SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্বনির্ভর%' OR titleBn LIKE '%স্বনির্ভর%' OR descriptionEn LIKE '%স্বনির্ভর%' OR descriptionBn LIKE '%স্বনির্ভর%' OR slug LIKE '%স্বনির্ভর%' OR metaTag LIKE '%স্বনির্ভর%' OR metaDescription LIKE '%স্বনির্ভর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
একটি চক্র সুকৌশলে জ্বালানি কিংবা বিদ্যুৎ সেক্টরকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আয়োজিত এক চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্র পেয়েছে। পেয়েছে দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন, ভঙ্গুর শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা। সেই অবস্থা থেকে সরকার সফলভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতেও রাষ্ট্র রাজনীতি শ বাকি অংশ পড়ুন...
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকার তেজগাঁও ভূমি ভবনের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের কেন্দ্রীয় সেমিনার হলে সদ্য যোগ দেয়া পেশকার পদের কর্মচারীদের অভিষেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক মুহম্মদ আবুল হাছানাত। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মুহম্মদ মিজানুর রহমান মিনু।
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘কোনো ধরনের তদবির ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচ করে চাকরি পাওয়ার অভিজ্ঞতা সত্যিই মুগ্ধকর। বিগত ২০ বছর বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার (২৪ জুলাই) ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’ উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ থেকে দেশী-বিদেশী কুফরী শক্তি, ইহুদী-খ্রিস্টান-মুশরিক সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের এদেশীয় দালালদের ভয়াবহ চক্রান্তের বিরুদ্ধে কঠোর ঘোষণা প্রদান করা হয়েছে।
সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি নি¤েœাক্ত দাবি পেশ করা হলো:
১. দেশবিরোধী চুক্তি ও অধ্যাদেশ বাতিল এবং কুশীলবদের ফাঁসির দাবি:
দালাল, সমকামী-লাওওয়াত্ব ও সুদখোর ইউনূস প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত আমেরিকার সাথে দাসত্বমূলক বাণিজ্য চুক্তি, স্টারলিংক চুক্তি, বোয়িং, গম, সয়াবিন তেল, তুলা ও এলএনজি আমদানির স্বার্থবিরোধী বাকি অংশ পড়ুন...
‘যা কিছু কালো’ তার সাথে ‘প্রথম আলো’। যদিও ‘প্রথম আলো’ মুনাফেকী করে প্রচার করে ‘যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো’। আসলে দিন দিন মুনাফেকী প্রকাশ এবং প্রমাণের পর ‘প্রথম আলো’ না বলে ‘প্রথম কালো’ বলাই যুক্তিযুক্ত।
গত ১৩ই মে প্রথম আলো সংবাদ শিরোনাম করেছে- ‘প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প’
যুক্তি হিসেবে বলেছে- এই প্রকল্পের ফলে ভারতের কাছে গঙ্গার হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টার আর সুযোগ থাকবে না। কারণ, ভারত জানাবে যে পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
গতকাল ৮ই জুলাই, ২০২ বাকি অংশ পড়ুন...
‘যা কিছু কালো’ তার সাথে ‘প্রথম আলো’। যদিও ‘প্রথম আলো’ মুনাফেকী করে প্রচার করে ‘যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো’। আসলে দিন দিন মুনাফেকী প্রকাশ এবং প্রমাণের পর ‘প্রথম আলো’ না বলে ‘প্রথম কালো’ বলাই যুক্তিযুক্ত।
গত ১৩ই মে প্রথম আলো সংবাদ শিরোনাম করেছে- ‘প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প’
যুক্তি হিসেবে বলেছে- এই প্রকল্পের ফলে ভারতের কাছে গঙ্গার হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টার আর সুযোগ থাকবে না। কারণ, ভারত জানাবে যে পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
গতকাল ৮ই জুলাই, ২০২ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেছেন, উন্নত পল্লী ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয় এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অগ্রগতি।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। কিন্তু শহরকেন্দ্রিক উন্নয়ন ও সীমিত বিকেন্দ্রীকরণের কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো ও উন্নয়নে কাক্সিক্ষত অগ্রগতি হয়নি।
প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
রা বাকি অংশ পড়ুন...
৫০ লক্ষাধিক বিশাল সমন্বিত সামরিক বহরের জন্য যে আধুনিক, এআই-চালিত এবং ত্রিমাত্রিক ‘সার্ভে ও নজরদারি’ নেটওয়ার্কের প্রয়োজন, তা রাতারাতি শূন্য থেকে গড়ে তোলা কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার আর্কিটেকচার প্রয়োজন। এই বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এশিয়ার তিনটি উদীয়মান ও পরীক্ষিত সামরিক-প্রযুক্তি পরাশক্তি-তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান-এর কাছ থেকে কৌশলগত কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা ও জাতীয় নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে চলমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বহুমুখী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। গতকাল জুমুয়াবার বাদ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ ফালইয়ারাহু চত্ত্বরে জুলুশ শেষে এই সমাবেশ করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরার এক গভীর নীল নকশা চলছে। একদিকে দেশের সম্পদ ও বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহল ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা দেশের ভে বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক রণকৌশল ও ভূ-রাজনীতিতে সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব কেবল সৈন্যসংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, বরং তা নির্ধারিত হয় প্রযুক্তির উৎকর্ষ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের নিখুঁত প্রয়োগের মাধ্যমে। যেকোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অখ-তা রক্ষা এবং যেকোনো রূপ বাহ্যিক বা পরোক্ষ চক্রান্ত নস্যাৎ করতে একটি শক্তিশালী, আধুনিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে স্বাবলম্বী সশস্ত্র বাহিনী থাকা অপরিহার্য।
বর্তমান বিশ^ সামরিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের চারপাশের কৌশলগত নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুন স্তরে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে স্পারসোর কার্যালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান স্পারসোর কার্যালয় ঘুরে দেখেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি বিভাগ পরিদর্শন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্পার বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশের ভৌগোলিক অখ-তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার মূল চালিকাশক্তি হলো তার সশস্ত্র বাহিনী। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাংক এবং ভারী সাঁজোয়া যানের ভূমিকা অপরিসীম, আর এই হুমকি মোকাবেলায় পদাতিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল বা এটিজিএম।
এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানগত ও কৌশলগত সংশোধন প্রয়োজন। বিভিন্ন বৈশি^ক সামরিক সূচক ও সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান সক্রিয় সামরিক সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষের কাছাকাছি (সংরক্ষিত ও আধাসামরিক বাহিনীসহ এই সংখ্যা সাড়ে ৪ থেকে ৫ লক্ষের মতো হতে পারে) বাকি অংশ পড়ুন...












