আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের গাজায় ৪৮ ইসরায়েলি জিম্মির তথ্য প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন (হামাস)। সংগঠনটির দাবি, যদি ইসরায়েল গাজায় স্থল অভিযান অব্যাহত রাখে, তাহলে এই জিম্মিরা বিপদের মধ্যে পড়বেন।
এর আগে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দখলদার ইসরায়েলের উপরে হামাসের দুঃসাহসিক হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ দখলদার মারা পড়ে। ইসরায়েল থেকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয় ২৫১ দখলদারকে। ইসরায়েলি বাহিনীর তথ্যমতে, তাদের মধ্যে ৪৭ জন এখনো গাজায় রয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন মারা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হামাসের সামরিক শাখা আল কাসেম ব্রিগে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। একইসঙ্গে ইসরায়েলকে সারা দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং দেশটির সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রতিরোধ গোষ্ঠীটি। খবর বার্তা সংস্থা মেহের নিউজের।
এক বিবৃতিতে হামাস পশ্চিমাবিশ্বের এ স্বীকৃতিকে ফিলিস্তিনি জনগণের ভূমি ও পবিত্র স্থানের প্রতি অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্খার পথে একটি বড় বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু। ” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পব বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কারা আল্লাহওয়ালা প্রকৃতির মানুষ আর কারা শয়তান প্রকৃতির মানুষ সেটা বর্ণনা করে দিয়েছেন। আল্লাহওয়ালা মানুষ উনাদের পরিচয় দিতে গিয়ে পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ উনার ৬৩ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, যারা আল্লাহওয়ালা উনাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উনারা হাক্বীক্বীভাবে ঈমান গ্রহণ করেন। তাক্বওয়া বা পরহেযগারী অবলম্বন করেন। অর্থাৎ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে যে দেশ মেধার জোরে এগিয়ে আছে সেই দেশই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হচ্ছে। আর আধুনিকায়নের এই যুগে মেধার চাহিদা অনুসারে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম দয়া দান ইহসান মুবারকে বাংলাদেশের মেধাশক্তি এশিয়া মহাদেশে একটি বিশাল প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে। গবেষণা, আবিস্কার, উৎপাদন, অনুশীলন খাতে নিত্য নতুন ক্ষুদে ও উন্নত যোগ্যতার অধিকারী বিজ্ঞানীদের আবির্ভাব ঘটছে। দেশে এমনও উদ্ভাবনী শক্তির মানুষ রয়েছে যারা স্কুলের গ-ি না পেরিয়েও বিস্ময়কর আবিষ্কার করেছে। যেমন একই জমিতে বছরে ৪ বারে ৬৪টি ফসল ও মাছ চাষের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
অনেক দেশ আছে যেখানে বৃহৎ শিল্পগুলো শুধু সংযোজনের দায়িত্ব পালন করে আর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা শিল্পের উপকরণ তৈরি করে। জাপানের কথা এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। জাপানের টয়োটা কোম্পানি গাড়ির কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সার আর কীটনাশক দেয়া ফলমূল, সবজিতে এখন বাংলাদেশের বাজার সয়লাব। সেগুলো দেখতে সুন্দর, সহজে পচে না, আকার, আকৃতি একেবারে ক্রেতার মন মতো হয়। ফলে ক্রেতা সেটা কেনেন এবং খুশি মনে খান।
মানবদেহের সহ্য ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই ক বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যত ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে সব মানুষের হাতের কামাই। ” আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ হাবীব। বাকি অংশ পড়ুন...
কোনো বর্ণনা যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক শানের খিলাফ হয় তবে তা গ্রহনযোগ্য নয়; বরং পরিত্যাজ্য।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক শানের খিলাফ এলোমেলো বক্তব্য কাফির মুশরিক মুনাফিকরা সবসময়েই দিয়ে আসছে। নাউযুবিল্লাহ!
এসকল ক্ষেত্রে মু’মিন মুসলমানদের দায়িত্ব-ক বাকি অংশ পড়ুন...
, “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন যখন মানুষদেরকে কবর হতে উত্থিত করা হবে, তখন আমিই সর্বপ্রথম পবিত্র রওযা শরীফ হতে বের হয়ে আসবো। আর যখন লোকেরা দলবদ্ধ হয়ে আল্লাহ পাক উনার দরবারে উপস্থিত হওয়ার জন্য রওয়ানা হবে, তখন আমিই হবো তাদের অগ্রগামী ও প্রতিনিধি। আর আমিই হবো তাদের মুখপাত্র, যখন তারা নীরব থাকবে। আর যখন তারা আটকা পড়বে, তখন আমি হবো তাদের সুপারিশকারী। আর যখন তারা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়বে, তখন আমি তাদেরকে সুসংবাদ প্রদান করব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
বাকি অংশ পড়ুন...












