SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%লিবাস%' OR titleBn LIKE '%লিবাস%' OR descriptionEn LIKE '%লিবাস%' OR descriptionBn LIKE '%লিবাস%' OR slug LIKE '%লিবাস%' OR metaTag LIKE '%লিবাস%' OR metaDescription LIKE '%লিবাস%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নখ মুবারক نُوْرُ اللِّبَاسِ مُبَارَكٌ নূরুল লিবাস মুবারক
৩২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঠোঁট মুবারক نُوْرُ الْـحَمْرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হাম্রা’ মুবারক
৩৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পেট মুবারক نُوْرُ الْوَرَعِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
লেবাস-পোশাক, কথা-বার্তা, আকার-আকৃতিতে পুরুষের সাদৃশ্যতা অবলম্বনকারী মহিলারা অভিশপ্ত:
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عَن حَضْرَتْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ سَيِّدَتنَا حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ رَأَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةً عَلَيْهَا نَعْلٌ فَلَعَنَ الرَّجُلَةَ مِنَ النِّسَاءِ-
অর্থ: হযরত আবূ মুলাইকা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি কেমন লোক ছিলেন? সে কাজিউল কুজাত বলতেছেন,
وَكَانَ يَلْبَسُ الصُّوفَ،
তিনি ছূফী লোক ছিলেন। (তিনি সুন্নতী লিবাস মুবারক পড়তেন।)
وَيَأْمُرُ بِالْمَعْرُوفِ، وَيَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ،
তিনি সবসময় সৎ কাজের আদেশ করতেন, বদ কাজের নিষেধ করতেন। এবং
وَيُوَجِّهُ فِي كُلِّ سَنَةٍ بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِينَارٍ إِلٰى مَدِينَةِ السَّلَامِ
প্রতি বৎসর তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালামে পাঠাতেন। কেন?
تُفَرَّقُ عَلٰى صَغَائِرِ وَلَدِ الصَّحَابَةِ،
তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা, বিশ হাজার দিনার পাঠাতেন প্রতি বছর। এখন মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালাম নিয়ে ইখতিলাফ। যাই হোক মহাসম্মানিত মদ বাকি অংশ পড়ুন...
মাথার চুলে বেণী বাঁধা সুন্নত:
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ سَيِّدَتنَا حَضْرَت اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهَا وَكَانَتْ حَائِضًا انْقُضِي شَعْرَكِ وَاغْتَسِلِي-
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত: উনার পবিত্র ইহরাম অবস্থায় উনার নূরুশ শানিশ শাহরিয়া মুবারক (মাসিক স্বাভাবিক মাজুরতা) শুরু হলে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে মাথার চুলের বেণী খু বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কিছু লোক ‘কিল্লতে ইলম ও কিল্লতে ফাহাম’ অর্থাৎ ‘কম জ্ঞান ও কম বুঝের’ কারণে বলে থাকে যে, “সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে লিবাস বা পোশাক বাকি অংশ পড়ুন...
ধ্বনিত হয় এমন অলংকার পরিধান করা হারাম:
যিনি খালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ -
অর্থ: মহিলারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে, যাতে তাদের অলংকারের গোপনীয়তার শব্দ পর-পুরুষ শুনতে পায়। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩১)
অলংকারের মধ্যে যে সকল অলংকারে শব্দ বা ঝনঝনি সৃষ্টি করে এধরনের অলংকার পরিধান করা নাজায়িয। খাছ করে নূপুর পরিধান করা নাজায়িয।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُوسَى رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ বাকি অংশ পড়ুন...
অলংকার ব্যবহার করা মহিলাদের জন্য সুন্নত:
গলার হার, গলার অলংকার, মাথার মুকুট, মাথার বেণী, কানের দুল, নাকের দুল, হাতের চুড়ি, দুমলুজ বা বাজু বন্ধ, হাতের আংটি, হাতের খিযাব, পায়ের আংটি, পায়ের খিযাব, খুলখুল বা পায়ের অলংকার ইত্যাদি সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
আল বিনায়াতু শরহুল হিদায়া-১২ খ-, ১২৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে-
وَمَوْضِعُ الزِّيْنَةِ الرَّأْسُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الْإِكْلِيْلِ وَالشَّعْرُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الْفِصَاصِ الدَّرِيْهَمَات- وَالْأُذُنُ لِأَنَّهَا مَوْضِعُ الْقُرْطِ وَالْعُنُقُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الْقِلَادَةِ وَالصَّدْرُ لِأَنَّهٗ مَوْضِعُ الوِشَاح والعضدُ لأنه موضع الدُّمْلُجِ والذِّرَاع لأنه موضع السو বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৬ষ্ঠ অংশ) :
উল্লিখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুখ ও হাত খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া বা পর-পুরুষের সামনে যাওয়া হারাম। জায়িয মনে করা কুফরী।
কেননা, দৃষ্টি দানকারী দৃষ্টি দিয়ে অন্যায় করার কারণে সে অভিশপ্ত হলো, তাহলে যার প্রতি দৃষ্টি দিবে সেই মহিলাটি অভিশপ্ত হওয়ার একমাত্র কারণ হলো: সে দৃষ্টি দেয়ার ক্ষেত্র তথা মুখ খোলা রেখে বের হয়েছে, সে কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে। মুখ খোলা রাখা জায়িয থাকলে সেই মহিলা কখনো অভিশপ্ত হতো না। কারো প্র বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم ينادي مناد يوم القيامة أين الفاروق فيؤتى بحضرت عمر عليه السلام إلى الله تعالى فيقال مرحبا بك يا حضرت أبا حفص عليه السلام هذا كتابك إن شئت فاقرأه وإن شئت فلا فقد غفرت لك فيقول الإسلام يا رب هذا حضرت عمر عليه السلام أعزني في دار الدنيا فأعز في عرصات القيامة فعند ذلك يحمل على ناقة من نور ثم يكسى حلتين لو نشرت أحدهما لغطت الخلائق ثم يسير بين يديه سبعون ألف ملك ثم ينادي مناد يا أهل الموقف هذا حضرت عمر بن الخطاب عليه السلام فاعرفوه
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
প্রবাদ আছে, ‘হার গুলেরা রঙ্গো বুয়ে দিগারাস্ত’। অর্থাৎ ‘একেক ফুলের একেক রকম রং ও ঘ্রাণ’। সমস্ত উম্মতের মাঝে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব। আবার উনাদের মাঝে বদরী ছাহাবীগণ উনাদের রয়েছে বিশেষ ফযীলত। আবার মুহাজিরগণ উনাদের রয়েছে ব্যতিক্রম শান মুবারক। অপরদিকে খিলাফতের ক্ষেত্রে কুরাইশগণ উনাদের রয়েছে একক প্রাধান্য। সর্বোপরি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক নির্ধারিত।
পবিত্র হাদীছ শ বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৫ম অংশ) :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
قَالَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَأَمَّلَ خَلْفَ امْرَأَةٍ مِنْ وَرَاءِ ثِيَابِهَا حَتَّى تَبَيَّنَ لَهُ حَجْمُ عِظَامِهَا لَمْ يَرِحْ رَائِحَةَ الْجَنَّةِ-
অর্থ: মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোন পর-নারীকে দেখতে গিয়ে তার কাপড়ের উপর দিয়ে শরীরের গঠন অনুভব করলো সে বেহেস্তের অর্থাৎ জান্নাতের সুবাস পর্যন্ত পাবেনা। (বাহরুর রায়িক শরহু কানযিদ দাকায়িক, আদ বাকি অংশ পড়ুন...












