SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রসালো%' OR titleBn LIKE '%রসালো%' OR descriptionEn LIKE '%রসালো%' OR descriptionBn LIKE '%রসালো%' OR slug LIKE '%রসালো%' OR metaTag LIKE '%রসালো%' OR metaDescription LIKE '%রসালো%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সবেদা চাষের অন্যতম সুবিধা হলো এতে সাধারণত কোনো রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না। ফল পাকানোর জন্যও কৃত্রিম রাসায়নিকের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ফল হিসেবে এটি ক্রেতাদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
পুষ্টিবিদদের মতে, সবেদায় ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম ও জিংকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের জন্য উপকারী হওয়ায় ফলটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হিসেবে পরিচিত। সবেদার ইংরেজি নাম Sapodilla এবং বৈজ্ঞানিক নাম Manilkara zapota। বহুবর্ষজীবী এই চিরসবুজ গাছ বাংলাদেশের আবহাওয়া ও ম বাকি অংশ পড়ুন...
রসালো জামই নয়, পুষ্টিতে ভরপুর এর বীজও। তবে বেশিরভাগ মানুষ জাম খাওয়ার পর বীজ ফেলে দেন। অথচ এই বীজেও রয়েছে এমন কিছু গুণ, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। জেনে নিন জামের বীজের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপকারিতা-
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: জামের বীজের গুঁড়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। এজন্য বীজ শুকিয়ে গুঁড়া করে প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানির সঙ্গে এক চা-চামচ মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
গ্রীষ্মের দাবদাহে বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা মৌসুমি দেশি ফল। এর মধ্যে কচি তাল বা তালের শাঁস এখন বেশ জনপ্রিয়। নরম, স্বচ্ছ ও রসালো এই ফলটি গরমে যেমন স্বস্তি দেয়, তেমনি শরীরের জন্যও বেশ উপকারী।
পুষ্টিবিদদের তথ্যমতে, প্রতি ১০০ গ্রাম তালের শাঁসে রয়েছে প্রায় ২৯ কিলোক্যালরি শক্তি, ৯২ শতাংশের বেশি পানীয় অংশ, ৬ দশমিক ৫ গ্রাম শর্করা, খাদ্য আঁশ, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-সি। ফলে গরমে শরীরকে হাইড্রেট রাখতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরমে ঘাম ও ক্লান্তির কারণে শরীরে যে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, তালের শাঁস তা অনেকটাই পূরণ করত বাকি অংশ পড়ুন...
রংপুর সংবাদদাতা:
‘হাঁড়িভাঙা’ আমের জন্য অপেক্ষা আর মাত্র এক মাস। স্বাদ ও গন্ধে অতুলনীয় এই আমটি এখন জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে এই আমকে কেন্দ্র করে রংপুর অঞ্চলে ২৫০ কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাঁড়িভাঙা আম এক বছর কম ফলন দেয়, পরের বছর আবার ভালো ফলন দেয়। যে বছর কম ফলন হয়, সেই বছরকে বলা হয় ‘অফ ইয়ার’। যে বছর ভালো ফলন দেয়, সেই বছরকে কৃষিবিদদের ভাষায় বলা হয়ে থাকে ‘অন ইয়ার’।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচা বাকি অংশ পড়ুন...
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা:
পাকুন্দিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলবাড়িয়ার লিচু এখন শুধু একটি মৌসুমি ফল নয়, এটি পুরো অঞ্চলের পরিচিতি ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। টসটসে রসালো শাঁস, ছোট বিচি, মধুর মতো মিষ্টি স্বাদ ও অনন্য ঘ্রাণের কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক খ্যাতি পেয়েছে এ লিচু। চলতি মৌসুমে প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার লিচু বিক্রির আশা করছে কৃষি বিভাগ। একই সঙ্গে মঙ্গলবাড়িয়ার লিচুর জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতির আবেদন করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
গ্রামে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে সারি সারি লিচুগাছ। বাড়ির উঠান, রা বাকি অংশ পড়ুন...
ভালো তরমুজ কেনা বেশ কষ্টসাধ্য। দেখেশুনে তরমুজ কেনার পরেও ঠকে যান অনেকেই।
তাই তরমুজ কেনার আগে জেনে রাখুন ৭ পরামর্শ।
১. ফিল্ড স্পট বা গ্রাউন্ড স্পট দেখে নিন:
লাল মিষ্টি তরমুজ চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ‘ফিল্ড স্পট’ বা ‘গ্রাউন্ড স্পট’ দেখে নেওয়া। তরমুজের যে অংশ দীর্ঘদিন মাটির ওপর থাকে, সেই অংশ হলুদ হয়ে যায় এবং একেই বলে ফিল্ড স্পট বা গ্রাউন্ড স্পট। তরমুজ কেনার আগে এই হলদেটে দাগ আছে কি না, তা দেখে নিন। বড় হলুদ দাগ থাকা মানে তরমুজটি ঠিকমতো পেকে যাওয়ার পর জমি থেকে ওঠানো হয়েছে।
২. তরমুজ ভারী কি না দেখুন:
তরমুজটি হাতে নিয়ে দেখুন, তা ভারী বাকি অংশ পড়ুন...
যশোর সংবাদদাতা:
দেশে এখন রবি শস্যের পাশাপাশি অধিক লাভের ফলচাষ বাড়ছে। যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে পুষ্টিতে ভরা রসালো ফল বরই চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বাড়ছে কর্মসংস্থান। সৃষ্টি হচ্ছে উদ্যোক্তা। লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্ভাবন করা আপেল কুল, বাউকুল, থাইকুল ও ঢাকা-৯০ কুলসহ কয়েকটি জাতের বরই চাষ করেন তারা। মাত্র চার থেকে ৬ মাসেই কোটি টাকার বরই ফলনে জীবন বদলের স্বপ্ন দেখছেন উদ্যোক্তারা। আধুনিক মানের বরই চাষে নতুন ওষুধ উৎপাদনসহ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন উদ্যোক্তাসহ স্থানীয় চাষ বাকি অংশ পড়ুন...
গ্রীষ্মে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ মজাদার সব ফলের ভিড়ে অনেকটা অবহেলিত হয় জামরুল। রসালো হলেও এ ফল তেমন সুস্বাদু না হওয়ায় অনেকেই এড়িয়ে যান জামরুল। অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে, জামরুল খেলে শরীরে কী ঘটে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ১০০ গ্রাম জামরুলে ২২ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি মেলে। এমনকি প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুল থেকে ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম মেলে। যা হাড় ও দাঁতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
জামরুলে আছে জামবোসিন। যা আমাদের রক্তে স্টার্চ থেকে শর্করা তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে চিকিৎসকরাও বাকি অংশ পড়ুন...
রসালো, মিষ্টি আর সুগন্ধি কমলা এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বাজার ঘুরলে অনেক ক্রেতাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। চোখের সামনে চকচকে, গোলগাল কমলাটি কি আসলেই মিষ্টি কমলা, নাকি অন্য কিছু। বাজারে কমলার নামে বেশিরভাগ সময় বিক্রি হয় কেনু ও মান্ডারিন। দেখতে মিল থাকায় ক্রেতাদের কাছে পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে যায়। স্বাদ, খোসার ধরন, বীজের সংখ্যা ও গঠন-এই বিষয়গুলো না জানলে আসল কমলা আর কেনুর মধ্যে বোঝা মুশকিল।
দুটি ফল দেখতে প্রায় একই রকম হলেও স্বাদ, খোসার গঠন এবং উৎসের দিক থেকে এদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
কমলা ও কেনুর পার্থক্য:
বাকি অংশ পড়ুন...
শীত এলেই খাদ্য তালিকায় কিছু বিশেষ ফল যুক্ত করা জরুরি। এর মধ্যে আঙুর নিঃসন্দেহে একটি উপকারী ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি শীতকালীন সুপারফুড হিসেবেই পরিচিত। মিষ্টি ও রসালো স্বাদের কারণে আঙুর প্রায় সবারই প্রিয়। শীতের সময় নিয়মিত আঙুর খেলে শরীরে নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা মেলে। জানুন কেন শীতে আঙুর খাওয়া জরুরি।
আঙুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে, পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাকি অংশ পড়ুন...
রাজবাড়ী সংবাদাদতা:
রাজবাড়ীতে সফল বিদেশি ফল চাষি সরোয়ার হোসেন বাবুসহ ৩ ভাইয়ের মিশ্র ফল বাগানে এ বছর কমলার বাম্পার ফলন হয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, বাগানের প্রতিটি কমলা গাছে গড়ে প্রায় ২০ কেজির বেশি ফল ধরেছে।
সরোয়ার হোসেন নিজেই নিজস্ব উপায়ে উৎপাদন করছেন কমলা, মাল্টা ও আঙুরের চারা। এই চারা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে উদ্যোক্তরা নিয়ে করছেন বাগান।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের চরবাগমারা এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেন বিশ্বাসের ৩ ছেলে পৈতৃক জমিতে ২০২০ সালে অলাভজনক ১০ একর জমিতে শুরু করেন কমলা, মাল্টা, আঙুর, পেয়ারাসহ বাকি অংশ পড়ুন...












