SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সাক্ষ্য%' OR titleBn LIKE '%সাক্ষ্য%' OR descriptionEn LIKE '%সাক্ষ্য%' OR descriptionBn LIKE '%সাক্ষ্য%' OR slug LIKE '%সাক্ষ্য%' OR metaTag LIKE '%সাক্ষ্য%' OR metaDescription LIKE '%সাক্ষ্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্রতম কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
إِن تَمْسَسْكُمْ حَسَنَةٌ تَسُؤْهُمْ وَإِن تُصِبْكُمْ سَيِّئَةٌ يَفْرَحُواْ بِهَا وَإِن تَصْبِرُواْ وَتَتَّقُواْ لاَ يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا إِنَّ اللّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌঅর্থ: মুসলমানদের ভালো কিছু ঘটে থাকলে তখন কাফিররা কষ্ট পায়। আর মুসলমানদের যদি কোন ক্ষতি হয় তখন কাফিররা খুশি প্রকাশ করে। এ অবস্থায় যদি ঈমানদারগণ ধৈর্য্যধারণ করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে তবে কাফিরদের প্রতারণায় ঈমানদারদের কোনই ক্ষতি হবে না। নিশ্চয়ই কাফিররা যাই করুক না কেন সমস্ত কিছুই মহান আল্লাহপাক উনার করায়ত্তে রয়েছে। (পবিত্র সূরা আল ইম বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি কেবল সাংবিধানিক প্রধানই নন, তিনি জাতীয় ঐক্য, রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের প্রতীক। এমন একটি পদে এমন ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন, যার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় দেশপ্রেম, নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। সেই বিবেচনায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হতে পারে।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ একাধারে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতা। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ¯স্নাতকোত্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গুমের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদ- এবং অর্থদ-ের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ আমির আল ফাসিক্ব ছিলো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার ‘আউস’ গোত্রের সাবেক নেতা এবং খাযরাজ গোত্রেও তার প্রভাব ছিলো। এক বর্ণনা মতে, সে ছিলো মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলুলের মামা। সে হুনাইনের জিহাদ মুবারক শেষে সব দিক থেকে ব্যর্থ ও নিরাশ হয়ে ৮ম হিজরী শরীফ উনার শেষ দিকে শাম (সিরিয়া) অভিমুখে পাড়ি জমায়। সেখানে গিয়ে সে ‘নাছারা’ হয়ে যায় এবং রোমের শাসককে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমণের জন্য প্ররোচনা দিতে থাকে। এই উদ্দেশ্যে সে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থানরত মুনাফিক্বদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগায বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি এ স্থানে অবস্থান করুন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে আপনার খরচের জন্য কিছু নিয়ে আসছি। আর আমার এই কাপড়খানা আপনার নিকট রেখে যাচ্ছি, আমার ও আপনার মধ্যে ওয়াদার সাক্ষ্য হিসাবে। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও আপনার মধ্যে কোন ওয়াদার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় না, আজকে দিনের পর আমাকে আবার পাবেন। খরচা দিয়ে আমার কি হবে? কাপড় দিয়েই বা আম বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
এই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
وواقعة الرفاعي رحمه اللّه مشهورة متواترة حينما زار قبره الشريف وقال بحضور جماعة لا يحتمل تواطؤهم على الكذب
অর্থ: আর হযরত রেফায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘটনা মুবারক মশহূর, সুপরিচিত এবং মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তিনি যখন পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করে কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন তখন এতসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন যে, যাদের একত্রে মিথ্যার উপর একমত হওয়া অকল্পনীয় বিষয়। (আল হাওঊ ফী তাফসীরিল কুরআনিল কারীম ৬৮৯/৯৪)
এই ঘটনা দ্বারা বাস্তবিকপক্ষেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...
এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, সেখানে কিন্তু কখনোই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক ধরে সম্বোধন করেননি। উনারা এভাবে বর্ণনা করেছেন-
(১)قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(২)قَالَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(৩)سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ
(৪)سَـمِعْتُ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ
উনারা কিন্তু বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কখনোই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ বা আত্তাহিয়্যাতু
اَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّـبَاتُ. اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ اَيُّـهَا النَّبِىُّ وَرَحْـمَةُ اللهِ وَبَـرَكَاتُهٗ. اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِـحِيْنَ. اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُـحَمَّدًا عَـبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ.
অর্থ : সমস্ত সম্মান, সর্বপ্রকার মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ইবাদত এবং সমস্ত পবিত্র বিষয় মহান আল্লাহ তায়ালা উনারই জন্য। হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার উপর শান্তি, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার বরকত বর্ষিত হোক এবং (আপনার উসীলায়) আমাদের ও মহান আ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি এ স্থানে অবস্থান করুন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে আপনার খরচের জন্য কিছু নিয়ে আসছি। আর আমার এই কাপড়খানা আপনার নিকট রেখে যাচ্ছি, আমার ও আপনার মধ্যে ওয়াদার সাক্ষ্য হিসাবে। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও আপনার মধ্যে কোন ওয়াদার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় না, আজকে দিনের পর আমাকে আবার পাবেন। খরচা দিয়ে আমার কি হবে? কাপড় দিয়েই বা আমা বাকি অংশ পড়ুন...












