পবিত্র তায়াম্মুমের বিধান নাযিল:
তায়াম্মুম (تيمم) শব্দটি আরবী। এর শাব্দিক অর্থ ইচ্ছা করা, মনস্থ করা, সংকল্প করা। এর পারিভাষিক অর্থ হলো- পানি পাওয়া না গেলে বা কোন কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি দ্বারা শরীয়তসম্মত পন্থায় পবিত্রতা অর্জন করাকে তায়াম্মুম বলে। অর্থাৎ মাটি দ্বারা মুখমন্ডল ও উভয় হাত মাসেহ করাকে তায়াম্মুম বলে। (মু’জামুল ওয়াসীত)
পবিত্র তায়াম্মমের বিধান সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ৫৯তম বৎসর মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
কাট্রা কাফির আবূ রাফে’ অর্থাৎ সালাম ইবনে হাকীকের হত্যা:
এ কথা শ্রবণের পর অতিদ্রুত গতিতে আমি সেখান থেকে বেরিয়ে পড়লাম এবং সাথীদের নিকট গিয়ে বললাম, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কাট্টা কাফির আবূ রাফি’র মন্দ কথাবার্তা ও মন্দ কাজের চূড়ান্ত বিনিময় প্রদান করেছেন। কাট্টা কাফির আবূ রাফি’ নিহত হয়েছে। চলুন আমরা এ সুসংবাদ নিয়ে মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
কাট্রা কাফির আবূ রাফে’ অর্থাৎ সালাম ইবনে হাকীকের হত্যা:
এই কাফিলার সকলেই ছিলেন খাযরাজ গোত্রের শাখা বনু সালামাহ গোত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। উনাদের সেনাপতি ছিলেন হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। উনারা সরাসরি খায়বার অভিমুখে গেলেন। কারণ কাট্টা কাফির আবূ রাফি’র দূর্গটি তথায় অবস্থিত ছিলো। যখন উনারা দূর্গের নিকটে গিয়ে পৌঁছলেন তখন সূর্য অস্তমিত হচ্ছিলো। সেখানকার লোকজনেরা তাদের গবাদি পশুর পাল নিয়ে গৃহে প্রত্যাবর্তন করছিলো। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার সাথীদের বললেন, ‘আপনার বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত তাসি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ:
উম্মুল মু’মিনীন হযরত আত তাসি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার প্রথম শাদী মুবারক হয় বনী কুরাইজা গোত্রের হাকামের সাথে। এ সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
كَانَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اَلتَّاسِعَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ رَيْحَانَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ) مُتَزَوِّجَةً رَجُلًا مِنْ بَنِىْ قُرَيْظَةَ يُقَالُ لَهٗ: اَلْحَكَمُ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত তাসি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ:
মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক: যিনি খালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهۤ اُمَّهٰتُهُمْ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের নিকট তাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয় এবং নূরে মুজাস বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদী যুবাইর ইবনে বাতা কুরাইযী:
এবার যুবাইর বললো, ‘হিজায ভূমিতে একটা পরিবার বাস করবে, আর তাদের কোন সম্পত্তি থাকবে না, তাহলে তারা বাঁচবে কি করে?’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে গিয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘তার সহায়-সম্পত্তি?’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘তাও আপনার।’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
এক ইহুদী মহিলার মৃত্যুদন্ড প্রদান:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حضرت عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ رضى الله تعالى عنه عَنْ سيدتنا حضرت ام المؤمنين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عليها السلام قَالَتْ لَمْ يُقْتَلْ مِنْ نِسَائِهِمْ تَعْنِي بَنِي قُرَيْظَةَ إِلاَّ امْرَأَةً إِنَّهَا لَعِنْدِي تُحَدِّثُ تَضْحَكُ ظَهْرًا وَبَطْنًا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْتُلُ رِجَالَهُمْ بِالسُّيُوفِ إِذْ هَتَفَ هَاتِفٌ بِاسْمِهَا أَيْنَ فُلاَنَةُ قَالَتْ أَنَا قُلْتُ وَمَا شَأْنُكِ قَالَتْ حَدَثٌ أَحْدَثْتُهُ قَالَتْ فَانْطَلَقَ بِهَا فَضُرِبَتْ عُنُقُهَا فَمَا أَنْسَى عَجَبًا مِنْهَا أَنَّهَا تَضْحَكُ ظَهْرًا وَبَطْنًا وَقَدْ عَلِمَتْ أَنَّهَا تُقْتَلُ.
অর্থ: “হযরত উ বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়ছালা মুবারক:
উল্লেখ্য যে, যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারকে ইহুদীদেরকে দলে দলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো, তখন তাদের দলপতি কা’ব ইবনে আসাদকে অন্যান্য ইহুদীরা জিজ্ঞেস করলো, হে কা’ব! আমাদের কি করা হবে বলে তুমি মনে করো? সে বললো, তোমরা কি সব জায়গাতেই বোকা হয়েই থাকবে? তোমরা কি দেখতে পাও না? সম্মানিত নক্বীব অবিরাম ডেকেই যাচ্ছেন? যাকে নেওয়া হচ্ছে, সে আর ফিরছে না। মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! অবশ্যই প্রত্যেককেই মৃত্যুদন্ড বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়ছালা মুবারক:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ইহুদীরা আত্মসমর্পণ করে দুর্গ হতে নেমে আসলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদেরকে মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার নাজ্জার গোত্রের হারিছের কন্যা (তার নাম ছিলো কাইসা। উনার পরবর্তীতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমিন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সাথে শাদী মুবারক অনুষ্ঠিত হয়) উনার বাড়িতে বন্দী করে রাখলেন। এরপর তিনি মহাসম্মানিত মদীনা শরীফের বাজারে গেলেন। সেখানে তি বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়সালা মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ رضي الله تعالى عنه قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ بَنُو قُرَيْظَةَ عَلَى حُكْمِ سَعْدٍ هُوَ ابْنُ مُعَاذٍ بَعَثَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ قَرِيبًا مِنْهُ فَجَاءَ عَلَى حِمَارٍ فَلَمَّا دَنَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ فَجَاءَ فَجَلَسَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ إِنَّ هؤُلاَءِ نَزَلُوا عَلَى حُكْمِكَ قَالَ فَإِنِّي أَحْكُمُ أَنْ تُقْتَلَ الْمُقَاتِلَةُ وَأَنْ تُسْبَى الذُّرِّيَّةُ قَالَ لَ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত খন্দক জিহাদের সর্বশেষ আলোচনা:
হযরত ইবনে সা’দ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এ সম্মানিত জিহাদে কাফির মুশরিকদের মধ্যে তিনজন কাফির মৃত্যুবরণ করে জাহান্নামে চলে যায়। তারা হচ্ছে- নওফল ইবনে আব্দুল্লাহ, আমর ইবনে আব্দুদ দার এবং মুনিয়া ইবনে উবাইদ।
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে ছয়জন ছাহাবী শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনারা হচ্ছেন-
১. হযরত সা‘দ ইবনে মুয়ায রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
২. হযরত আনাস ইবনে আবিস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সাহল রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিকরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হওয়ার পরও তাদের ষড়যন্ত্র ও শত্রুতা:
জীবনী লেখকগণ বলেন, সম্মানিত খন্দক জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তন করার পর একদিন আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (তিনি তখনও ঈমান গ্রহণ করেননি) তিনি কাফির-মুশরিকদের কঠিন ষড়যন্ত্রকারীদের কথায় বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছো যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ যেয়ে ওঁৎ পেতে বসে থাকতে পারবে? এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিশোধ আমাদেরকে নিতেই হবে। নাঊযুবিল্লাহ! তিনিতো হাট-বাজার-রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করেন। বাকি অংশ পড়ুন...












