বাবুল হাওয়ায়িজ, যাইনুল মুতাহাজ্জিদীন, আল ওয়াফী, আত ত্বহির, মালিকুল জান্নাহ্, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হলেন তিনি হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিম বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণিত রয়েছেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যাওযাতুম মুকাররমাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু ইমামিস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেসহ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ মুবারক আদায় করার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখেন। অতঃপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ আসার সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আবওয়া শরীফ নামক স্থানে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু। ” সুবহান বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) তার নছীব হয় না। ” (পবিত্র সূরা কাহফ্ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের হুকুম মুতাবিক প্রত্যেক জিন-ইনসান, পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরয।
যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয় না, তারা গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
এই দুনিয়া যতই দুঃখ দেয়
শাহযাদাজী বলেন ‘কাছে আয়’
সব হারিয়ে যখন করি হায়হায়
শাহযাদাজী বলেন ‘কাছে আয়’
অসংখ্য অধঃপতন আমার
দু‘চোখে দেখি যে অন্ধকার
এত এত গালিজের এত ভার
আর সইতে পারি না চাই নিস্তার
মুহলিকাতে মোর ঈমান যায় যায়
শাহযাদাজী বলেন ‘কাছে আয়’
হর-হামেশা হয় যে ভুল-ত্রুটি
তাই এলোমেলো ইশকের গুটি
কবে হবে আমার নফসের ছুটি
অজানা ভয়ে কাঁপছে খুটি
কাঁদছি আমি খাদের কিনারায়
শাহযাদাজী বলেন ‘কাছে আয়’
খুব কষ্টে গড়া স্বপ্নের প্রাসাদ
নিমিষে ভেঙে আজ সবই বরবাদ
আর আসবে কি ফিরে শুভ্র চাঁদ
বিনিদ্র অপেক্ষার আর্তনাদ
শেষ আশা নিয়ে অধম কাতরায়
শ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে মুখ ঢেকে পর্দা করা ফরয হওয়ার দলীল (৯) :
كُنَّا نُغَطِّي وُجُوهَنَا مِنَ الرِّجَالِ
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাও মহিলাদের চেহারাসহ সমস্ত শরীর পর্দায় আবৃত করে ঘর থেকে বের হওয়া সুস্পষ্টভাবে ফরয প্রমাণিত
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا قَالَت كُنَّا نُغَطِّي وُجُوهَنَا مِنَ الرِّجَالِ وَكُنَّا نَمْتَشِطُ قَبْلَ ذَلِكَ فِي الإِحْرَامِ-
অর্থ: হযরত আসমা বিনতে হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিমাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, ইহরাম অবস্থায় আমরা পর-পুরুষ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّهُ نَـهَي النِّسَاءَ عَنِ الْـخُرُوْجِ اِلَـى الْـمَسَاجِدِ فَشَكَوْنَ اِلٰى اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَقَالَتْ اُمُّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَائِشَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ لَوْ عَلِمَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا عَلِمَ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَا اَذِنَ لَكُمْ فِي الْـخُرُوْجِ.
অর্থ: হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে বাইরে বের হয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেন। অতঃপর মহিলা উনারা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার খিদম বাকি অংশ পড়ুন...
৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রূহ্ মুবারক نُوْرُ الْاَمْرِ مُبَارَكٌ নূরুল আম্র মুবারক
৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক نُوْرُ الرَّحْمَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রহ্মাত মুবারক
৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ভ্রু মুবারক نُوْرُ التَّنْوِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুত তানউইর মুবারক
ছাহিবু কা’বা কাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সকলের হাক্বীক্বী ক্বিবলা মুবারক
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল :
ডা. জাকির নায়েক এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছে যে, কুরআনে এমন কোন দলীল নেই যা মহিলাদের মসজিদে যেতে নিষেধ করে। এমনকি কোন হাদীছও এমন নেই যেখানে বলা হয়েছে যে, মহিলারা মসজিদে যেতে পারবে না। বরং এর বিপরীতে অনেক হাদীছ আছে। সহীহ বুখারী শরীফ-এ আছে যখন তোমার স্ত্রী মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায় তখন তাদের নিষেধ করো না। (হাদীছ নং ৮৩২)
এমনকি সহীহ বুখারীতে আছে, যদি তোমার স্ত্রী রাতের বেলায়ও মসজিদে যেতে চায় তাহলে তাকে অনুমতি দাও। হাদীছ নং ৮২৪। মুসলিম শরীফ-এ আরও আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। মহিলাদের জন্য মসজিদ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
অর্থ: যে ব্যক্তি আমার একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হেফাযত করবেন, আঁকড়িয়ে ধরবেন, আমল করবেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাঁকে ৪টি স্বভাব মুবারক দ্বারা সম্মানিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! আর তা হচ্ছে-
১. নেককারদের অন্তরে উনার প্রতি মহব্বত পয়দা করে দিবেন।
২. পাপীদের অন্তরে উনার প্রতি রোব বা ভীতি সৃষ্টি করে দিবেন।
৩. উনার রিযিক্বে প্রাচুর্যতা দান কর বাকি অংশ পড়ুন...












