SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রুমাল%' OR titleBn LIKE '%রুমাল%' OR descriptionEn LIKE '%রুমাল%' OR descriptionBn LIKE '%রুমাল%' OR slug LIKE '%রুমাল%' OR metaTag LIKE '%রুমাল%' OR metaDescription LIKE '%রুমাল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
চলো ভাই চলো! সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদে মীলাদি মাহফিলে,
জান্নাতি মায়ায় মিলবে তোমায় শান্তিটা শৃংখলে।
দলীলসমৃদ্ধ, কিতাব পত্রের, অসংখ্য সমাহার,
রয় তৈজসপত্র, সুন্নাহ সামগ্রী রকমারি উপহার ॥
বাজারি বয়ান, দিয়ে সুরখান, বহুদা দলীলহীন,
শুনবে এখানে সঠিক ওয়াজ, ঠকবে না কস্মিন।
নেইকো হেথায় হাসি-কান্নার কৌতুকি সমাচার,
ছাহাবী যুগের শুনতে তালিম চলো হে সমঝদার ॥
নেই কল্পিত সব গুজবি গপ্পের তর্জন গর্জন,
মার্জিত ভাষায় হচ্ছে বয়ান সালিনে অনুক্ষণ।
পাবে জান্নাতি, মানুষের সেথা, মধুময় ব্যবহার,
দেখতেই চলো রাজারবাগ শরীফ সুন্নতি দরবার ॥
ভাই ভাই সব মুসলমানেরা এক বাকি অংশ পড়ুন...
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিবরা যেভাবে বা যে নিয়মে করতে হয় :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করার সময় মানুষের সামনে উঠা বসা করা, হাঁটাচলা করা, উপুড় হওয়া, বিভিন্ন কসরত করা বিকৃতি, কদর্যতা, দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি করার শামীল, যা নিষিদ্ধ।
যেমন “মাওয়াহেবে জালীল ফী শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ৪০৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قَالَ فِي الْمَدْخَلِ: إذَا قَامَ يَسْتَبْرِئُ فَلَا يَخْرُجُ بَيْنَ النَّاسِ وَذَكَرُهُ فِي يَدِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَحْتَ ثَوْبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ شَوْهَةٌ وَمُثْلَةٌ وَكَثِيرًا مَا يَفْعَلُ بَعْضُ النَّاسِ هَذَا وَقَدْ نَهَى عَنْهُ،
অর্থ : মাদখাল কিতাবে” উল্লেখ আছে, ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) পর ইসতিবরা করার বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন। তাই পাগড়ী পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক।
পাগড়ীর পরিমাপ :
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অধিকাংশ সময় যে পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন তা ছিল ৭ হাত লম্বা, যা পবিত্র হুজরা শরীফ হতে বের হওয়ার সময় তিনি পরিধান মুবারক করে বের হতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করার সময় এ ধরণের পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন। পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে যে পাগড়ী মুবারক ব্যবহার করতেন তা ছিল ৩ হাত লম্বা। কোন কোন সমà§ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের মাকরূহসমূহ
যেসব কাজ করলে গুনাহ হয়, ছওয়াব (নেকী) কমে যায়, অবশ্য নামায নষ্ট হয় না, তাকে মাকরূহ বলা হয়। এইসব কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা উচিত।
১. নামাযের মধ্যে শরীর বা পরিধানের কাপড় নিয়ে খেলা করা।
২. সিজদায় যাওয়াকালে সম্মুখের বা পিছনের দিক হতে কাপড় গুটিয়ে নেয়া।
৩. সদলে ছাওব করলে অর্থাৎ কাপড় বা রুমালকে মাথা বা কাঁধে রেখে পেঁচানো ব্যতীত তার দু’মাথা দু’দিকে ঝুলিয়ে দিলে।
৪. আস্তিন উপরে উঠিয়ে নামায পড়া।
৫. ইস্তিঞ্জা ও বায়ুর বেগ থাকা সত্ত্বে¡ও নামায পড়া।
৬. কঙ্কর সরিয়ে দেয়া। কিন্তু সুন্নত অনুসারে সিজদা আদায় না হলে, একবার তা ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সকলের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক সমূহ যথাযথভাবে পালন করা প্রত্যেকের জন্য আবশ্যক। কেননা তিনিই কায়িনাতবাসীর জন্য বিশেষতঃ আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। আর এ ব্যাপারে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُوْلِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহà বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, আমরা হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছাকাছি গিয়ে সামান্য কিছু দূরে দাঁড়ালাম এবং উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন। হযরত জা’ফর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তখন এমনভাবে পাগড়ি-রুমাল পরিহিত অবস্থায় ছিলেন যে, হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দু’ চোখ এবং দু’ পা ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হে হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কি আমাকে চিনেছেন?
বর্ণনা বাকি অংশ পড়ুন...
আয়না ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আয়না ব্যবহার করতেন অর্থাৎ আয়নাতে উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) দেখতেন। অপর বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পানির পাত্রে উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) চেহারা মুবারক দেখে মহাসম্মানিত পাগড়ী মুবারক, মহাসম্মানিত টুপি মুবারক, মহাসম্মানিত রুমাল মুবারক ইত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...












