SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রিজার্ভ%' OR titleBn LIKE '%রিজার্ভ%' OR descriptionEn LIKE '%রিজার্ভ%' OR descriptionBn LIKE '%রিজার্ভ%' OR slug LIKE '%রিজার্ভ%' OR metaTag LIKE '%রিজার্ভ%' OR metaDescription LIKE '%রিজার্ভ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাক বাকি অংশ পড়ুন...
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং সুদের হারের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে আগামী সপ্তাহের মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সভার দিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণের বাজার কিছুটা চাঙা হয়েছে।
অ্যাক্টিভট্রেডসের সিনিয়র অ্যানালিস্ট রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘তেলের উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতি উসকে দিতে পারে। সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ আশ্রয়ে বিনিয়োগের চাহিদা বেড়েছে। বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম আয়োজিত উন্নয়ন কণ্ঠস্বর শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৯ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১৯৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের ১৫২ কোটি ২০ লাখ ডলারের তুলনায় ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, শুধু ১৯ জুলাই একদিনেই দেশে ১৪ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া ১৬ থেকে ১৮ জুলাই- এই তিন দিনে সংশোধিত হিসাবে এসেছে ১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার।
রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা চলতি অর্থবছরের শুরুতেই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতি এবং যুদ্ধকৌশলের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে যেকোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্বিন্যাস করা একটি যুগের দাবি। বাংলাদেশের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত একটি দেশের জন্য প্রথাগত সমরাস্ত্রের পাশাপাশি জনবলের সর্বোচ্চ শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষা প্রাচীরকে সুদৃঢ় করতে একটি বিশাল জনসংখ্যাকে- ৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীকে সর্বাগ্রে-সংগঠিত করে একটি দক্ষ স্ট্র্যাটেজিক বাহিনী হিসেবে গড়ে বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্লেষকদের মতে, কম সুদের হার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ধারাবাহিক স্বর্ণ কেনা, ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা-সব মিলিয়ে স্বর্ণের দাম বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
ডয়চে ব্যাংকের অর্থনীতিবিদদের ২৭ এপ্রিল প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, চীন, রাশিয়া, ভারত, তুরস্কসহ বিভিন্ন উদীয়মান দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুতগতিতে তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়াচ্ছে। এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩১ সালের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা বর্তমান দামের বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নতুন ও কঠোর শর্তসহ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে ৬ থেকে ৬.৫ বিলিয়ন (৬০০ থেকে ৬৫০ কোটি) ডলারের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। সরকারের লক্ষ্য, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন ঋণচুক্তি সম্পন্ন করা। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতেই প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় হতে পারে।
তবে এবার শুধু ঋণ নয়, তার চেয়েও বেশি শর্তারোপ হচ্ছে ‘অর্থনৈতিক সংস্কার’ বিষয়ে। পাঁচ দিনের ঢাকা সফর শেষে আইএমএফ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে- বাংলাদেশকে রাজস্ব আয় বাড়ানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক ভূ-রাজনীতি এবং যেকোনো সম্ভাব্য জাতীয় নিরাপত্তার মহাবিপর্যয় মোকাবিলায় সামরিক প্রতিরক্ষার পরিধি কেবল সম্মুখ সমরাস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কোনো দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান ভিত্তি হলো তার সামরিক বাহিনীর টেকসই লজিস্টিকস এবং ব্যাক-আপ সাপোর্ট। এই সাপোর্টের মধ্যে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও অপরিহার্য অংশটি হলো চিকিৎসা সক্ষমতা। সাম্প্রতিক বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে যদি কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রকে ৫০ লক্ষাধিক সম্ভাব্য বিশাল রিজার্ভ বা নিয়মিত সেনাবহরের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়, তবে তার জন্য যে বিশাল পরিমাণ বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থনৈতিক ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা: থ্রি-টায়ার মডেল:
৫০ লক্ষাধিক বাহিনীর জন্য এই স্তরের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে এককালীন বাজেট বরাদ্দ করা অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত জটিল। তাই লজিস্টিকস বিশেষজ্ঞরা একে একটি থ্রি-টায়ার সিস্টেমে বিন্যস্ত করার পরামর্শ দেন:
বাহিনীর স্তর বরাদ্দকৃত লজিস্টিকস আনুমানিক পরিমাণ অগ্রাধিকার
টায়ার-১ (এলিট ও ফ্রন্টলাইন স্ট্রাইকার্স) এক্সোস্কেলিটন, ৪র্থ প্রজন্মের এনভিজি, এআর ড্রোন হেলমেট, লেভেল ৫+ প্রটেকশন। ৫,০০,০০০ সৈন্য অবিলম্বে (১-২ বছর)
টায়ার-২ (নিয়মিত পদাতিক ও বর্ডার ফোর্স) লাইটওয়েট স্মার্ট স্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সম্প্রসারণমূলক রাজস্ব নীতির আওতায় সরকারের আমদানিনির্ভর কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। এর ফলে সরকারি আমদানির জন্য বিপুল পরিমাণ ঋণপত্র (এলসি) খোলা হচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বাড়িয়ে তুলেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বর্তমানে ডলার কেনা থেকে বিরত রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সম্প্রসারণমূলক রাজস্ব নীতির কারণে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় বাড়লে আমদানিও বেড়ে যায়। এতে যন্ত্রপাতি, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্য কিনতে বেশি ডলার প্রয়োজন হয়। ফলে বেশি এলসি খুলতে হয় এবং বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশলে কেবল সৈন্য সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধ জয় অসম্ভব, যদি না প্রতিটি সেনাকে প্রযুক্তিগতভাবে সুপার-সোলজারে' রূপান্তর করা যায়। যখন বাহিনীর আকার ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বহরের হয়, তখন তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা, কার্যক্ষমতা এবং যুদ্ধের স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য পার্সোনাল ট্যাকটিক্যাল ও সারভাইভাল লজিস্টিকসের প্রয়োজনীয়তা এক বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়।
একটি বিশাল বাহিনীকে শতভাগ আধুনিকায়ন করতে কী বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তিগত লজিস্টিকস লাগবে এবং এই বিশাল সরবরাহের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ কেমন হওয়া উচি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষা এখন শেষ পর্যায়ে। তবে উৎপাদন শুরুর আগমুহূর্তেই সামনে এসেছে নতুন এক বড় বাস্তবতা- কেন্দ্রটি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখতে জাতীয় গ্রিডে সার্বক্ষণিক বিপুল পরিমাণ স্পিনিং রিজার্ভ নিশ্চিত করতে হবে, যার জন্য প্রতিদিন প্রয়োজন হবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস। অথচ বর্তমানে দেশের সব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেই সরবরাহ কর বাকি অংশ পড়ুন...












