ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ¦লক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩২
, ২১ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَلَوْلَآ اِذْ سَـمِعْتُمُوْهُ قُـلْتُمْ مَّا يَكُوْنُ لَـنَآ اَنْ نَّــتَكَلَّمَ بِـهٰـذَا سُبْحٰنَكَ هٰذَا بُـهْتَانٌ عَظِـيْمٌ
“তোমরা যখন (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ এলোমেলো) এ কথা শুনলে, তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে আমাদের কোনো কথা বলার অধিকার নেই। তিনি (অর্থাৎ উনারা) অত্যন্ত পবিত্রতম। মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র থেকে পবিত্রতম। এটা একটা কঠিন অপবাদ।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নূর শরীফ: ১৬)
মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে সমস্ত সৃষ্টির উপর এটা ফরয করে দিয়েছেন যে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ কোনো কথা যখনই যারা শুনবে বা পড়বে, তখনই সাথে সাথে তাদেরকে বলতে হবে, ‘এ বিষয়ে আমাদের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অত্যন্ত পবিত্রতম। এগুলো সব কঠিন অপবাদ। যারাই বলেছে, লিখেছে বা বর্ণনা করেছে, তারা মিথ্যা বলেছে, মিথ্যা লিখেছে, মিথ্যা বর্ণনা করেছে। উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ কথা বলার বা লিখার কোনো অধিকার সৃষ্টির কারো নেই।
ছিক্বাহ্ রাবী উম্মত। এখন হয়তো সত্যবাদী মোটামোটি। সে কতটুকু বড় ওলীআল্লাহ? তার রূহানিয়াত কী আছে? এটা দেখতে হবে। তার রূহানিয়াত যদি না থাকে, তাহলে সে নিজেও বুঝেনি। সে গদ মুখস্থ করেছে, গদ আওড়িয়েছে। তোতা পাখি। এই তোতা পাখি দিয়ে কাজ হবে না। এ জন্যই তারা এই মওযূ হাদীছগুলি বর্ণনা করেছে। শুধু ছিক্বাহ্ রাবী হলেই হবে? ছিক্বাহ্ রাবী আবার কিসের? সে তো উম্মত। তার রূহানিয়াত কতটুকু? সে কতটুকু ওলীআল্লাহ হয়েছে? ওটা দেখতে হবে। তারপর তার ফয়ছালা। ছিক্বাহ্ রাবী বললেই বাছ; সিজদাহ্ দিয়ে দিলো! এখন ইবনে ইসহাক্ব ইহুদীকেও ছিক্বাহ্ রাবী বলেছে। যেমন- কিতাবে এসেছে,
قَالَ حَضْرَتْ اَبُوْ دَاوٗدَ اَلطَّيَالِسِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ حَدَّثَنِىْ بَعْضُ اَصْحَابِنَا قَالَ سَمِعْتُ اِبْنَ اِسْحَاقَ يَقُوْلُ حَدَّثَنِىْ اَلثِّقَةُ فَقِيْلَ لَهٗ مَنْ قَالَ يَعْقُوْبَ الْيَهُوْدِىَّ
“হযরত ইমাম আবূ দাঊদ ত্বয়ালিসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার নিকট আমাদের একজন সাথী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি ইবনে ইসহাক্বকে বলতে শুনেছি-
حَدَّثَنِىْ اَلثِّقَةُ فَقِيْلَ لَهٗ مَنْ قَالَ يَعْقُوْبَ الْيَهُوْدِىَّ
‘আমার নিকট একজন ছিক্বাহ্ রাবী বর্ণনা করেছেন।’ তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো- ‘সেই ছিক্বাহ্ রাবী কে?’ সে বললো, ‘ইহুদী ইয়াকূব’।” (আবূ যুর‘আহ্ রাযী ২/৫৮৯, মীযানুল ই’তিদাল ৩/৪৭০)
এটার ফয়ছালা কী? হ্যাঁ? ইহুদী ছিক্বাহ্ রাবী হয় কি করে? যার ঈমানই নেই, সে ছিক্বাহ্ রাবী হয় কি করে?
হযরত রূহুল আমীন বশীরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি উনার কিতাবে লিখেছেন, ‘ছহীহ্ বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফের রাবীদের মধ্যে ২০ জন মরজিয়া, ২৩ জন ক্বদ্রিয়্যাহ্, ২৮ জন শিয়া, ৪ জন রাফেযী, ৯ জন খারেজী, ৭ জন নাছেবী ও ১ জন জাহ্মিয়া ছিলো।’ (ছায়িক্বাতুল মুসলিমীন ১৫৯ নং পৃষ্ঠা)
এটার ফয়ছালা কী? বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোকেরা ছিক্বাহ্ রাবী হয় কি করে?
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اِنَّ بَـنِـىْ اِسْرَائِـيْلَ تَـفَرَّقَتْ عَلـٰى ثِـنْـتَـيْـنِ وَسَبْعِيْـنَ مِلَّةً وَتَـفْتَـرِقُ اُمَّتِـىْ عَلـٰى ثَلاَثٍ وَّسَبْعِيْـنَ مِلَّةً كُلُّهُمْ فِـى النَّارِ اِلاَّ مِلَّةً وَّاحِدَةً قَالُوْا وَمَنْ هِىَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا اَنَا عَلَيْهِ وَاَصْحَابِـىْ
“নিশ্চয়ই বনী ইসরাঈলরা ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আর আমার উম্মতরা ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। এদের মধ্যে ৭২টি দলই জাহান্নামী। আর একটি মাত্র দল জান্নাতী। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা বললেন- ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটি কোন্ দল? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আমি এবং আমার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা যার উপর আছি অর্থাৎ আমি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনাদেরকে যে আক্বীদাহ্ ও আমল মুবারক শিক্ষা দিয়েছি, সেই আক্বীদাহ্ ও আমল মুবারক উনাদের উপর যাঁরা থাকবেন, উনারাই হলেন জান্নাতী দল।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
তাহলে বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোক, জাহান্নামী লোক, তারা ছিক্বাহ্ রাবী হয় কি করে?
তারা যে ছিক্বাহ্ রাবীর উছূল নির্ধারণ করেছে, তাদের এই উছূলেও ভুল আছে। যাদের ঈমান ও আক্বীদাহ্ ঠিক নেই, তারা কস্মিনকালেও ছিক্বাহ্ রাবী হতে পারে না। মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের প্রতি যাদের আক্বীদাহ্ ঠিক নেই, যারা বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোক, জাহান্নামী লোক, তারা যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ মওযূ হাদীছ বর্ণনা করবে, এটাই স্বাভাবিক। কাজেই, তারা কখনও ছিক্বাহ্ রাবী হতে পারে না।
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৫১)
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৭
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৬
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৫
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১৫)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৪
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












