SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শতকের%' OR titleBn LIKE '%শতকের%' OR descriptionEn LIKE '%শতকের%' OR descriptionBn LIKE '%শতকের%' OR slug LIKE '%শতকের%' OR metaTag LIKE '%শতকের%' OR metaDescription LIKE '%শতকের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
চিত্র-০১: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসেবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থান:
মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুনার বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বিভিন্ন কারণে সীমাহীন বরকতময়। একদিক থেকে এ মাস হচ্ছেন ৪টি হারাম মাস উনাদের মধ্যে অন্যতম ১টি হারাম বা সম্মানি বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তাদের কাছে যে কিতাব আছে তার সত্যায়ণকারী স্বরূপ আমি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি হিফাযতকারীরূপে। অতঃপর আপনি তাদের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব অনুসারে ফায়ছালা করুন। আপনার কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে অর্থাৎ আহত অবস্থায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা আরয করলেন উনার পরবর্তী খলীফা মনোনীত করার জন্য। তখন তিনি বললেন, আমি ছয় জনের সম্মানিত নাম মুবারক ঘোষণা করে যাচ্ছি। উনাদের মধ্য হতে যে কোনো একজনকে তিন দিনের মধ্যে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখিত ছয়জন হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুন বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্যের কার্পেটকে সাধারণত ঐতিহ্য, কারুশিল্প, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যদিও এসব বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবুও এগুলো পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না কেন এই কার্পেটগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে সাড়া জাগায়, বিশেষ করে এমন এক বৈশ্বিক সমসাময়িক দর্শকের কাছে, যারা কালজয়ী শিল্পের প্রতি ক্রমেই বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে।
হাতে বোনা পারস্যের কার্পেটকে বিশেষ করে তোলে শুধু এটি তৈরিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে নয়; বরং সময় নিজেই এর গঠনপ্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। শিল্পোৎপাদিত পণ্যের বিপরীতে, কার্ বাকি অংশ পড়ুন...
লোহার তৈরি কোনো বস্তু খোলা আকাশের নিচে বছরের পর বছর থাকলে তাতে মরিচা ধরবে- এটাই স্বাভাবিক। বৃষ্টি, বাতাসের আর্দ্রতা ও অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে লোহা। কিন্তু ভারতের রাজধানী দিল্লির কুতুব মিনার চত্বরে মিনারের পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি লৌহস্তম্ভ যেন প্রকৃতির এই চিরচেনা নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এসেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী।
ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত কুতুব মিনার কমপ্লেক্সে অবস্থিত প্রায় ৭ দশমিক ২ মিটার উঁচু এই লৌহস্তম্ভ প্রায় ১ হাজার ৬০০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এত দীর্ঘ সময় বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
আগ্রা লাল কেল্লার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহাসিক মতি মসজিদ। বাদশাহ আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার শাসনামলের শুরুর ভাগে এটি নির্মাণ করেন। ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। তিনি উনার শাসনকালের প্রথম ২৩ বছর দিল্লিতে অবস্থান করেন।
এ সময় মতি মসজিদ ছিলো উনার ব্যক্তিগত মসজিদ। ১৬৮১ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহ দমনের জন্য তিনি দিল্লি ত্যাগ করেন। এরপর আর কখনোই উনার দিল্লি ফেরা হয়নি। মসজিদটি নির্মাণ করতে ৫ বছর সময় এবং এক লাখ ৬০ হাজার রুপি ব্যয় হয়েছিলো।
এটাই ছিলো আগ্রা কেল্লার অভ্যন্তরে নির্মিত প্রথম মসজিদ। ঐতিহাসিকরা লেখেন, ব বাকি অংশ পড়ুন...
জাহাজগুলো থাকতো অতিরিক্ত যাত্রীতে ঠাসা:
জাহাজগুলো যথাযথভাবে পরীক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ ও জনবলও ছিলো না। তার ওপর জাহাজগুলো থাকতো অতিরিক্ত যাত্রীতে ঠাসা। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র মতো পত্রিকাগুলোতে হাজিদের দুরবস্থার বর্ণনা করে নানা রকম চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশিত হতো তখন।
এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ভারত সরকার ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৩ সাল পর্যন্ত টমাস কুক কোম্পানিকে হজের জন্য সরকারি ভ্রমণ এজেন্ট হিসেবে নিযুক্ত করে। তবে হজ ভ্রমণে মুনাফা না থাকার অভিযোগ তুলে কোম্পানিটি এ সেবা বন্ধ করে দেয়। এরপর ভারতীয় হাজিরা আবার ব্রিটিশ ও ভারতীয় বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা:
উমাইয়াদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির অনেক উন্নতি সাধিত হয়। উমাইয়া শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক বই পুস্তক আরবীতে অনূদিত হয়। জ্যোতির্বিদ্যা, ক্ষেত্র তত্ত্ব, চিকিৎসা, বীজগণিত, নৌ-চালনা, ভূগোল প্রভৃতি বিষয়ের উন্নতির সূচনা করে উমাইয়া শাসকরা।
আব্বাসীয় শাসকদের অবদান:
আব্বাসীয় যুগকে শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়। শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায়ই তাদের অবদানে সমৃদ্ধ। আব্বাসীয় আমলে সালতানাতের সকল অঞ্চলে অসংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভায় উচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
একদম শুরুতে এখানকার মানুষ কোনপথে হজে যেতেন সে বিষয়ে জানা যায়না। জাহাজের আগে হয়ত মানুষ পায়ে হেঁটে, উট-গাধার পিঠে চড়ে যেতেন হজে। কিন্তু গণহারে যাওয়া শুরু হয় জাহাজেই। লিখিত ইতিহাস তা-ই বলে।
এছাড়া, ভারতের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল দিয়ে স্থলপথটি ছিলো দীর্ঘ, কষ্টকর ও বিপদসংকুল। আবার আরবরা ছিলেন ব্যবসায়ী। তারা পালতোলা জাহাজে করে সাগরপথে বিশ্বের বিভিন্নপ্রান্তে যাওয়া-আসা করতেন।
এশিয়ার পূর্বদিকে আসা-যাওয়ার পথে তারা অবস্থান (বিশ্রাম) করতেন চট্টগ্রাম বন্দরে। এখান থেকে তারা অন্যত্র যাতায়াত করতেন। পরবর্তীতে এখানেও এসেছেন বাণিজ্যিক কারণে। বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ার আস্ট্রখান ওব্লাস্ট অঞ্চলের বিস্তীর্ণ মরু প্রান্তরের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ চোখ আটকে যেতে পারে বিশালাকৃতির এক লাল ইটের দালানের দিকে। ২০ তলা ভবনের সমান উঁচু এই কাঠামোটি আসলে একটি বাতিঘর। সাধারণত সমুদ্র উপকূলে এমন বাতিঘরের দেখা মিললেও আস্ত্রাখানের এই বাতিঘরটি থেকে নিকটতম উপকূলের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এমনকি এর চূড়ায় উঠলেও সমুদ্রের দেখা পাওয়া কঠিন।
অদ্ভুত মনে হলেও পেত্রোভস্কি লাইটহাউস নামের এই স্থাপত্যটির পেছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক কারণ। ১৭১৭ সালে রাশিয়ার শাসক যখন এই বাতিঘরটি নির্মাণের নির্দেশ দেয়, তখন এই পুর বাকি অংশ পড়ুন...












