সর্বোচ্চ পন্থায় সম্মানিত খিলাফত মুবারক হাদিয়া:
মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য-অগণিত শুকরিয়া যে, আমাদের যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ মহাসম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা যাহিরী এবং বাত্বিনী উভয় প্রকার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনাদের সর্বোচ্চ পন্থায় সম্মানিত খিলাফত মুবারক হাদিয়া মু বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাত মুবারক পাঠ করে যাচ্ছেন অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন। ” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْـمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْـرٌ مِّـمَّا يَـجْمَعُوْنَ
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে জানিয়ে দিন, তারা যে সম্মানিত ফযল মুবারক এবং সম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করতে পেরেছে, সেজন্য তারা যেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ অর্থাৎ খুশি মুবারক প্রকাশ করে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদি বাকি অংশ পড়ুন...
মোঁছ মু-নকারীদের বক্তব্য খন্ডন
এখানে উল্লেখ্য যে, মোঁছ ছোট করে রাখা সুন্নত হওয়ার ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই, বরং সকলেই একমত। কিন্তু মোঁছ মু-ন করার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে, অধিকাংশের মতে মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। আর কারো কারো মতে “মোছলা” বা আকৃতি-বিকৃতি হওয়ার কারণে মোঁছ মু-ন করা হারাম। আবার কেউ মোঁছ মু-ন করা জায়িযও বলেছেন, কিন্তু তাদের এ বক্তব্য যে গ্রহণযোগ্য নয়, পূর্বোক্ত আলোচনা দ্বারা তা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। অর্থাৎ মোঁছ মু-ন করার দলীল জঈফ বা দূর্বল বিধায় তা অগ্রহণযোগ্য বা পরিত্যাজ্য।
এ প্রসঙ্গে দুরর বাকি অংশ পড়ুন...
একদিন এক বেদুঈন (গ্রাম্য লোক) আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দরবার শরীফে এসে আরজ করলেন: ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে কয়েকটি সুওয়াল করতে চাই।
আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন: আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি কি কি বিষয়ে সুওয়াল করতে চান- তা বলুন।
তখন উক্ত বেদুঈন (গ বাকি অংশ পড়ুন...
একথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট ইলমসহ সমস্ত নিয়ামত রাজী পুঞ্জীভূত। যা ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমে সুষ্পষ্ট হয়েছে।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حضرت على بن ابى طالب عليه السلام طبيب الاسلام
অর্থ: সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বাবরী (লম্বা) চুল রাখা খাছ সুন্নত মুবারক। সম্মানিত সুন্নতী তরীক্বায় রাখা সবচেয়ে বড় চুল হল কাঁধ বরাবর অর্থাৎ কাঁধের কাছাকাছি,কিন্তু কাঁধ স্পর্শ করবে না। এর চেয়ে বড় চুল পুরুষের জন্য রাখা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরীক্বাহ মুবারক উনার খিলাফ। তিনি মহাসম্মানিত নূরুল হুদা (সম্মানিত মাথা) মুবারকে তেল ব্যবহার করতেন। (মুসলিম আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা, পবিত্র হাদীছ শরীফ নং-২৩৪৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নূর বাকি অংশ পড়ুন...
এই অঞ্চলে একটি স্বাধীন খ্রিষ্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা গেলে আফ্রিকার মতো বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর, আন্দামান সাগর উপকুলীয় এই অঞ্চলের দেশ ও দেশগুলোর সাগরগর্ভের খনিজসম্পদ নিয়ন্ত্রণও লুটপাট করা সহজ হবে। পাশাপাশি এই অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলায় চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ বা বিআরআই প্রকল্পে নজরদারী করা ও বাধাগ্রস্থ করাও সহজ হবে। যে লক্ষ্যে আমেরিকা প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি’ বা আইপিএস গঠন করেছে সেই লক্ষ্য দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারবে। কারণ বাংলাদেশের নারিকেল দ্বীপে ( বাকি অংশ পড়ুন...












