ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (২০৭)
, ১৬ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৩ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০২ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মানুষ গন্ডমূর্খ তারা জানে না উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক সম্পর্কে। যতটুকু জানানো হয় ততটুকু। উনাদের পবিত্র শান মুবারকে কথা বলার কারো কোন অধিকার নেই, যতটুকু জানানো হয় ঠিক ততটুকু। এটাই বলতে হবে। যদি কেউ বলে সে মিথ্যাবাদী। তার ইলিম-কালাম আসলে নেই। সে মিথ্যা বলতেছে। হ্যাঁ যদি মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বলে তাহলে ঠিক আছে। যদি এর বাইরে কিছু বলে তাহলে তার এটার দলীল পেশ করতে হবে। সে আসলে জানে না সবকিছু। মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ ও মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে যা বলা হয়েছে সেটা বলতে পারে, কোন অসুবিধা নেই। এখানে যা বলবে ঠিক আছে। এর বাইরে যখন কেউ কিছু বলবে তখন কিন্তু তার বলার অধিকার নেই। সেটাই বলে দেয়া হচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র খুছূছিয়াত মুবারক, পবিত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক, পবিত্র ফযীলত মুবারক এটা ফিকির করতে হবে। এখনতো মানুষ গাফিল হয়ে যাওয়ার কারণে উনাদের বিষয় নিয়ে চূ-চেরা, কীল-কাল করে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যার জন্য একটার পর একটা আযাব আর গযব নাযিল হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমান লাঞ্চিত হচ্ছে কেন? উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক তারা রক্ষা করে না। যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ আমরা বলেছি অনেকবার।
عَنْ حضرت أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِي اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ" إِنَّ لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ثَلاث حُرُمَاتٍ،
হযরত আবু সায়ীদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন। এখানে কি বলা হচ্ছে সেটা আগে বুঝতে হবে। নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার তিনটি হুরমত মুবারক তথা সম্মান মুবারক রয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে ইরশাদ মুবারক করেন। তিনি কি বললেন? নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার তিনটা সম্মানিত বিষয় মুবারক রয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সেটা কি?
مَنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللهُ دِينهُ وَدُنْيَاهُ،
যারা এই তিনটা পবিত্র হুরমত মুবারক, পবিত্র সম্মান মুবারক রক্ষা করবে। অর্থাৎ পবিত্র তা’যীম-তাকরীম করবে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীন-দুনিয়া, ইহকাল-পরকাল সবকিছুই কুদরতময়ভাবে হিফাযত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
مَنْ لَمْ يَحْفَظْهُنَّ لَمْ يَحْفَظِ اللهُ دِيْنَه وَاَخِرَتَه
আর যে হিফাযত করবে না তার দ্বীন-দুনিয়া, ইহকাল-পরকাল কোনটাই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হিফাযত মুবারক করবেন না। নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ সে ধ্বংস হয়ে যাবে, সে হালাক হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করলেন, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার তিনটা সম্মানিত বিষয় রয়েছে। তিনিতো বলতে পারতেন আমার তিনটা সম্মানিত বিষয় রয়েছে কিন্তু তিনি বললেন, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার তিনটি হুরমত মুবারক।
قُلْتُ مَا هُنَّ يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟
হযরত আবূ সায়ীদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন তিনটা বিষয়? এতো মহাসম্মানিত। প্রথম,
حُرْمَةُ الْإِسْلَامِ،
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। অর্থাৎ যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার হুরমত মুবারক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপরে
حُرْمَتِى،
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, উনার মহাসম্মানিত হুরমত মুবারক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
حُرْمَةُ رِحْمِى
তৃতীয় বললেন, মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের হুরমত মুবারক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
গান-বাজনা অকাট্য দলীল দ্বারা সুস্পষ্টভাবে হারাম
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“আত তাক্বউইমুশ শামসী”একটি নতুন সৌর সন (১)
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা খাওয়া হারাম করা হয়েছে
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহিলাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ নির্দেশনা মুবারক- পর্দা পালন করা
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ক্বমীছ বা জামা নিছফে সাক্ব পর্যন্ত প্রলম্বিত হওয়া সম্মানিত সুন্নত মুবারক
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হালালকে হারাম করা নিষেধ
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পুরুষের জন্য কমপক্ষে একমুষ্ঠি পরিমাণ দাড়ি রাখা ফরয
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












