মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ.
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইত্তিবা’ বা অনুসরণ-অনুকরণ করো। আর তোমরা তোমাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করো না। (পবিত্র সূরা মুহম্মদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
মুক্বদ্দিমাহ্:
মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত প্রকার আমল থেকে পবিত্র। তবে তিনি একটি আমল মুবারক করেন, সেটা আবার দায়িমীভাবে। এক মুহূর্তের জন্যও তিনি এই আমল মুবারক থেকে জুদা হননা। হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্যও এই আমল মুবারক আবশ্যক করে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
এক বৎসরের মধ্যে বেশ কয়েকজন মোতওয়াল্লি পরিবর্তন হলো, হযরত মালেক দিনার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে কেউ মোতওয়াল্লির পদ দিল না।
একদিন রাতে উনি ঘর থেকে বের হলেন তাহাজ্জুদ নামায পড়ার উদ্দেশ্যে অজু করার জন্য। যখন উনি বের হলেন, একটা গায়েবী আওয়াজ হলো- “হে মালেক! এখনও কেন তুমি তওবা করনা, আর কতদিন তুমি ধোকাবাজী করবে, প্রতারণা দিবে মানুষকে আর মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে গাফেল হয়ে মখলুকাতের মধ্যে মশগুল থাকবে? এখন তুমি তওবা করো। ”
উনি যখন এ আওয়াজ শুনলেন তখন তওবা করলেন খালেছভাবে, সত্যিই আর কতদিন আমি মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে গাফিল থাকব? আর কতদিন আম বাকি অংশ পড়ুন...
সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য বহু ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(৯) হযরত ইমাম কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে মাহমূদ নাহ্রাওয়ানী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (পবিত্র বিলাদত শরীফ ৯১৭ হিজরী শরীফ : পবিত্র বিছাল শরীফ ৯৯০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
فِىْ سَنَةِ اِحْدٰى وَسَبْعِي বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২য় বৎসর মুবারক:
উল্লেখ্য যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পর্যন্ত বৎসর মুবারক ধরা হয়েছে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুগ্ধ মুবারক পান করার জন্য সম্মানিত বনূ সা’দ গোত্রে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাল্যকাল মুবারক অতিবাহিত করেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ বাকি অংশ পড়ুন...
৩১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নখ মুবারক نُوْرُ اللِّبَاسِ مُبَارَكٌ নূরুল লিবাস মুবারক
৩২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঠোঁট মুবারক نُوْرُ الْـحَمْرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হাম্রা’ মুবারক
৩৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পেট মুবারক نُوْرُ الْوَرَعِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
মিশরে বয়নশিল্প:
বস্ত্রের অন্তর্দিকে লিনেন ব্যবহারের রীতি তখনও বিদ্যমান ছিলো। তবে সিল্কের সাথে বুটিদার (যিনি বুটিক তৈরী করেন) লিনেন ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিতো। ফাতেমীয় যুগে বস্ত্রের প্রান্তে বোটাসহ পুষ্পাদির বুনন মনোরমভাবে সম্পন্ন হতো, কিন্তু মামলুক সালতানাত যুগে অত্যন্ত যতেœর সাথে বয়নসেলাই অব্যাহত রাখা হয়েছিলো যা তার পরিপূর্ণতার ক্ষেত্রে চমক বলে মনে হতো। বুননের চেয়ে বস্ত্রাদির প্রান্তরেখায় প্যাটার্নে সংমিশ্রিত অথচ টিকসই রং ব্যবহৃত হয়েছে।
মামলুক সালতানাত যুগে এই জাতীয় চলমান মটিফের বিভিন্ন প্রকরণ সøাভ ও স্কান্ডিনে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)
মূলত, ক্বমীছ বা জামা ও ইযার বা লুঙ্গি সমান সমান হতে পারে আবা বাকি অংশ পড়ুন...
সমাজ থেকে সকল অবিচার, অনাচার, অপরাধ দূর করে মুসলমানদের মধ্যে নৈতিকতার প্রচার প্রসারের জন্যই সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সময়ে তৈরী করা হয়েছিলো একটি বিচারিক ব্যবস্থা। যার নাম হলো ‘আল হিসবাহ’। আল হিসবাহ’র দায়িত্বশীলগণকে বলা হতো মুহতাসিব।
মুসলমানদের জন্য কল্যাণকর সকল প্রকার উদ্যোগ গ্রহণে সচেষ্ট ছিলেন মুহতাসিবগণ। এ ব্যাপারে অনেক রচনা ও পুস্তকও সংকলন করা হয়েছে। এর চেয়েও আকর্ষণীয় বিষয় হলো, কিছু সূক্ষ্ম বিষয়, যেগুলো সাধারণত কারও চোখে পড়ে না, কেউ গুরুত্ব দেয় না সেসব বিষয়কেও মুহতাসিবগণ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছেন। যার মাধ্যম বাকি অংশ পড়ুন...












