SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হুযুর%' OR titleBn LIKE '%হুযুর%' OR descriptionEn LIKE '%হুযুর%' OR descriptionBn LIKE '%হুযুর%' OR slug LIKE '%হুযুর%' OR metaTag LIKE '%হুযুর%' OR metaDescription LIKE '%হুযুর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (حياة النبى صلى الله عليه وسلم) হায়াত শব্দের অর্থ হচ্ছে জীবন বা জীবনকাল, আর নবী শব্দ মুবারক দ্বারা এখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উদ্দেশ্য। যার অর্থ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হায়াত বা জীবন মুবারক। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পরও হায়াত মুবারকে রয়েছেন অ বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
এই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
وواقعة الرفاعي رحمه اللّه مشهورة متواترة حينما زار قبره الشريف وقال بحضور جماعة لا يحتمل تواطؤهم على الكذب
অর্থ: আর হযরত রেফায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘটনা মুবারক মশহূর, সুপরিচিত এবং মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তিনি যখন পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করে কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন তখন এতসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন যে, যাদের একত্রে মিথ্যার উপর একমত হওয়া অকল্পনীয় বিষয়। (আল হাওঊ ফী তাফসীরিল কুরআনিল কারীম ৬৮৯/৯৪)
এই ঘটনা দ্বারা বাস্তবিকপক্ষেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আন’আম শরীফের ৭০ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ সমস্ত লোকদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে এবং নছীহত করুন এ ব্যাপারে যে, প্রত্যেক ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...
৫ম দলীল :
অন্য বর্ণনায় এসেছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ وَحَوْلَ البَيْتِ سِتُّونَ وَثَلاَثُ مِائَةِ نُصُبٍ فَجَعَلَ يَطْعُنُهَا بِعُودٍ فِي يَدِهِ وَيَقُولُ {جَاءَ الحَقُّ وَزَهَقَ البَاطِلُ إِنَّ البَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا} {جَاءَ الحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ البَاطِلُ وَمَا يُعِيدُ}
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শর বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (حياة النبى صلى الله عليه وسلم) হায়াত শব্দের অর্থ হচ্ছে জীবন বা জীবনকাল, আর নবী শব্দ মুবারক দ্বারা এখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উদ্দেশ্য। যার অর্থ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হায়াত বা জীবন মুবারক। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পরও হায়াত মুবারকে রয়েছেন বাকি অংশ পড়ুন...
আলজেরিয়ার মুসলিমদের প্রতিরোধকে দমন করার জন্য এমন কোনো বর্বরতা ছিল না যা ফরাসি দস্যুরা করেনি। এমনকি তারা প্রতিরোধ যুদ্ধে শহীদ সেনাদের মর্যাদাপূর্ণ দাফনেরও সুযোগ দেয়নি। শহীদ যোদ্ধাদের মস্তক শিরচ্ছেদ করে আলজেরিয়ার সাধারণ জনগণের সামনে প্রদর্শন করা হতো, যাতে তারা আর বিদ্রোহ করার সাহস না পায়।
পাশাপাশি ফরাসী দস্যুরা মুসলিম যোদ্ধাদের মস্তক ছিন্ন করে বাক্স বন্দী করে "যুদ্ধের ট্রফি" হিসেবে প্যারিসে পাঠাতো। যার মাধ্যমে শাসকদের বার্তা দেওয়া হতো আফ্রিকায় ফরাসিদের প্রকৃত বিজয় অর্জিত হচ্ছে, লুণ্ঠন আর দখলদারিত্ব ঠিকঠাক চলছে। সেই সব বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ গন্ডমূর্খ তারা জানে না উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক সম্পর্কে। যতটুকু জানানো হয় ততটুকু। উনাদের পবিত্র শান মুবারকে কথা বলার কারো কোন অধিকার নেই, যতটুকু জানানো হয় ঠিক ততটুকু। এটাই বলতে হবে। যদি কেউ বলে সে মিথ্যাবাদী। তার ইলিম-কালাম আসলে নেই। সে মিথ্যা বলতেছে। হ্যাঁ যদি মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বলে তাহলে ঠিক আছে। যদি এর বাইরে কিছু বলে তাহলে তার এটার দলীল পেশ করতে হবে। সে আসলে জানে না সবকিছু। মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ ও মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে যা বলা হয়েছে সেটা বলতে পারে, কোন অসুবিধা ন বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে أَبَدًا অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে দায়িমীভাবে প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত আদেশ মুবারক ও ওছিয়ত মুবারক করেছেন। তাই ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি যতদি বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত উম্মতের পক্ষ থেকে কুরবানী করেছেন
৩য় দলীল
অন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ سَعِـيْدِ ۣ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَحّٰى بِكَـبْشٍ اَقْـرَنَ وَقَالَ هٰذَا عَنِّـىْ وَعَمَّنْ لَّـمْ يُضَحِّ مِنْ اُمَّتِـىْ
“হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শিং বিশিষ্ট একটি দুম্বা সম্মানিত কুরব বাকি অংশ পড়ুন...












