বহু সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য ইমাম মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ তারীখ উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(৮) হাফিয মুহম্মদ ইবনে ইঊসুফ ছালিহী শামী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ : ৯৪২ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ পাঠকের উপর রহম করুন! যিনি পাঠ করেছেন,
يا مولد المختار أنت ربيعنا * * بك راحة الأرواح والأجساد
يا مولدا فاق الموالد كلها * * شرفا وساد بسيد الأسياد
لا زال نورك في البرية سا বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে আয়োজিত মাহফিল মুবারক-এ খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার জন্য সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক:
বিশিষ্ট বুযূর্গ, মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবূব ওলী, আরিফ বিল্লাহ হযরত শায়েখ ঈসা ইবনে হাসান ইবনে বাকরী ইবনে আহমদ বায়ানূনী শাফিয়ী নকশাবন্দী মুহম্মদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১২৯০ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ১৩৬২ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
وكُنتُ مُعتاداً أَنْ أَجمعَ النَّاسَ على قراءةِ المَولِد في بيتي ليلة الثاني عَشَرَ مِنْ ربيع الأَوَّل বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকৃত নাম ছিলো সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাহলা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। কিন্তু সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা নামে মশহুর। ইতিহাসে এ নামেই সবাই উনার পরিচিতি লাভ করেছেন। উনার পিতার নাম মিলহান। তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রসিদ্ধ বনু নাজ্জার গোত্রের মেয়ে ছিলেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খালা হওয়ার অনন্য মহাসম্মানিত গৌরব অর্জন করেন। তিনি প্রথমে মালেক ইবনে নাজ্জারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হিজরী তৃতীয় বৎসরে সংঘটিত হয় সম্মানিত গাতফানের জিহাদ। এই সম্মানিত জিহাদকে আনমারের জিহাদ বা যী- আমরের জিহাদও বলা হয়। স্থানটি ছিলো নজদের অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (তথা মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) এ জিহাদ সংঘটিত হয়েছিল। অন্য বর্ণনায় ৩য় হিজরী পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গাতফান গোত্রকে তা’লীম দেয়ার উদ্দেশ্যে নজদের পথে বের হন। এই সম্মানিত জিহাদ উনার কারণ ছিলো, সংবাদ প্রচারিত হয়ে গেলো যে, বানী ছা’লাবা এবং বানী মুহারি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আউশের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ৫৭ কোটি ২৫ লাখ টাকার প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশের ১০ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাচ্ছেন।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহম্মদ কামরুল ইসলাম ভূইয়া সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, উচ্চফলনশীল আউশ ধানের উৎপাদন বাড়াতে এ প্রণোদনার আওতায় একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাচ্ছেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, মৌলভীবাজার ও চুয়াডাঙ্গা জেলার উপর দিয়ে হালকা শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাবে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ী আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
আগামী তিনদিনে রাতের তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ বিহা বাকি অংশ পড়ুন...
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা:
সয়াবিন উৎপাদনের জন্য লক্ষ্মীপুর জেলা সবার কাছে সয়াল্যান্ড হিসেবে পরিচিত। দেশে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ শতাংশ চাষাবাদ হয় এ জেলাতে। বিশেষ করে জেলার কমলনগর এবং রামগতি উপজেলাতে সবচেয়ে বেশি সয়াবিনের আবাদ হয়।
চলতি মৌসুমেও লক্ষ্মীপুরে শুরু হয়েছে সয়াবিনের আবাদ। জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই কৃষকরা তাদের জমিতে সয়াবিনের বীজ রোপণ করতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে অনেক এলাকার জমিতে দেখা মিলতে শুরু করেছে সয়াবিনের কচি গাছ। কৃষকরা সেগুলো পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বর্তমানে।
এদিকে সয়াবিন চাষিদের যে কোনো প্রয়োজনে স বাকি অংশ পড়ুন...
সিসি ক্যামেরা বা সিসিটিভি মসজিদে নামায আদায়ের আহকাম
সিসি ক্যামেরা বা সিসিটিভি মসজিদে মুছল্লীদের ছবি উঠানো হয় বা তোলা হয়। সম্মানিত শরীয়ত তথা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মানুষ কিংবা কোন প্রাণীর ছবি তোলা বা উঠানো হারাম এবং জাহান্নামী হওয়ার কারণ। নাঊযুবিল্লাহ!
কাজেই যেসব মসজিদে সিসি ক্যামেরা বা সিসিটিভির সাহায্যে মুছল্লীদের ছবি উঠানো হয় সেসব মসজিদে নামায পড়া তো পরের বিষয় বরং সেখানে যাওয়াই জায়িয নেই, কাট্টা হারাম।
অসুস্থ ব্যক্তির নামায উনার হুকুম
কোনো ব্যক্তি অসুস্থতার কারণে বা রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কায় উযূ করতে না পারলে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি
উনার সমগ্র জীবনের সাহিত্যকর্ম
হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সমগ্র জীবনের সাহিত্যকর্মকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়-
১. দিওয়ান রচনা : কবিতাসমগ্র যেমন তুহফাত-উস-সিগার, ওয়াসতুল হায়াত ইত্যাদি।
২. ঐতিহাসিক রচনা : যেমন মিফতা-উল-ফাতহ। বাদশাহ জালালুদ্দিন খিলজীর চারটি বিজয় অভিযানের উপর রচিত।
৩. গদ্য রচনা : আফজালুল ফায়িয হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি উনার কর্তৃক দেয়া তালিমের উপর রচিত।
৪. রোমান্টিক রচনা : হাশত-বেহেশত, শিরিন ওয়া খসরু, মজনু ওয়া লাইলী ইত্যাদি।
উনার রচিত কিতাব সংখ্যা অনেক। এখান বাকি অংশ পড়ুন...
১৯১
মুসলমান সব সময়ই প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। দুনিয়াবী দৃষ্টিতে মানুষ মনে করতেছিল যে মুসলমান উনারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। এরপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ যখন বিজয় হলো তখন বিষয়টা আরো জাহির হলো। যখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা করার কোন সুযোগ ছিল না তখন তিনি উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করলেন। এরপরেই বিষয়গুলি সংঘটিত হয়। এর মধ্যে অনেক এলোমেলো বক্তব্য রয়ে গেছে, চূ-চেরা কিল ও কাল রয়ে গেছে যা কুফরী শিরকীতে পরিপূর্ণ। নাউযুবিল্লাহ! এরপর হচ্ছে, আগে আমি একটা বর্ণনা করেছিলাম, এটা আরেকটি বর্ণনা। সেটা হচ্ছে পবিত্র সূরা তাহরীম বাকি অংশ পড়ুন...
ঝরনার সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। ছোট হোক বা বড়, ঝরনার পানি নিচের দিকে গড়িয়ে পড়ার দৃশ্য ও পানির কলকল ধ্বনি সবাইকে মানসিকভাবে প্রশান্তি দেয়। তবে সব সময়ই কি ঝরনার পানি গড়িয়ে নিচের দিকেই পড়ে? জানলে অবাক হবে, এর উল্টোটিও কিন্তু ঘটে। ভারতের মহারাষ্ট্রের পুণেতে নাণেঘাট পর্বতমালায় আছে তেমনই এক পানিপ্রপাত বা ঝরনা। এই ঝরনার পানি বয়ে যায় উল্টো দিকে। পুণে থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার ও মুম্বাই থেকে ১৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নাণেঘাট। বিষ্ময়াভিভূত এই জিনিসটি দেখে অনেকেই অবাক হন।
বাকি অংশ পড়ুন...
চা পছন্দ করে না এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। চায়ের সঙ্গে যদি দুই-একটি এলাচ মিশিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে এর উপকারিতা বাড়বে অনেকটাই। লিকার চা তৈরির সময় তাতে এলাচ দানা মিশিয়ে দিতে হবে। ছোট্ট এই মসলা স্বাস্থ্যের জন্য নানাভাবে উপকার করবে। সেইসঙ্গে চায়ের স্বাদও বাড়বে। জানুন এলাচ মেশানো চা খাওয়ার উপকারিতা-
হজম ক্ষমতা বাড়ায়:
হজম ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী হলো এলাচ চা। একটু ভারী খাবার খাওয়া হলে তারপর এলাচ চা খেয়ে দেখতে পারেন। এতে হজমের সমস্যায় ভুগতে হবে না। এলাচের গুণে ‘গ্যাসট্রিক’ অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে হজম ক্ষমতা তো কমেই, সেইসঙ্ বাকি অংশ পড়ুন...












