পরিচিতি:
নাম মুবারক: হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি।
পিতার নাম: ‘আমির বিন জায্।
ইয়ামান দেশের মুরাদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত আল-ক্বারান উপগোত্রে উনার বিলাদত শরীফ। সে জন্যই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে। (তাবাকাত)
কেউ কেউ মনে করে থাকেন, তিনি ক্বারান নামক স্থানের লোক বিধায় উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়, তা ঠিক নয়। গোত্রের নাম অনুসারেই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে, যা উনার নসবনামা থেকে স্পষ্ট।
প্রাথমিক জীবন:
উনার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী আজমেরী সানজেরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “আনিসুল আরওয়াহ্” নামক বিশ্ববিখ্যাত কিতাবের ৮ম মজলিসের মধ্যে চামড়ার খয়েরী রঙের দস্তরখানায় আহার করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক উল্লেখ করেছেন। নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো-
১. দস্তরখানায় খাবার খেলে প্রতি লোকমার ফযীলত মুবারক: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি খয়েরী রঙের চামড়ার দস্তরখানায় এক লোকমা খাবার খাবে, তার প্রতিটি লোকমার প্রতিদানে তাকে ১০০টি করে ছওয়াব দেয়া হবে। সুবহানাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
একবার কিছু লোক কোথাও থেকে অনেক ছাগল লুট করে কূফায় নিয়ে এলো এবং সেগুলোকে কূফার বাজারে বিক্রি করে দিল। তখন লুটের ছাগলগুলো কূফার অন্য সব ছাগলের সঙ্গে মিশে গেল। তাই লুটের ছাগল আলাদা করে চেনার কোনো উপায় ছিল না। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি এ ঘটনা জানতে পেরে লোকদের জিজ্ঞেস করলেন, একটি ছাগল সর্বোচ্চ কত বছর জীবিত থাকতে পারে?
লোকেরা বলল, সর্বোচ্চ সাত বছর।
এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কূফায় অবস্থানকালে সাত বছর পর্যন্ত ছাগলের কোনো গোশত খেলেন না। কারণ, উনার কাছে লু বাকি অংশ পড়ুন...












