SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সূরা%' OR titleBn LIKE '%সূরা%' OR descriptionEn LIKE '%সূরা%' OR descriptionBn LIKE '%সূরা%' OR slug LIKE '%সূরা%' OR metaTag LIKE '%সূরা%' OR metaDescription LIKE '%সূরা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
খাবারে পাত্র চেটে পরিস্কার করে খাওয়ার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক:
খাবার গ্রহণের মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ রয়েছে। বাসনে খাবার নেয়ার পর অনেকেই তা সম্পূর্ণ খায় না। কথিত সৌজন্যতা বা কথিত সামাজিকতা কিংবা কথিত আত্ম-সম্মানবোধের কারণ দেখিয়ে বাসনে কিছু খাবার রেখে দেয়, যা সম্মানিত দ্বীন ইসলামে কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোন অবস্থাতেই খাবার নষ্ট করা যাবে না।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا ۚ إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴿٣١﴾
অর্থ: তোমরা খাও ও পান কর এবং অপচয় করো না। তিনি (মহান আল্লাহ প বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবরক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারারা চেয়ে থাকে কিভাবে মুসলমানদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানানো যায়।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ)
বর্তমান যামানায় সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস হচ্ছে ছবি এবং বেপর্দা। যে ব্যক্তি এ দুটোর মধ্যে মশগুল হয়ে যাবে, সে পবিত্র ঈমান এবং সম্মানিত ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে। তার দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কাজ করা কস্মিনকালেও সম্ভব হবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করুন, খালিছ তওবা নছীব না হলে তার জন্য বেঈমান হয়ে মারা যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
আর এজন্যই ম বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবিক
পবিত্র নামায আদায়ের সুন্নত তরীক্বা
যেকোনো নেক আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করা হোক না কেনো, তা সুন্নত মুতাবিকই করা উচিত এবং সুন্নত মুতাবিক করলেই সে আমল বা ইবাদত-বন্দেগীর পূর্ণ ছওয়াব লাভের আশা করা যায়। অন্যথায় সুন্নত পরিত্যাগ করে অথবা সম্মানিত সুন্নত উনার খিলাফ কোনো আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করলে ছওয়াবের পরিবর্তে পাপের ভাগী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।
কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের মধ্যে এমন কোনো ইবাদত নেই, যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মু’মিনদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার ইহসান মুবারক যে, তিনি তাদের জন্য মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রেরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, সেখানে কিন্তু কখনোই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক ধরে সম্বোধন করেননি। উনারা এভাবে বর্ণনা করেছেন-
(১)قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(২)قَالَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(৩)سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ
(৪)سَـمِعْتُ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ
উনারা কিন্তু বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কখনোই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ
অর্থ: “অবশ্যই আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই একজন সম্মানিত রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ করেছি এই জন্য যে, যেন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করো এবং তাগুত (মূর্তিপূজা বা কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ) থেকে দূরে থাকো।” (পবিত্র সূরা নহল: আয়াত শরীফ ৩৬)
বাকি অংশ পড়ুন...












