَضْحَكُ ظَهْرًا وَبَطْنًا وَقَدْ عَلِمَتْ أَنَّهَا تُقْتَلُ.
অর্থ: “হযরত উ বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়ছালা মুবারক:
উল্লেখ্য যে, যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারকে ইহুদীদেরকে দলে দলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো, তখন তাদের দলপতি কা’ব ইবনে আসাদকে অন্যান্য ইহুদীরা জিজ্ঞেস করলো, হে কা’ব! আমাদের কি করা হবে বলে তুমি মনে করো? সে বললো, তোমরা কি সব জায়গাতেই বোকা হয়েই থাকবে? তোমরা কি দেখতে পাও না? সম্মানিত নক্বীব অবিরাম ডেকেই যাচ্ছেন? যাকে নেওয়া হচ্ছে, সে আর ফিরছে না। মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! অবশ্যই প্রত্যেককেই মৃত্যুদন্ড বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়ছালা মুবারক:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ইহুদীরা আত্মসমর্পণ করে দুর্গ হতে নেমে আসলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদেরকে মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার নাজ্জার গোত্রের হারিছের কন্যা (তার নাম ছিলো কাইসা। উনার পরবর্তীতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমিন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সাথে শাদী মুবারক অনুষ্ঠিত হয়) উনার বাড়িতে বন্দী করে রাখলেন। এরপর তিনি মহাসম্মানিত মদীনা শরীফের বাজারে গেলেন। সেখানে তি বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়সালা মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ رضي الله تعالى عنه قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ بَنُو قُرَيْظَةَ عَلَى حُكْمِ سَعْدٍ هُوَ ابْنُ مُعَاذٍ بَعَثَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ قَرِيبًا مِنْهُ فَجَاءَ عَلَى حِمَارٍ فَلَمَّا دَنَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ فَجَاءَ فَجَلَسَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ إِنَّ هؤُلاَءِ نَزَلُوا عَلَى حُكْمِكَ قَالَ فَإِنِّي أَحْكُمُ أَنْ تُقْتَلَ الْمُقَاتِلَةُ وَأَنْ تُسْبَى الذُّرِّيَّةُ قَالَ لَ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত খন্দক জিহাদের সর্বশেষ আলোচনা:
হযরত ইবনে সা’দ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এ সম্মানিত জিহাদে কাফির মুশরিকদের মধ্যে তিনজন কাফির মৃত্যুবরণ করে জাহান্নামে চলে যায়। তারা হচ্ছে- নওফল ইবনে আব্দুল্লাহ, আমর ইবনে আব্দুদ দার এবং মুনিয়া ইবনে উবাইদ।
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে ছয়জন ছাহাবী শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনারা হচ্ছেন-
১. হযরত সা‘দ ইবনে মুয়ায রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
২. হযরত আনাস ইবনে আবিস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সাহল রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিকরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হওয়ার পরও তাদের ষড়যন্ত্র ও শত্রুতা:
জীবনী লেখকগণ বলেন, সম্মানিত খন্দক জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তন করার পর একদিন আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (তিনি তখনও ঈমান গ্রহণ করেননি) তিনি কাফির-মুশরিকদের কঠিন ষড়যন্ত্রকারীদের কথায় বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছো যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ যেয়ে ওঁৎ পেতে বসে থাকতে পারবে? এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিশোধ আমাদেরকে নিতেই হবে। নাঊযুবিল্লাহ! তিনিতো হাট-বাজার-রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করেন। বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিকদের লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়ে জিহাদের ময়দান থেকে রাতারাতি পলায়ন:
বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দক জিহাদের সময় আমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে দোয়া মুবারক করার আর্জি জানাই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করার তা’লীম মুবারক দান করেন।
اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِنَا وَاٰمِنْ رَوْعَاتِنَا قَالَ: فَضَرَبَ اللّٰهُ وُجُوهَ أَعْدَائِه بِالرِّيحِ وَهَزَمَ ال বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিকদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর:
হযরত হুযাইফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, তখন শৈত্য প্রবাহ চলছিলো। ঠান্ডার কারণে অনেকে দাঁড়াতে পারছিলেন না। এরপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি উঠে খুব দ্রুত উনার নিকট হাযির হয়ে বললাম, লাব্বাইক ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে হযরত হুযাইফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি গ বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিকদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর:
বনু কুরাইজা ও বনু গাতফান গোত্রের মতানৈক্যের কথা যথাসময়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে পৌঁছে গেলো। তিনি জানতে পারলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে কাফির-মুশরিকদের সম্মিলিত বাহিনীর ঐক্য চূর্ণ করে দিয়েছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত হুযাইফা ইবনে ইয়ামান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে ডাকলেন এবং বললেন, ‘আপনি দেখে আসুন, রাতে তাদের কি ঘটেছে?’
ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আ বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিক ও ইহুদীদের
মাঝে বিভেদ সৃষ্টি:
হিজরী ৬ষ্ঠ সালে ঐতিহাসিক খন্দক জিহাদ সংঘটিত হয়। এই সম্মানিত জিহাদ মুবারকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান মুবারক প্রকাশ পায়। হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (তিনি পরবর্তীতে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন) ও গাতফান গোত্রের নেতৃবৃন্দ বনূ কুরাইজার কাছে হযরত ইকরামা ইবনে আবূ জাহল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে কুরাইশ ও গাতফানের কতিপয় প্রতিনিধিসহ প্রেরণ করে বাকি অংশ পড়ুন...












