যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বিশেষ করে পর্দার যে বিষয়টা।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُّؤْذَنَ لَكُمْ إِلٰى طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلٰكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ
পর্দার জন্য মোট সরাসরি সাতখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ তিনি। তারমধ্যে তিনখানা হচ্ছেন পবিত্র সূরা নূর শরীফে, চারখানা পবিত্র সূরা আহযাব শরীফে। এসব পর্দার মূল পবিত্র আয়াত শরীফ। এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার শানে নুযূলে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىِّ بْنِ اَبِـىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تُـحْشَرُ ابْنَتِـىْ حَضْرَتْ فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَمَعَهَا ثِـيَابٌ مَّصْبُوغَةٌ ۢبِدَمٍ فَتَتَعَلَّقُ بِقَائِمَةٍ مِّنْ قَوَائِمِ الْعَرْشِ فَتَقُوْلُ يَا عَدْلُ احْكُمْ بَـيْـنِـىْ وَبَيْنَ قَاتِلِ وَلَدِىْ فَيُحْكَمُ لِابْـنَـتِـىْ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক কর বাকি অংশ পড়ুন...
৫২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান মুবারক উনার লতি মুবারক نُوْرُ الطَّهَارَةِ مُبَارَكٌ নূরুত্ব ত্বহারাত মুবারক
৫৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোঁফ মুবারক نُوْرُ الطَّيِّبِ مُبَارَكٌ নূরুত্ব ত্বইয়্যিব মুবারক
৫৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাভি মুবারক نُوْرُ الْاَسْرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আস্রার মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاٰمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللهِ وَمَنْ يَّتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِّنْ دُوْنِ اللهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِيْنًا
অর্থ: (ইবলিস শয়তানের অঙ্গীকার) আর আমি তাদের (মানুষদের) মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিকৃত আকৃতি পরিবর্তন বা বিকৃত করার আদেশ করবো। (মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন এ ব্যাপারে) যারা মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, তারা প্রকাশ্য ক্ষতিগ্রস্তের অন্তর্ভুক্ত।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ১১৯)
দাড়ি মু-ন করা আকৃতি-বিকৃতি করার নামান্তর। যা সম্মানিত শরীয়তে হারাম।
বাকি অংশ পড়ুন...
একজন শাসক তার অধীনস্তদের উপর কি রকম আচরণ করবে, কি রকম ইনসাফ বজায় রাখবে তার বেমেছাল দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক তথা জীবনী মুবারকে।
বর্ণিত আছে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার হায়াত মুবারকের শেষ দিকে দুর্বল হয়ে গেলেন। এর কারণ ছিলো, সেসময় একটু দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিলো। তিনি সংবাদ নিতে বললেন যে, সাধারণ মানুষ এ দুর্ভিক্ষে কি ধরণের খাবার খেয়ে থাকে। উনাকে জানানো হলো জয়তুনের তেল আর রুটি খাওয়ার কথা। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তি বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মে শাহযাদা সেরা মুর্শিদা
শাহী সাইয়্যিদা শাহী সাইয়্যিদা
ইসমে সর্বদা ইশকি শাহাদা
শাহী সাইয়্যিদা শাহী সাইয়্যিদা
নূরুন আলা নূর
নূর আম্মা হুজুর
মুবারক রোবে
করেন আধার দূর
দয়ার সমুদ্দুর
মমতায় মশহুর
দু’হাতে বিলান
নিয়ামত ভরপুর
শুকরিয়ায় সদা
পড়ছি কাছীদা
শাহী সাইয়্যিদা
শাহী সাইয়্যিদা
কুবরায়ী শানে
দোনো জাহানে
প্রশান্তি বাটেন
প্রতিটি প্রাণে
ফায়িজের বানে
জান্নাতের পানে
হাকিয়ে নিচ্ছেন
কুল আশিকানে
দিলের আক্বীদা
দিলেন মর্যাদা
শাহী সাইয়্যিদা
শাহী সাইয়্যিদা
বেমেছাল শান্দার
শাফিয়া নামদার
মামদুহ আহালী
হৃদয় মণিহার
অসীম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু।” সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা এখানে কেবল হালাল ও হারাম খাদ্য নিয়েই আলোচনা করবো। বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে বিভিন্ন প্রাণীজ এবং ভেষজ উপকরণ থেকে বিভিন্ন উপাদান তৈরি করে তা মেশানো হচ্ছে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এটা নির্ণয় করা খুবই কঠিন- যে কোনটি হালাল আর কোনটি হারাম। বিশেষ করে যে সকল মুসলমান কাফিরদের দেশে অবস্থান করছে এবং যারা বিধর্মীদের তৈরি খাদ্য উপাদান আমদানি করে এবং সেগুলো সহযোগে বিভিন্ন খাদ্য-দ্রব্যের প্রোডাক্ট তৈরি করছে, সেখানেও থেকে যাচ্ছে নানান সন্দেহ। ফলে আমরা পর্যায়ক্রমে একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ!
যা বাকি অংশ পড়ুন...












