পবিত্র দুরূদ শরীফ লেখার কারণে বিশেষ নিয়ামত লাভ:
এ প্রসঙ্গে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي الْحَسَنِ الْمَيْمُوْنِيْ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَأَيْتُ الشَّيْخَ أَبَا عَلِي اَلْحَسَنَ بْنَ عُيَيْنَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِي الْمَنَامِ بَعْدَ مَوْتِهِ وَكَأَنَّ عَلَى أَصَابِعِ يَدَيْهِ شَيْئًا مَكْتُوْبًا بِلَوْنِ الذَّهَبِ أَوْ بِلَوْنِ الْزَعْفَرَانِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَالِكَ وَقُلْتُ يَا أُسْتَاذُ أَرَى عَلَى أَصَابِعِكَ شَيْئًا مَلِيْحًا مَكْتُوْبًا مَا هُوَ قَالَ يَا بُنَيَّ هَذَا لِكِتَابَتِيْ لَحَدِيْثِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْ حَدِيْثِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “হযরত আবুল হাসান মাইমূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: অষ্টম শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের ১১৮ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অসাধারণ দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় আল কুরআনের সর্বজনীন গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ করেন। ... দেশ পরিচালনায় জনগণের মতামতের স্বীকৃতি দেন। যা গণতন্ত্রের মূল কথা। ” নাউযুবিল্লাহ! এ লেখাটি কতটুকু শরীয়তসম্মত?
সুওয়ালে উল্লেখিত লেখা থেকে যেসব প্রশ্ন উত্থাপিত হয় তা হচ্ছে-
১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
বিষয়টা হচ্ছে, খন্দকের যুদ্ধ যখন হয়ে গেলো, পরবর্তীতে মুসলমানদের আস্তে আস্তে পর্যায়ক্রমে স্বচ্ছলতা ফিরে আসলো। যখন স্বচ্ছলতা ফিরে আসলো, প্রত্যেককে আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের চাহিদা মুতাবিক যার যে চাওয়ার ছিল তাকে সেটা দিয়েছেন। কারো চাহিদাকে উনি অপূর্ণ রাখেননি। অর্থাৎ যার যে আরজু ছিল তার সে আরজু পূরা করে দিয়েছেন।
হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পরবর্তীতে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম অর্থাৎ আমরা সেই পরিপ্রেক্ষিত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লাইলাতুর রগাইব শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত:
১ম মাস- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রজবুল হারাম শরীফ:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লাইলাতুর রাগাইব শরীফ:
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাত্রি মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন, সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাত্র মুবারকেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে কুদরতীভাবে সাইয়্যিদাতুনা হয বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা আফদ্বালুল আউলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন-
المكتوب نصف الملاقة
অর্থাৎ “চিঠি হচ্ছে অর্ধেক সাক্ষাৎ। ”
একবার উনার এক মুরীদ উনাকে চিঠি লিখেছিলেন। হে আমার শায়েখ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনি তাগিদ করেছেন আপনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার জন্য। কিন্তু আমার পক্ষে তো সেভাবে ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করা সম্ভব হচ্ছে না। তাহলে আমি কি করবো? তখন হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছিলেন, “আমার যে চিঠিটা তোমার কাছে রয়েছে সেটা তুমি পাঠ করো। সে চিঠি পাঠ করলেই আমার অর্ধেক ছ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তোমরা ঈমান মুবারক গ্রহণ করতে পারো তাহলে তোমরা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বেমেছাল মহব্বত মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كَانَ آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَآؤُكُمْ وَإِخْوَانُكُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ وَعَشِيرَتُكُمْ وَأَمْوَالٌ اقْتَرَفْتُمُوهَا وَتِجَارَةٌ تَخْشَوْنَ كَسَادَهَا وَمَسَاكِنُ تَرْضَوْنَهَا أَحَبَّ إِلَيْكُم مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَجِهَادٍ فِي سَبِيلِهِ فَتَرَبَّصُوا حَتَّى يَأْتِيَ اللّهُ بِأَمْرِهِ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ [التوبة: ২৪].
অর্থ : (আয় মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, তোমাদের নিকট যদি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পথে জিহাদ করার চেয়ে বেশি প্রিয় হ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিবেশ রক্ষায় বাঁশের ভূমিকা কতটুকু? এর অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য উপকারিতা কি পরিমাণ? জেনে নিন বাঁশের এমন বহু উপকারিতার কথা।
বাঁশ কোনো গাছ নয়:
এটি মূলত এক ধরণের ঘাস এবং চীর সবুজ বহু বর্ষজীবী উদ্ভিদ যা নাতিশীতোষ্ণ ও গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মায়।
পৃথিবীতে ৩০০ প্রজাতির বাঁশ রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট ৩৩ প্রজাতির বাঁশ সংরক্ষণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে- মুলি, তল্লা, আইক্কা, ছড়িসহ নানা প্রজাতির বাঁশ।
এক তথ্যসূত্র মতে, বাঁশের প্রজাতি ও বৈচিত্রের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে।
খাদ্য:
খাদ্য হিসেবেও বাঁ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক যৌথ কৌশলগত মহড়া ‘ওয়েস্ট-২০২৫’ এ সফলভাবে অংশগ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৭ জন সদস্য রাশিয়ার নিঝনি নভগোরোদ অঞ্চলের মুলিনো মিলিটারি ট্রেইনিং গ্রাউন্ডে এ মহড়ায় অংশ নেন। গত জুমুয়াবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন দ বাকি অংশ পড়ুন...












