SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হারাম%' OR titleBn LIKE '%হারাম%' OR descriptionEn LIKE '%হারাম%' OR descriptionBn LIKE '%হারাম%' OR slug LIKE '%হারাম%' OR metaTag LIKE '%হারাম%' OR metaDescription LIKE '%হারাম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পূর্ব প্রকাশিতের পর
বিবাহ সংঘটিত হওয়ার শব্দাবলী:
যে কোনো ভাষায় বিবাহ করা বা দেওয়া বুঝায় এমন সব শব্দে বিবাহ সংঘটিত হবে। যেমন বলা,
(زَوَّجْتُ أَوْ نَكَحْتُ) আমি বিবাহ করলাম বা বিবাহ দিলাম।
অথবা বলা, (قَبِلْتُ هٰذَا النِّكَاحَ) আমি এ বিবাহ কবুল করলাম।
অথবা (تَزَوَّجْتُهَا) আমি তাকে বিবাহ করলাম, বা (تَزَوَّجْتُ) আমি বিবাহ করলাম।
অথবা (رَضِيْتُ) এ বিবাহে আমি রাজি আছি।
আরবী ভাষার শব্দ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। তবে যাদের আরবী ভাষা জানা নেই তারা তাদের ভাষায় প্রস্তাবনা ও কবুল করলেই বিবাহ সংঘটিত হবে।
বিবাহের রুকনসমূহ:
বিবাহের রুকন দু’টি। তা হলো:
১) প্রস্তাব (اَلْإِيْـجَ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অন্যতম একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হচ্ছে বিবাহ করা।
বিবাহের শাব্দিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা:
বিবাহের শাব্দিক সংজ্ঞা: নিকাহ অর্থাৎ বিবাহের শাব্দিক অর্থ দু’টি জিনিস একত্রিত করা। কখনও কখনও নিকাহ বন্ধন বা চুক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন বলা হয়, (نكح فلانة) যখন কেউ বিবাহ করার দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করে ও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
শরীয়তের পরিভাষায় বিবাহ হলো,
عَقْدٌ يُعْتَبَرُ فِيهِ لَفْظُ إِنْكَاحٍ أَوْ تَزْوِيجٍ فِي الْجُمْلَةِ، وَالْمَعْقُودُ عَلَيْهِ مَنْفَعَةُ الِاسْتِمْتَاعِ أَوِ الِازْدِوَاجِ أَوِ الْمُشَارَكَة বাকি অংশ পড়ুন...
তালাকের প্রকারভেদ :
তালাক প্রথমত দুই প্রকার। (১) তালাকে বাতিন বা অপ্রকাশ্য তালাক (২) তালাকে জাহির বা প্রকাশ্য তালাক।
১) তালাকে বাতিন বা অপ্রকাশ্য তালাক :
আহাল (স্বামী) কিংবা আহালিয়া (স্ত্রী) দুইজনের একজন যদি কুফরী, শিরকী কাজ-কর্ম করে, কথা-বার্তা বলে কিংবা আক্বীদা- বিশ্বাস পোষন করে তাহলে তাদের বৈবাহিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে যায়। মুখে তালাক্বের কথা উচ্চারণ না করলেও তালাক্ব হয়ে যায়। তখন ঘর সংসার করা অবৈধ হয়। সন্তান সন্ততির বৈধতা থাকেনা। কাজেই কোন আহাল অথবা আহালিয়া কখনো যেন কোন কুফরী, শিরিকীমূলক বাক্য উচ্চারণ না করে , আকিদাও যেন পোষন না করে , হঠবাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে ২৮জন মন্ত্রী এবং ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও উপদেষ্টা রয়েছে ১০ জন। কিন্তু একজনও দ্বীন ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী অথবা উপদেষ্টা নেই।
প্রধানমন্ত্রীর অসংখ্য ভাষণে দ্বীন ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রম
মসজিদের মধ্যে ইবাদত-বন্দেগী, নামায-কালাম, যিকির-আযকার ইত্যাদির পাশাপাশি সম্মানিত দ্বীন ইসলামের প্রচার-প্রসার সংক্রান্ত বিষয়ে তথা সম্মানিত ইলম উনার তা’লীম-তালকীন, দর্স-তাদরীসের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সকালবেলা অল্পবয়সী ছেলেদের মক্তবী তা’লীম এবং রাতের বেলা বয়স্কদের তা’লীমের ব্যবস্থা করা জরুরী। মসজিদকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। অনুরূপভাবে সম্মানিত শরীয়ত বিরোধী তন্ত্র-মন্ত্র ও মতবাদ প্রচার-প্রসারের স্থান বানানো যাবে না।
সিসি ক্যামেরা বা সিসিটিভি মসজিদে নামায আদায়ের আহকাম বাকি অংশ পড়ুন...
মদ ও জুয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
یَسْـَٔلُوْنَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَیْسِرِ قُلْ فِیْهِمَاۤ اِثْمٌ كَبِیْـرٌ وَّمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَاِثْمُهُمَاۤ اَكْبَـرُ مِنْ نَّـفْعِهِمَا كَذٰلِكَ یُـبَـیِّنُ اللّٰهُ لَكُمُ الْاٰیٰتِ لَعَلَّكُمْ تَـتَـفَكَّرُوْنَ
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) লোকেরা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্জেস করে। আপনি বলে দিন, ‘দু’টোর মধ্যেই আছে মহাপাপ বা মহাক্ষতি এবং মানুষের জন্য (সামান্য) উপকার; আর এ দু’টোর পাপ বা ক্ষতি উপকারের চাইতে অনেক বড় ও বেশী। এভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্টভাà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৮। মুর্শিদ কিবলা উনার জাহিরী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি লক্ষ্য করবে না। বরং উনার বাতিনী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি সর্বদা মুতাওয়াজ্জেহ বা রুজু থাকবে।
ছহিবু কা’বা কাওছাইনে আও আদনা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জিন্দেগী মুবারকে অসাধারণ ঘটনার পাশাপাশি এমন কতিপয় মুবারক ঘটনাও সংঘটিত হয়েছে যা নিতান্ত স্বাভাবিক মনে হয়। যা ঈমান ও কুফরীর পার্থক্যকারী। যা দ্বারা একদিকে ঈমানদারগণের ঈমান বৃদ্ধি পায় অন্যদিকে কাফিরদের কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করে জাহান্নামের কঠিন স্বাদ আস্বাদনের পথকে প্রশস্ত করে। তঠবাকি অংশ পড়ুন...












