পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত কায়িনাত একমাত্র যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, যিনি খ¦তামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থেই সর্বপ্রকার নিয়ামত মুবারক পেয়েছে, পাচ্ছে এবং অনন্তকাল ধরে পেতেই থাকবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সেই অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
قَالَ حَضْرَتْ اَبُوْ جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِـىٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ اَجْلَسَنِـىْ جَدِّىَ الْـحُسَيْنُ بْنُ عَلِـىٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ فِـىْ حِجْرِهٖ وَقَالَ لِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْرِئُكَ السَّلَامُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, একদা (আমি স্বপ্ন মুবারক-এ দেখলাম) আমার মহাসম্মানিত দাদাজান সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উনার মহাসম্মানিত ও বাকি অংশ পড়ুন...
(১) সম্মানিত দ্বীন ইসলাম।
(২) সম্মানিত হিজরত।
(৩) সম্মানিত হজ্জ।
বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৩)
(يَا اَيُّهَا الذين امَنُواْ) عثمان بن طلحة واصحابه (اَطِيعُوا الله) فيما امركم (وَاَطِيعُوا الرسول) فيما يأمركم (وَاُولِي الامر مِنْكُمْ) امراء السرايا ويقال العلماء.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ!) হযরত উছমান বিন ত্বলহাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী-সাথী উনারা (তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর-আদেশদাতা উনাদের অনুসরণ করো।) উনারা হলেন জিহাদ বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত কি-না?
তাছাড়া হযরত মুহম্মদ ইবনে ইউসুফ ছালেহী শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্ববিখ্যাত সীরাতগ্রন্থ ‘সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ’ উনার মধ্যে উপরোক্ত হাদীছ শরীফখানা উল্লেখ করেছেন। আর সেই বাবের নাম দিয়েছেন-
فيما أكله صلى الله عليه وسلم من لحوم الحيوانات
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সমস্ত প্রাণীর গোশত খেয়েছেন। (সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ ৭/১৮৬)
এখান থেকেও প্রমাণিত হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গরুর গোশত খেয়েছেন।
নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বোরকা কেমন হওয়া উচিত?
জাওয়াব:
বোরকা কালো হওয়াই উচিৎ। কারণ বোরকা পরিধান করা হয়ে থাকে বেগানা বা পরপুরুষের সাথে পর্দা রক্ষা করার জন্য এবং পরপুরুষের নিকট যাতে সৌন্দর্য প্রকাশিত না হয় সেজন্য। কালো ব্যতীত অন্য রংয়ের কাপড় পরিধানে সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়, সেজন্য শুধুমাত্র কালো রঙের বোরকা পরিধান করাই আবশ্যক।
সুওয়াল:
পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করা কতটুকু ঠিক?
জাওয়াব:
যেসব পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করলে শরীর দেখা যায় তা পরিধান করা জায়িয নেই। এমন ধরনের পোশাক পরিধান করা উচিৎ যেন শরীর দেখা না যায়। কারণ পোশাক পরিধানের উদ্দেশ্যই হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: “হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা ক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)
মূলত, ক্বমীছ বা জামা ও ইযার বা লুঙ্গি সমান সমান হতে পারে আবার বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সুহাইল ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! তাহলে আমি আপনাদের সঙ্গে আর কখনো সন্ধি করবো না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, কেবল এ লোকটিকে আমার কাছে থাকার অনুমতি দাও। তিনি বললেন, না। এ অনুমতি আমি দেবো না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি এটা করো। তিনি বললেন, আমি তা করবো না। পাশ থেকে কুরাইশদের মিকরায বললো, আমরা উনাকে আপনার কাছে থাকার অনুমতি দিলাম।
এদিকে হযরত আবূ জানদাল ইবনু সুহাইল ইবনু আমর বাকি অংশ পড়ুন...












