নিজস্ব সংবাদদাতা:
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহের নামে যে নৃশংস সেনা হত্যাযজ্ঞ হয় সেদিন পিলখানার ভেতরে আটকা পড়েছিলেন অনেকে। তখন ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী ফাবলিহা বুশরা তাদেরই একজন।
তার বাবা তৎকালীন বিডিআর হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল লুৎফর রহমান খানও ওইদিন বিদ্রোহীদের হাতে খুন হন।
১৪ বছর বয়সে বাবাকে হারানো এবং নৃশংসতার মধ্যে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে ৩৬ ঘণ্টা পিলখানা কোয়ার্টার গার্ডে জিম্মি ছিলেন বুশরা। বুশরা বয়স এখন ২৩। ৯ বছর আগের ওই হৃদয়বিদারক ঘটনার ভয়াল স্মৃতি গণমাধ্যমকে তুলে ধরেছেন ফাব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেই সুন্নতী লিবাস মুবারক উনার সুস্পষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে:
যিনি খালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ما آتاكُمُ الرَّسولُ فَخُذوهُ وَما نَهاكُم عَنهُ فَانتَهوا وَاتَّقُوا اللهَ إِنَّ اللهَ شَديدُ العِقاب-
অর্থ: মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের নিকট যা নিয়ে এসেছেন, তা তোমরা আঁকড়ে ধরো অর্থাৎ আমল করো। আর যা থেকে তিনি তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে তোমরা বিরত থাকো। আর এই বিষয়ে তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। বাকি অংশ পড়ুন...
একটা গ্রামের কোনো মানুষই জুতা বা স্যান্ডেল পরে না। গ্রামের বাইরে কোথাও যেতে হলেও তারা খালি পায়ে যায়। এ বিস্ময়কর গ্রামটি ভারতের।
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপাতি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রামটির নাম ভেমানা। গ্রামটির বাসিন্দারা জানায়, এটি তাদের অনেক পুরনো ঐতিহ্য। জুতা না পরাসহ আরও কিছু অদ্ভুত রীতি আছে এই গ্রামে। পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ হয়, তাহলেও তারা হাসপাতালে যায় না। আর কোনো কারণে যদি তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার দরকার হয় বা অন্য কোথাও যাওয়ার দরকার হয় তাহলে তারা বাইরের কোনো খাবার খায় না।
জানা গেছে, জেলা ম্যাজি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব হচ্ছে তার হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করা। কেননা, তিনি হচ্ছেন সকলের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন;তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১)
কাজেই আামাদেরকে জীবনের প্রতিটি বাকি অংশ পড়ুন...
চিরুনী হলো মাথা পরিপাটি ও সুন্দর করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নূরুল ফাতহ মুবারক (মহাসম্মানিত চুল মুবারক) উনার পরিচর্যার জন্য নিয়মিত চিরুনী করতেন এবং মহাসম্মানিত নূরুল ফাতহ মুবারক (মহাসম্মানিত চুল মুবারক) বিন্যাস করতেন।
মহাসম্মানিত নূরুল হুদা মুবারকে (মহাসম্মানিত মাথা মুবারকে) অধিক পরিমাণে তেল মুবারক ব্যবহার করতেন এবং নূরুন নি‘য়ামাহ মুবারক (মহাসম্মানিত দাড়ি মুবারক) চিরুনী মুবারক দিয়ে আচড়াঁতেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছ বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলা/বালিকাদের সুন্নতী পোশাকসমূহ:
১) ক্বামীছ (গোলজামা)
২) সেলোয়ার
৩) ওড়না বা চাদর
৪) বোরকা বা হিজাব
৫) হাত মোজা ও পা-মোজা
৬) সুন্নতী নালাইন (স্যান্ডেল)
আল ইহসান ডেস্ক:
আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূল্লিাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই হলেন সকল মহিলাদের জন্য একমাত্র আদর্শ মুবারক। উনাদের অনুসরন ও অনুকরন মুবারকই মহিলাদের জন্য সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
তাই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যে ধরণের পোশাক মুবারক পরিধান করেছেন, যেভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
অধিকাংশ সময় জুতা পরিধান করে থাকা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্তঃ
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رضى الله تعالى عنه ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي غَزْوَةٍ غَزَوْنَاهَا " اسْتَكْثِرُوا مِنَ النِّعَالِ فَإِنَّ الرَّجُلَ لاَ يَزَالُ رَاكِبًا مَا انْتَعَلَ "
অর্থঃ হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এক যুদ্ধে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি, তোমরা বেশি বেশি (সময়) জু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের উত্তরপ্রদেশের বেয়ারেলিতে গত জুমুয়াবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জুমুয়ার নামাজের পর ইসলামিয়া ময়দানে ব্যাপক ভিড় জমে যায়। স্থানীয় আলেম ও ইত্তেহাদ-ই-মিল্লাত কাউন্সিলের প্রধান মাওলানা তৌকীর রাজার আহ্বানে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশটি মূলত ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ প্রচারণার সমর্থনে আয়োজন করা হয়।
কানপুরে এই প্রতিবাদ শুরু হয় গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে, যখন ঈদে মিলাদুন্নবী শোভাযাত্রায় একটি তাঁবুর ওপর ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ পোস্টার টাঙানো হয়। পুলিশ সেটি সরিয়ে ফেলে, এরপর কানপুর পুলিশ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫ জন অজ্ঞাতনা বাকি অংশ পড়ুন...












