আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া ও নেভাদায় ৩০৫ কিলোমিটার বেগে ভয়াবহ তুষারঝড় আঘাত হেনেছে। এতে সেখানের প্রধান প্রধান রাস্তা, রিসোর্টগুলো বন্ধ হয়ে গেছে এবং কমপক্ষে ৫৭ হাজার মানুষ বিদ্যুৎ পরিষেবার বাইরে রয়েছে। খবর বিবিসির।
গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, পাহাড়ি সিয়েরা নেভাদা অঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী তুষারঝড়টি ভয়াবহভাবে আঘাত হেনেছে। ঝড়ের সময় এখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০৫ কিলোমিটারে (ঘণ্টায় ১৯০ মাইল) পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
বৃহত্তর লেক তাহো এলাকাসহ সেখানে ‘উচ্চ থেকে চরম পর্যায়ে তুষারপাতের বিপদ’ সম বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়ায় চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। সে সময় একজন অজানা ব্যক্তি বেনগাজিতে এসে বসতি স্থাপন করে। তার নাম “আবু হাফস”।
সে কুরআনে হাফেজ, হাজার হাজার হাদীছ শরীফ মুখস্ত জানা এবং সুন্দর আরবী উচ্চারণের মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে ধার্মিকতার খ্যাতি অর্জন করে। গাদ্দাফি-পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিবেশে সে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে ভালো ও মিষ্টি কথা বলে, সাথে পরোপকারী আচরণ।
পরে সে বেনগাজির একটি বড় মসজিদের ইমাম ও খতীব হয়, এমনকি মুফতী হিসেবেও ফতোয়া দিতে শুরু করে। ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিষয়ে সে কুর বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম হযরত আবু বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৩৭০ হিজরী) তিনি বলেন-
روي نصف صاع من بر عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر عليه السلام وعمر عليه السلام وعثمان عليه السلام وعلي عليه السلام وابن مسعود رضى الله تعالى عنه وجابر رضى الله تعالى عنه وام المؤمنين عائشة عليها السلام وابن الزبير رضى الله تعالى عنه وأبي هريرة رضى الله تعالى عنه وأسماء بنت أبي بكر رضى الله تعالى عنها وقيس بن سعد رضي الله تعالى عنه أجمعين، وعامة التابعين، ولم يرو عن أحد من الصاحابة بأنه لا بجزئ نصف صاع من بر.
অর্থ: আধা সা’ গম সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, ছিদ্দী বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يُوَلِّهِمْ يَوْمَئِذٍ دُبُرَهُ إِلَّا مُتَحَرِّفًا لِقِتَالٍ أَوْ مُتَحَيِّزًا إِلَى فِئَةٍ فَقَدْ بَاءَ بِغَضَبٍ مِنَ اللَّهِ وَمَأْوَاهُ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
অর্থ: “আর যে লোক সেদিন (সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার ময়দানে) তাদের (কাফিরদের) থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, অবশ্য যিনি সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার কৌশল পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে অথবা নিজ সৈন্যদের নিকট আশ্রয় নিতে আসবেন, তিনি ব্যতীত অন্যরা মহান আল্লাহ পাক উনার গযবে পতিত হবে। আর তার ঠিকানা হলো জাহান্নাম। প্রকৃতপক্ষে সেটা হলো অত্যন্ত নিকৃষ্ট অবস্থানস্থল।” নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
এতে অবশিষ্ট তৃতীয়াংশ পড়ে গেলো। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে আসলেন, এবং উনার মহাপবিত্র চাদরখানা নিয়ে বসে পড়লেন। হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া সাইয়্যিদুল মুরসালীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন। আপনি যখন আঘাত করছিলেন, আমি আপনার প্রতি লক্ষ্য করছিলাম, দেখলাম আপনি যখনই তাতে আঘাত করছিলে বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
উল্লেখিত আলোচনা থেকে اَنْزَلَ ও نَزَّلَ শব্দদ্বয় উনাদের পার্থক্য স্পষ্টভাইে বুঝা গেলো।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে কখন থেকে পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হওয়া শুরু হয়েছে?
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-
بَعَثَهُ اللهُ تَعَالٰى عَلٰى رَأْسِ أَرْبَعِيْنَ سَنَةً
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উ বাকি অংশ পড়ুন...
যখন তিনি বললেন-
فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهٖ
তিনি কিছু বললেন আর কিছু বললেন না। বাতিল ফিরক্বা যারা তাদের অন্তরে গালিজ, তারা বলে থাকে তিনি কিছু প্রকাশ করলেন, কিছু চুপিয়ে রাখলেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তিনিতো ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যতটুকু বলার জন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন ঠিক ততটুকুই তিনি বলেছেন। এছাড়া আর যা বলেছেন, এখন আর তা বলার প্রয়োজন নেই, তাই তিনি সেটা বলেননি। এ কথাটা আমি আগেও বলেছি, সবসময় আমরা বলে থাকি। সৃষ্টির শুরু থেকে সমস্ত ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। পবিত্র কুরআন বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ উছমান মাযানী নাহবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি-
اَللَّهُ أَعْدَلُ مِنْ أَنْ يُكَلِّفَ الْعِبَادَ مَا لَا يُطِيقُونَ،ৃ
وَهُمْ أَعْجَزُ مِنْ أَنْ يَفْعَلُوا مَا يُرِيدُونَ.
অর্থ: “যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদের থেকে তাদের সাধ্যের অধিক আনুগত্য করা হতে অনেক বেশি ন্যায়পরায়ণ। আর বান্দারা যা ইচ্ছা করে, তা করার ব্যাপারে অতি অক্ষম।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ ১০/২৭৩)
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি র বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে বললেন, আয় বারে এলাহী! আপনি আমাকে দীদার দিন, আমি আপনাকে দেখতে চাই। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনি কখনই আমাকে দেখতে পারবেন না। বরং আপনি পাহাড়ের দিকে তাকান। যখন তাজাল্লা যাহির করবো, পাহাড়টা যদি তার স্বস্থানে স্থির থাকে, তাহলে আপনি আমাকে দেখতে পাবেন। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন পাহাড়ের উপর তাজাল্লা নিক্ষেপ করলেন, পাহাড়টা টুকরো টুকরো হয়ে গেলো এবং হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেলেন।
এ প্রসঙ্গে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাকি অংশ পড়ুন...
২৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অশ্রু মুবারক نُوْرُ الْـمَحَبَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুহব্বত মুবারক
২৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চুল মুবারক نُوْرُ الْفَتْحِ مُبَارَكٌ নূরুল ফাত্হ মুবারক
৩০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাড়ি মুবারক نُوْرُ النِّعْمَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নি‘য়ামত মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে কানে ওষুধ গেলে কখনো রোযা ভাঙ্গবে, আবার কখনো ভাঙ্গবে না। কানে পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না, কিন্তু তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে এ ব্যাপারে ইজমা হয়ে গেছে। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, পানিবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে না কিন্তু তেলবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে। পানিবাহিত ওষুধে রোযা না ভাঙ্গার মূল কারণ ওষুধে পানির উপস্থিতি এবং তেলবাহিত ওষুধে রোযা ভাঙ্গার কারণ ওষুধে তেলের উপস্থিতি। মূলতঃ সকলেই একমত যে, কানে তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে, পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না। মগজ অথবা পেটে প্রবেশ করুক আর না করুক, এটার উপরই ফতওয়া। যেম বাকি অংশ পড়ুন...












