SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সিরিজ%' OR titleBn LIKE '%সিরিজ%' OR descriptionEn LIKE '%সিরিজ%' OR descriptionBn LIKE '%সিরিজ%' OR slug LIKE '%সিরিজ%' OR metaTag LIKE '%সিরিজ%' OR metaDescription LIKE '%সিরিজ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণে সৃষ্ট ট্রলি সংকট সামলাতে মেরামত ও নতুন সরবরাহের মাধ্যমে ৫০০টি ট্রলি বহরে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ১ হাজার ট্রলির সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ট্রলির সঠিক বণ্টন নিশ্চিতে বিশেষ টিমের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতি শিফটে তদারকি চলছে।
লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে এয়ারলাইনস এবং চুরি বা হয়রানির শিকার হলে ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে। প্রয়োজনে সিসিটিভি ও বডি ওর্ন ক্যামেরা দেখে অপরাধীদের ব বাকি অংশ পড়ুন...
একসময় ধীরগতির ড্রোনকে আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য তুলনামূলক সহজ লক্ষ্য হিসেবেই দেখা হতো। কিন্তু সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে ইরানের শাহেদ সিরিজের ড্রোনের নতুন সংস্করণ। পুরোনো শাহেদ-১৩৬ এর নতুন ভার্সন শাহেদ-২৩৮ গতি বাড়িয়ে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যাকে শনাক্ত করা থেকে শুরু করে ধ্বংস করা পর্যন্ত কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রতিপক্ষকে।
২০২৩ সালের নভেম্বরে ইরানের শাহেদ এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিজ প্রথমবার উন্মোচন করে শাহেদ-২৩৮। ২০২৫ সালের শেষ দিকে এটি সীমিত পরিসরে উৎপাদনে যায়। এরপর ওই বছর ১২ দিনের যুদ্ধে প্রথমবার ব্যবহারের পর চলতি বাকি অংশ পড়ুন...
২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস,
নগরনো-কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে বৈরী প্রতিবেশী আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে আজারবাইজান। এ যুদ্ধে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান না থাকা আজারবাইজানের মূল হাতিয়ারই ছিল তুরস্ক থেকে কেনা অত্যাধুনিক সব ড্রোন; যার সাহায্যে আর্মেনিয়ার আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধবংস করে দিয়ে আকাশপথে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নেয় দেশটি। আজেরি ড্রোনের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমায় বিদ্ধস্ত হয় আর্মেনিয় সেনাবাহিনীর অসংখ্য সাঁজোয়া যান, ট্যাঙ্ক ও গোলন্দাজ ইউনিট।
তাছাড়া, ড্রোন শুধু আঘাতই হানে না, নজরদারির মাধ বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়া ইউক্রেন সংঘাত, কারাবাও যুদ্ধ এবং মধ্যাংচাচোর সাম্প্রতিক সামরিক বাস্তবতা প্রমাণপ করেছে যে একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধক্ষেত্রে প্রয়াগ পদাতিক ও আর্মার্ড ডভিশনের পাশাপাশি আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেমস (টঅঝ) বা ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধ জয়ের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। একটি ৫০ লক্ষাধিক সদস্যের সুবিশাল প্রতিরক্ষা কাঠামোর প্রেক্ষিতে প্রথাগত আর্টিলারি বা পদাতিক বাহিনীর মতো ড্রোন যুদ্ধ পরিচালনার জন্য একাধিক বিশেষায়িত এবং স্বতন্ত্র ড্রোন রেজিমেন্ট (উবফরপধঃবফ খঅঠ উৎড়হব জবমরসবহঃ) গড়ে তোলা কেবল সময়োপযোগী নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবেদন মতে, ইরানের শাসক মহলের ঘনিষ্ট একজন জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার সম্ভাবনা পর্যালোচনা করেছে ইরানি বাহিনী। এর মধ্যে বুলগেরিয়ার বেজমের বিমানঘাঁটিও রয়েছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানকে ওই ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় বুলগেরিয়া।
অন্য একজন জানিয়েছেন, সাইপ্রাসও সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার তালিকায় রয়েছে। গত মার্চে সাইপ্রাসে থাকা একটি ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়েছিল। ইরানি বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রতলের ফাইবার-অপটিক কেবলগুলোতেঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সৌদি আরবে বিএমডব্লিউর কিছু মডেলে বড় ধরনের নির্মাণ ত্রুটি ধরা পড়েছে। এর ফলে দেশটিতে হাজার হাজার গাড়ি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু করেছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
গত ৩১ জুলাই গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চালকের আসনের ওয়্যারিং হারনেসে একটি ত্রুটির কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ৫০০টিরও বেশি বিএমডব্লিউ গাড়ি প্রত্যাহার করেছে। এই ত্রুটির ফলে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হতে পারে, যা ধোঁয়া নির্গমন বা গাড়িতে আগুন লাগার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এই প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর রণকৌশলে প্রথাগত বা কনভেনশনাল সমরাস্ত্রের চেয়ে ইলেকট্রনিক লজিস্টিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) এবং ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো দেশের ভূ-রাজনৈতিক অখ-তা রক্ষা এবং বিশাল সামরিক বাহিনীর কার্যকারিতা ধরে রাখতে এই প্রযুক্তিগুলোর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশাল ভূখ-, সীমান্ত এবং সমুদ্রসীমার সুরক্ষায় নিয়োজিত সম্ভাব্য ৫০ লক্ষাধিক বৃহৎ সমন্বিত প্রতিরক্ষা বহরের জন্য লয়টারিং মিউনিশন মোবাইল বাডার, জ্যামিং সিস্টেম এবং অ্যান্টি-ড্রোন লেজার গানের প্রয়োজনীয়তা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দা বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পর জন্ম হয় স্বাধীন বাংলাদেশের। তার ঠিক ৩ মাস পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়। এটিই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক নোট।
স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র। ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়।
১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণ বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত মানচিত্র আমূল বদলে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দথেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য কিংবা ককেশাস অঞ্চলের সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো প্রমাণ করেছে যে, প্রথাগত ভারী এবং ব্যয়বহুল সামরিক হার্ডওয়্যারের চেয়ে সাশ্রয়ী, নিখুঁত ও প্রযুক্তি-নির্ভর ‘লয়টারিং মিউনিশন’ এবং ‘আত্মঘাতি ড্রোন’ বা কামিকাজে ড্রোন এখন যুদ্ধ জয়ের প্রধান চালিকাশক্তি। বিশেষ করে নদীমাতৃক এবং ঘনবসতিপূর্ণ ভূপ্রকৃতির বাংলাদেশে যেকোনো সম্ভাব্য বহিঃশত্রুর আগ্রাসন নস্যাৎ করতে এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি অজেয় শক্তিতে রূপান্তর করতে ড্রোন ঠবাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল স্থল, আকাশ বা সমুদ্রসীমার শক্তিমত্তা দিয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অসম্ভব। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার’ (Network-Centric Warfare), যেখানে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তি হলো যেকোনো বৃহৎ সামরিক বাহিনীর মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে রিজার্ভ, আধাসামরিক (যেমন বিজিবি, আনসার) এবং মূল বাহিনী মিলিয়ে যদি একটি বিশাল বহরের সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্ট্র্যাà বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা : ভূরাজনীতি এবং সমরবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নিয়ম হলো, একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা, ভৌগোলিক গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে তার বাহ্যিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বলয়কেও এত বেশি শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন তার ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে পরাশক্তিগুলোর আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে তখন জনসংখ্যার সমীকরণ মাথায় রেখে সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতি ঢেলে গাজানো আবশাক। ৫১ কোটি জনসংখ্যার জন্য এই ভূখ- এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গোপসাগরের একচেটিয়া নৌসীমা সুরক্ষায় নূন্যতম ৫ বাকি অংশ পড়ুন...












