SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শরবত%' OR titleBn LIKE '%শরবত%' OR descriptionEn LIKE '%শরবত%' OR descriptionBn LIKE '%শরবত%' OR slug LIKE '%শরবত%' OR metaTag LIKE '%শরবত%' OR metaDescription LIKE '%শরবত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বাজারে এখন নানা জাতের সুমিষ্ট আম পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অনেকেই আমকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। কিন্তু যারা ওজন কমাতে চান, তারা সংশয়ে ভোগেন আম বেশি খেলে ওজন বেড়ে যাবে কি না।
আমে ক্যালরির পরিমাণ:
একটি সাধারণ আমে ক্যালরির পরিমাণ প্রায় ১৫০। শর্করা ৩৩.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৮ মিলিগ্রাম, লৌহ ২.৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ৫০০০ মাইক্রোগ্রামের ওপর। আঁশ আছে প্রচুর, ৭ গ্রামের বেশি। পটাশিয়াম ১৯৬ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৩০২ মিলিগ্রাম, লাইকোপেন ২২.৩ মিলিগ্রাম।
আম খেলে কি ওজন বাড়বে?
আমে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ঢাকার কারওয়ান বাজারে বাঁশের ঝুড়িতে স্তূপ করে রাখা কালো-বেগুনি রঙের জাম। কোথাও মানুষ হাত দিয়ে বেছে নিচ্ছেন পাকা ফল, কোথাও পিষে বের হচ্ছে গাঢ় বেগুনি রস। কিছু দূরে চোখে পড়ে আরেক দৃশ্য-এক ঝুড়ি ভরা গোলাপি-রঙা বিচির স্তূপ। কাছে যেতেই বিষয়টা আরও পরিষ্কার হলো। সাজিয়ে রাখা হচ্ছে জামের রসের ব্যাগ, অন্যদিকে জমা হচ্ছে বিচি। যেন একটি ফলের দুই ভিন্ন পরিণতি। এসব জামের রস পাড়ি জমায় বিদেশে, আর বিচি থেকে যায় দেশের মাটিতে। তবে সেই বিচিও ফেলনা নয়; এরও গড়ে উঠেছে আলাদা বাজার।
বর্ষা মৌসুম এলেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল-রাজশাহী, নাটোর, যশো বাকি অংশ পড়ুন...
ডেঙ্গু জ্বর হলে শরীরের ওপর একসঙ্গে নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়। উচ্চ জ্বর, শরীরব্যথা, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা এবং পানিশূন্যতার কারণে অনেকেই স্বাভাবিকভাবে খেতে পারেন না। এমন অবস্থায় ওষুধের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পুষ্টিকর খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে, শক্তি ফিরিয়ে আনতে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করে। তাই ডেঙ্গুর সময় কী খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
* ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল:
ডেঙ্গুর সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি প্রয়োজন। এই ভিট বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসের উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ ‘পবিত্র আশূরা’ শরীফ উনার দিনটি। বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি প্রকাশ্যে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর উম্মু আবীহা আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায় দেড় বছর দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্ বাকি অংশ পড়ুন...
৪) পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা:
গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
مَنْ مَّسَحَ فِيْهِ عَلٰى رَأْسِ يَتِيْمَ وَاَطْعَمَ جَائِعًا وَسَقٰى شَرْبَةً مِّنْ مَّاءٍ أَطْعَمَهُ اللهُ مِنْ مَّوَائِدِ الْـجَنَّةِ وَسَقَاهُ مِنْ الرَّحِيْقِ السَّلْسَبِيْلِ.
অর্থ : “পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন কোন মুসলমান যদি কোন ইয়াতীমের মাথায় হাত স্পর্শ করে, কোন ক্ষুধার্তকে খাদ্য খাওয়ায় এবং কোন পিপাসার্তকে পানি বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী ৬১ সন, পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ দশ তারিখ রাত্রি বেলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত সফর সঙ্গী উনাদের সবাইকে একত্রিত করলেন এবং বললেন, আমার প্রিয় সাথীরা! আমি আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিকভাবে সন্তুষ্ট। আমি আপনাদেরকে অনুমতি মুবারক দিচ্ছি যে, আজ রাতে আপনারা যে যেদিকে পারেন চলে যান। এসব ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর লোকেরা আমার পবিত্র রক্ত পিপাসু। এরা একমাত্র আমার পবিত্র রক্তেই পরিতৃপ্ত হবে। আপনারা চলে যা বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহী সংবাদদাতা:
টানা কয়েকদিনের প্রখর রোদ, গরম বাতাস ও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে নগর ও গ্রামের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাজশাহী অঞ্চলে চলতি মৌসুমে একাধিকবার তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। গত মে মাসে মৌসুমের অন্যতম সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরই মধ্যে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। রাজশাহীতেও আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বৃ বাকি অংশ পড়ুন...
১. ছারীদ (ثَرِيْدٌ)
২. গোশত (لَـحْمٌ) লাহমুন
৩. শুকনা গোশত (لَـحْمٌ مُصْلَحٌ/اللحوم الـجافة/لَـحْمٌ قَدِيْدٌ)
৪. সামুদ্রিক মাছ
৫. ডিম (بَيْضٌ) বাইদ্বুন
৬. যব ( الشَّعِيْر)
৭. তালবীনাহ (اَلتَّلْبِيْنَةُ)
৮. হাইস (حَيْسٌا)
৯. হারীসাহ্ (هَرِيْسَة)
১০. ছাতু (فَاجْدَحْ) ফাজদাহ
১১. যবের রুটি (خُبْزُ الشَّعِيْرِ) খ্বুবযুশ শা‘য়ীর
১২. গমের রুটি/ লাল আটার রুটি (الـحِنْطَةٌ/خُبْزٌ الْبُرِّ) খ্বযুল হিনত্বহ
১৩. রুটি-গোশত
১৪. রুটি-খেজুর
১৫. সিরকা (خَلٌّ) খ্বল
১৬. জয়তুন/ জয়তুনের তেল
১৭. কদু (اَلدُّبَّاءُ) দুব্বা
১৮. পিঁয়াজ (الثُّومَ) ছূম ও রসুন (الْبَصَلَ) বাছাল
১৯. আদা (زَنْـجَبِيْلٌ) যাঞ্জাবীল
২০. মেথি (الْـحُلْبَةِ) হুলবাহ্
২১. কাল বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে সাইয়্যিদাতুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামুল মুহাদ্দিসীন, ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার কিতাব মুতালায়াহ করার সময় পিপাসিত হয়ে যান। উনার হুজরা শরীফের পাশেই এক ব্যক্তি শরবত বিক্রি করতো। তিনি পানি পিপাসা নিবারনের জন্য শরবত ওয়ালাকে গিয়ে বললেন- ভাই শরবত ওয়ালা, তুমি আমাকে এক গ্লাস শরবত পান করাও, এর বিনিময়ে আমি তোমাকে একটি জরুরী মাসয়ালা শিক্ষা দিব। শরবত ওয়ালা বললো- মাসয়ালার বিনিময়ে আমার শরবত বিক্রি হয়না, আমার শরবত পান করতে হলে পয়সা লাগবে। হযরত ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট যেহেতু কোন পয়সা ছিলনা, সেহেতু তিনি শরবত পান না করেই বাকি অংশ পড়ুন...












