পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে উল্লেখ রয়েছে-
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله عز وجل وعزتى وجلالى لاعذبت احدا يسمى باسمك فى النار.
অর্থ: “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আমার মহাসম্মানিত ইজ্জত ও জালালের ক্বসম করে বলছি যে, আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক যাদের নাম রাখা হবে তাদের কাউকেই দোযখে শাস্তি দান করবো না| ” (মুসনাদুল ফিরদাউস)
উপরোক্ত পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
গুরুতর ‘জরুরি’ অবস্থায় আছেন| আর ৩ লাখ ৯৬ হাজার মানুষ (২০ শতাংশ) চরম ‘সঙ্কট’ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন|
গাজায় পাঁচ বছরের নিচে অন্তত ১ লাখ ৩২ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে|
এদের মধ্যে প্রায় ৪১ হাজার শিশুর অবস্থা গুরুতর, যাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে|
শুধু শিশুই নয়, প্রায় ৫৫ হাজার গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারীও মারাত্মক পুষ্টিহীনতায় ভুগছেন
গাজায় স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে| ৯৮ শতাংশ চাষযোগ্য জমি নষ্ট হয়ে পড়েছে, গবাদি পশুও প্রায় শেষ, আর সমুদ্রে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ|
'ইসরায়েলের ওপর অর্থবহ চাপ প্রয়োগে বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক| সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক|
হিজরি সনের তৃতীয় মাস হলো মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ|
‘রবী’ আর ‘আউয়াল’ যুক্ত হয়ে রবীউল আউওয়াল| শব্দ দু’টি আরবী| ‘রবী’ শব্দের অর্থ হলো বসন্ত, আর ‘আউয়াল’ শব্দের অর্থ প্রথম| তাহলে রবীউল আউওয়াল শব্দের অর্থ দাঁড়ায় প্র বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ- যা ন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন| আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন|
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন| আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন|
সম বাকি অংশ পড়ুন...
যদি কেউ আতর-গোলাপ মেখে, সুঘ্রাণ মেখে, কোন বেগানা পুরুষের সামনে দিয়ে চলে, সম্প্রদায়ের সামনে দিয়ে চলে, তার উদ্দেশ্য তার শরীরের সুঘ্রাণ যেন মানুষ পায়, তাহলে সে ব্যভিচারিণী হিসাবে সাব্যস্ত হবে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে|
এরপর ইরশাদ মুবারক করেছেন আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি-
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ الْمَرْأَةَ إِذَا اِسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ بِالمَجْلِسِ فَهِيَ كَذَا وَكَذَا يَعْنِي زَانِيَةً
যদি এমন কোন মহিলা থাকে, তার উদ্দেশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
জীবন চরিত ও ইতিহাস গ্রন্থ যারা অধ্যয়ন করেছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার কার্যাবলী অত্যন্ত চমৎকারভাবে আঞ্জাম দিয়েছেন| হযরত হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার ঘোষককে এ ঘোষণা করতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের দৈনিক ভাতা সকালে এসে নিয়ে যাও| লোকেরা দলে দলে এসে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ নিয়ে যেত| খোদার ক্বসম! আমি নিজ কানে শুনেছি, ঘোষক কখনো ডেকে বলতো, তোমাদের কাপড়-চোপড় নিতে আসো| তারা গিয়ে দামী পোশাক-পরিচ্ছে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নসবনামাহ মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম উনার দিক থেকে
১. سَيِّدُ الْـمُرْسَلِيْنَ اِمَامُ الْـمُرْسَلِيْنَ خَاتَـمُ النَّبِيِّيْنَ اَلنُّوْرُ الْـمُجَسَّمُ حَبِيْبُ اللهِ سَيّـِدُنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা মাওলানা মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম|
২. ابو رسول الله صلى الله عليه وسلم سَيِّـدُنَـا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ ذَبِيْحُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
৫২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান মুবারক উনার লতি মুবারক نُوْرُ الطَّهَارَةِ مُبَارَكٌ নূরুত্ব ত্বহারাত মুবারক
৫৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোঁফ মুবারক نُوْرُ الطَّيِّبِ مُبَارَكٌ নূরুত্ব ত্বইয়্যিব মুবারক
৫৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাভি মুবারক نُوْرُ الْاَسْرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আস্রার মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বাতিল আক্বীদা ও ফিরক্বার লোকদের বক্তব্য হচ্ছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার তারিখ নিয়ে মতভেদ; তাই মতভেদ সম্পর্কিত বিষয় পালন করা ঠিক নয়| আর ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ বিলাদত শরীফ উনার দিন এটা সবচেয়ে দুর্বল মত| ” এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের ফায়সালা কি?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ নিয়ে মতভেদ, তাই মতভেদ সম্পর্কিত বিষয় পালন করা ঠিক নয়| আর ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার বাকি অংশ পড়ুন...












