আসেন সাইয়্যিদুনা
আশিক তাই দিওয়ানা -ইশকে ফানা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
সারা জাহানে আলোকি সাজ সাজ
সাত আসমানে শাহী কারুকাজ
সকল জবানে আজ
ছন্দে ছন্দে রেওয়াজ -পাক ছানা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
কোন দিগন্তে হাসেন রাঙ্গা রবি
এ যেন হাসনাইন প্রতিচ্ছবি
বেশাক আল আরাবী
নকশায়ে হাবীবী -নূর নিশানা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
শাহানশাহ শাহযাদা সেরা সুলতান
ধরণীর বুকে আহলান ওয়া সাহলান
আপনি মোদের ঈমান
মহান মুর্শিদ ফরমান -এই ঘোষণা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
কত রজনী এসেও চলে যায়
ঘুমন্ত গাফিল থাকেনা সিজদায়
তবু এই কাছীদায়
এঁকেছি মোর সিনায় - বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার একটা মৃত কানকাট বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদ সিতারা!
শাহ মুজিরা!
আরাবী সাহারা!
সেরা সেরা বুশরা!
মদীনাওয়ালী জান্নাতি লালি
নাযিল করেন নাজাতি ডালি
ছল্লু আলা ছল্লু আলা
ছল্লু আলা মাওলা
গোলামকে বানান শক্তিশালী
রাখেন না কারও হাত খালি
ছানী কুবরা
প্রাণের পেয়ারা
সাজান শাহী হুজরা
সেরা সেরা বুশরা
নূরানী আক্বা নও মালিকা
কদমে ফিদা সব সালিকা
ছল্লু আলা ছল্লু আলা
ছল্লু আলা মাওলা
দিদারে আসে নূর জীবিকা
দিলে মিলে যায় ধামাকা
খুশির ধারা
খুশির নারা
খুশি সীমা ছাড়া
সেরা সেরা বুশরা
তাশরীফে জাহান হয় ভাগ্যবান
বুলন্দ স্বরে আহলান সাহলান
দিল খুলে স্বাগতম আম্মাজান
হামেশা আনন্দে আশ বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) হযরত ইবনে হিব্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
أهل الحجاز يطلقون كذب في موضع أخطا
অর্থ: হেজাযের লোকেরা خطاء এর স্থলে কখনো কখনো كذب শব্দ ব্যবহার করে। (মুকাদ্দিমা ফতহুল বারী ৪২৬)
এখন রাবীদের ব্যাপারে ‘কিযব’ বা মিথ্যাবাদী শব্দ দেখে পবিত্র হাদীছ শরীফ বাদ দিয়ে দেয়ার আগে বিভিন্ন স্থান ভেদে ইমামদের প্রচলিত ভাষা সম্পর্কেও যথেষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে।
রিজাল শাস্ত্রের ইমাম উনাদের এধরনের আরো অনেক ব্যাখ্যামূলক ভাষা রয়েছে। যার সম্পর্কে পূর্ণ ইলিম না থাকলে ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে। এ কারণে হযরত আব্দুল হাই লখনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন-
ول বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরণী ওয়াক্বিয়া মুবারক
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হিজরত মুবারক উনার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে একখানা শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি (বা কা-) মুবারক-এ হেলান মুবারক দিয়ে মহাসম্মানিত খুুতবা মুবারক দিতেন, মহাসম্মানিত ওয়ায-নছীহত মুবারক করতেন। একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু ছিলেন, যিনি কাঠের কাজ করতেন। একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ ত বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক উনার মধ্যে দাখিল করে নেন। ” (পবিত্র সূরা ফাতাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৫)
মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে আখাচ্ছুল খাছভাবে র বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
ইলিমদার মুসলমান জানেন যে, পাঁচ রাতে দোয়া কবুল হয়। পবিত্র শবে বরাত শরীফ, পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ এবং পবিত্র দুই ঈদের দুই রাত বাদে যে মহান রাতটি ব্যতিক্রম তা হলেন পবিত্র ১লা রজবুল হারাম শরীফ উনার রাত। কিন্তু তার অন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নূরুর রহমত মুবারক:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সারা কায়িনাতের জন্য সম্মানিত রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭)
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মূল রহমত মুবারক। তিনি সারা আলমের জন্য রহমতস্বরূপ। আর রহমত মুবারক প্রকাশিত হওয়ার মূল কেন্দ্র মুবারক হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় পবিত্র কালাম পাক উনার অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে বান্দা-বান্দীদের কাজ-কর্ম সম্পাদন করার ব্যাপার তাড়াহুড়া করতে নিষেধ করেছেন। বরং চিন্তা-ভাবনা করে ধীরস্থিরতা ও সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْاٰنِ
অর্থ : পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করো না। (পবিত্র সূরা ত্বহা : আয়াত শরীফ ১১৪)
স্মরণীয় যে, পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের নুযূল খাছ কিন্তু হুকুম ‘আম (ব্যাপক) অর্থাৎ কিয়ামত পর্যন্ত। এছাড়া বাকি অংশ পড়ুন...












