পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার হাত ধরে বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইয়াওমুস সাবত পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল আহাদ পর্বত সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল ইছনাইন গাছ সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীয়ত কর্তৃক নিষিদ্ধ বিষয়গুলো সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল আরবিয়া আলো সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল খমীস সব ধরনের প্রাণী সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল জুমু‘আ আছরের পর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সর বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই হচ্ছে إِحْسَانًا ইহসানের অনেক অর্থ। একটা সন্তানের যত প্রকার শরাফত আছে, ভদ্রতা আছে, সাধ্য সামর্থ, সচ্ছলতা, আক্বল-বুদ্ধি, ইলিম-কালাম, ছমঝ সব দিয়ে পিতা-মাতা উনাদের প্রতি ইহসান, খিদমত করতে হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا
যদি উনাদের মধ্যে দু’জন অথবা দু’জনের একজন বৃদ্ধ অথবা বৃদ্ধা বয়সে পৌঁছে যান
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
তাহলে কি করতে হবে? কখনও তাদের কোন কাজে উহ্ বল না। এটা দুই দিকে। উফ্ বলবে না, ধমক দিও না। আবার এমন কাজ করো না যে, তোমাদের পিতা-মাত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওয়ারিছ। যার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَلَوْلَآ اِذْ سَـمِعْتُمُوْهُ قُـلْتُمْ مَّا يَكُوْنُ لَـنَآ اَنْ نَّــتَكَلَّمَ بِـهٰـذَا سُبْحٰنَكَ هٰذَا بُـهْتَانٌ عَظِـيْمٌ
“তোমরা যখন (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ এলোমেলো) এ কথা শুনলে, তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে আমাদের কোনো কথা বলার অধিকার নেই। তিনি (অর্থাৎ উনারা) অত্যন্ত পবিত্রতম। মহান আল্লাহ পাক তিনিও পব বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গলা মুবারক نُوْرُ النَّزَاهَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নাযাহাহ্ মুবারক
৩৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোল মুবারক نُوْرُالْاَزْهَرِ مُبَارَكٌ নূরুল আযহার মুবারক
৩৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লিবাস মুবারক نُوْرُ التَّقْوٰى مُبَارَكٌ নূরুত তাক্বওয়া মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
৫) শাহওয়াতের উল্লেখিত মাপকাঠি স্পর্শ করার সময়ই থাকতে হবে। কাজেই, যদি স্পর্শ করার সময় শাহওয়াত উল্লেখিত মাত্রায় না হয়, বরং হাত সরিয়ে নেয়ার পর শাহওয়াতের ঐ মাত্রা পাওয়া যায় তাহলে তা দ্বারা বর্ণিত হারাম সাব্যস্ত হবে না।
৬) স্ত্রীর এ জাতীয় ঘটনায় স্বামীর নিকট স্ত্রীর শাহওয়াতের দাবি সত্য বলে মনে হওয়া। কাজেই, যদি স্বামীর নিকট সেই দাবি মিথ্যা বলে মনে হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে হারাম সাব্যস্ত হবে না। কেননা, স্বামীর সাথে দুশমনী বা মনোমালিন্য হওয়ার কারণে স্ত্রী এরূপ মিথ্যা দাবি করতে পারে, যেন তার উপর তার স্ত্রী হারাম সাব্যস্ত হয়।
উল্লেখ্য যে, যে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهَ اللهَ فِى أَصْحَابِى اللهَ اللهَ فِى أَصْحَابِى لاَ تَتَّخِذُوهُمْ غَرَضًا بَعْدِى فَمَنْ أَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّى أَحَبَّهُمْ وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِى أَبْغَضَهُمْ وَمَنْ آذَاهُمْ فَقَدْ آذَانِى وَمَنْ آذَانِى فَقَدْ آذَى اللهَ وَمَنْ آذَى اللهَ فَيُوشِكُ أَنْ يَأْخُذَهُ
অর্থ: আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। আমার বিছাল শরীফ উনার পরে উনাদেরকে তোমরা তিরস্কারের ল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَـجْعَلُوْا دُعَآءَ الرَّسُوْلِ بَيْنَكُمْ كَدُعَآءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ: তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাকো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করো না। (পবিত্র সূরা নূর: আয়াত শরীফ ৬৩)
বাকি অংশ পড়ুন...












