রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, ইমামুল হুদা, ইমামুল মুসলিমীন, পেশওয়ায়ে আহলে ইয়াকীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ¦মিস মিন আহলি বাইতি রসূল বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কেবল তার সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীদের ওপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে তার অভ্যন্তরীণ সংহতি ও শত্রুচক্রের গোপন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার সক্ষমতার ওপর। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ আজ এমন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার আড়ালে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভাড়াটে গুপ্তচররা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের মোসাদ, আমেরিকার সিআইএ এবং ভারতের ‘র’-এর মতো সংস্থাসমূহ এদেশের কিছু উচ্চাভিলাষী ও দেশদ্রোহী ব্যক্তিকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন প্রাণীর কোন এক অঙ্গ যেমন- কান, লেজ ইত্যাদির এক তৃতীয়াংশের বেশী নষ্ট হয়ে গেলে তা দ্বারা কুরবানী করা জায়িয নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে যেমন দাঁত অর্ধেকের বেশী যদি থাকে, তাহলে তা দিয়ে কুরবানী করা দুরুস্ত রয়েছে।
এ উছুলের উপর ক্বিয়াস করে কোন কোন আলিম নামধারী মূর্খ ও গোমরাহ লোকেরা বলে থাকে যে, খাসী ও বলদ ইত্যাদি প্রাণী দ্বারা কুরবানী করলে নাকি কুরবানী দুরুস্ত হবে না। নাউযুবিল্লাহ! অথচ এ ধরণের ক্বিয়াস অশুদ্ধ, নাজায়িয এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিরোধী।
হযরত ইবনে হাজার আসক্ বাকি অংশ পড়ুন...
হিন্দু প্রধান দল কংগ্রেস উপমহাদেশের মুসলমানের উপর হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যে এক জাতীয়তার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে বিরাট বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, দেওবন্দের কথিত আলেম হুসাইন আহমদ নাদানী। সে কংগ্রেসের সুরে সুর মিলিয়ে ঘোষণা করে একই ভৌগোলিক সীমারেখার ভিতরে বসবাসকারী মুসলমান অমুসলমান নির্বিশেষে মিলে এক জাতি। এই বিষয়ে সে বইও লিখে। সে দেওবন্দভিত্তিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর সভাপতি ছিলো।
মুসলিম লীগ উপমহাদেশে দ্বিজাতিতত্ত্বের (মুসলিম ও মুশরিক দুই জাতি) ভিত্তিতেই বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি আপনাকে এবং আপনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র প্র বাকি অংশ পড়ুন...
আর এ সম্পর্কে আমরা সামনে আলোচনা করবো যাতে বিষয়গুলি মানুষ উপলদ্ধি করতে পারে।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক অনেক মহান একটা বিষয়।
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
নিশ্চয়ই আপনার (ও আপনাদের) আলোচনা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করা হয়েছে। সেই মহান আলোচনা মুবারক, সেই মহান শান মুবারক উনাদের। কাজেই সেটা ফিকির করতে হবে।
ফিকির করে সেভাবে বলতে হবে। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়। এখানে কারো কোন রুখছতের সুযোগ নেই, কারো কোন ইখতিয়ার নাই। যে ইখাতিয়ার খাটাবে সে নিজে জাহান্নামী হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! বিনা চূ-চেরা, বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইতি শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ইমামুত তাসি’ অর্থাৎ ৯ম ইমাম। সুবহানাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে মশহূর একখানা ঘটনা মুবারক। একবার হযরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন যে, সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয। এটা শুনে উনার সমসাময়িক বড় বড় হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এসে উনাকে বললেন যে, হে হযরত ইমাম হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আমরা তো আপনাকে অনেক বড় বুযূর্গ-ওলীআল্লাহ, ইমাম-মুজতাহিদ, বিশিষ্ট ফক্বীহ্ হিসাবে মানি এবং অনেক সম্মান করি। কিন্তু আপনি এটা কি ফতওয়া দিলেন? আমরা তো জানি ফরয পালন করা ফরয, ওয়াজিব পালন করা ওয়াজিব এবং সুন্নত পালন করা সুন্নত। আপনি য বাকি অংশ পড়ুন...












