আরো বললেন-
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَا أَن نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا سُبْحَانَكَ هٰذَا بُهْتَانٌ عَظِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো বললেন, কি বললেন? তোমরা সাবধান হয়ে যাও!
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم
যখন তোমরা শুনলে তখন কেন বললে না-
مَّا يَكُونُ لَنَا أَن نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا سُبْحَانَكَ هٰذَا بُهْتَانٌ عَظِيمٌ
তোমরা কেন এ কথা বললে না, তোমাদের বলা উচিত ছিলো। কি বলা উচিত ছিলো? এ বিষয় আমাদের কথা বলার কোন অধিকার নেই। যিনি খ¦লিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন পবিত্র উনারাও সেরকম পবিত্র। এটা প্রকাশ্য অপবাদ। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই স বাকি অংশ পড়ুন...
(১) একটি ফরয সত্তরটি ফরযের সমান।
(২) একটি নফল একটি ফরযের সমান।
(৩) রোযাদারের সমস্ত দোয়া কবুলযোগ্য।
বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন- “হিদায়া মা’য়াদ দিরায়া” কিতাবের ১ম খন্ডের ২২০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
وَمَنْ اِحْتَقَنَ ..... اَفْطَرَ لِقَوْلِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْفَطْرُ مِـمَّا دَخَلَ.
অর্থ: “এবং যদি কোন ব্যক্তি ইন্জেকশন নেয় ... তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে। কারণ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে রোযা ভঙ্গ হবে।”
“বাহরুর রায়িক” কিতাবের ২য় খন্ডের ২৭৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
وَاِذَ اِحْتَقَنَ ..... اَفْطَرَ لِقَوْلِهٖ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَلْفَطْرُ مِـمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِـمَّا خَرَجَ.
অর্থ: “যদি কোন ব্যক্তি ই বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহিলাদেরকে ইলিম-তালীম শিক্ষা করা ও শিক্ষা দেয়ার জন্য বহু মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে তাকীদ দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমানের উপর ইলিম অর্জন করা ফরজ”।
এই পবিত্র হাদীছ শরীফে মুসলমান বলতে মহিলা ও পুরুষ উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শরয়ী এবং পার্থিব উভয় প্রকার ইলিম অর্জনের জন্য পুরুষের পাশাপাশি মহিলাদের প্রতিও মুবারক নির্দেশ রয়েছে। পুরুষদের জন্য ইলিম-তালীমকে যেরূপ জরুরি করা হয়েছে, মহিলাদের জন্যও তেমনি আবশ্যক করা হয়েছে। পু বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়া মালিক...
নূর মাদানী শাহেনশাহে উমাম
নকশায়ে হাসনাইন সেরা ইমাম
দিকে দিকে হামেশা ছলাত ছালাম
স্বাগতম আকাজি হুজ্জাতুল ইসলাম
মুবারক তাশরীফে কুল কায়িনাত ফিদা
ইয়া হাবীবে খোদা, ইয়া শাফি শাহযাদা
আফতাবে আরাবী এসেছেন ফের জাহানে
তাইতো ঈদের আমেজ সকল প্রাণে প্রাণে
শাহী সংবাদ খুশিরবানে ধুম সর্বদা...
কোন ভাষায় করিবো পাক শানে শুকরিয়া
সবই রসম রেওয়াজ তাওফিক চাইছে হিয়া
কোশেশ রূপে কবুল করুন এই কাছিদা...
খলীফা শাহযাদা কিবলা নূর শিরোতাজ
দিল মাঝারে দিন জালিয়ে ইশকি সিরাজ
আপন করে মোরে দানুন খালিস রিদা...
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা কর বাকি অংশ পড়ুন...
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَصْحَابِيْ كَالنُّجُوْمِ فَبِأَيِّهِمْ اِقْتَدَيْتُمْ اِهْتَدَيْتُمْ
অর্থ: “আমার সকল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম তারকা সাদৃশ্য, উনাদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে, হিদায়েত প্রাপ্ত হবে।”
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মধ্যস্থতা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
إِنَّا لَمْ نَجِئ لِقِتَالِ أَحَدٍ، وَلٰكِنَّا جِئْنَا مُعْتَمِرِيْنَ، وَإِنَّ قُرَيْشاً قَدْ نَهَكَتْهُمُ الْحَرْبُ وَأَضَرَّتْ بِهِمْ، فَإِنْ شَاءُوْا مَادَدْتُّهُمْ، وَيَخْلُوْا بَيْنِيْ وَبَيْنَ النَّاسِ، وَإِنْ شَاءُوْا أَنْ يَّدْخُلُوْا فِيْمَا دَخَلَ فِيْهِ النَّاسُ فَعَلُوْا، وِإِلَّا فَقَدْ جَمُّوْا، وَإِنْ هُمْ أَبَوْا إِلَّا الْقِتَالَ فَوَالَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَأُقَاتِلَنَّهُمْ عَلٰى أَمْرِيْ هٰذَا حَتّٰى تَنْفَرِدَ سَالفتي، أَوْ لَيَنْفِذَنَّ اللهُ أَمْرَهُ
‘কারো সঙ্গে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্য বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুদ্ধচলাকালীন একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা অভিযানের তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, খান ইউনিসের পূর্বে আল কারারা শহরের পূর্বে একদল ইসরাইলি সন্ত্রাসীদেরকে এম্বুশ করা হয়।
আগে থেকে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ডিভাইস দ্বারা "বুবি-ট্র্যাপড" ফাঁদ তৈরিকৃত বিল্ডিংয়ে ইসরাইলি সন্ত্রাসী সেনাদল প্রবেশের পর সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এতে বিল্ডিংটি ধ্বংসে পড়ে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী সেনা নিহত ও আহত হয়।
যোদ্ধারা একটি টানেলের প্রবেশমুখেও ইসরাইলি সন্ত্রাসীরা উপস্থিত হওয়ার পর বিস্ফোরণ ঘটায়। এছাড়া হাল্কা অস্ বাকি অংশ পড়ুন...












