বেশুমার ছলাত ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক স্মরণে। বেহদ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মুবারক চরণে। দোয়া চাই, করুণা চাই ছহিবু ইলমিল আউওওয়ালি ওয়াল আখিরি, জামি‘উন নি‘য়ামত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র শবে ক্বদর বা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর দু‘আ কবুলের পাঁচ রাত্রির মধ্যে অন্যতম রাত্রি। এই রাত্রিতে বান্দা-বান্দি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যা আরজি করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে প্রয়োজন অনুসারে তা দিয়ে থাকেন। বান্দা-বান্দির সকল দু‘আই এ রাত্রিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করে থাকেন।
কাজেই সকলের উচিত মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্য, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর, সম্মানিত ঈমান উনার উপর ইস্তিক্বামত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক
‘লাইলাতুন’ শব্দের অর্থ হচ্ছে রাত বা রজনী। আর ‘ক্বদর’ শব্দের অর্থ হলো মহিমান্বিত বা মর্যাদামন্ডিত। এ বরকতময় রাতটি আমাদের এ উপমহাদেশে পবিত্র “শবে ক্বদর” হিসেবে মাশহুর।
এ বরকতময় রাত উনার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَيْلَةُ ٱلْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍۢ
অর্থ : “পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর হচ্ছে হাজার মাস থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ক্বদর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ২)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেÑ
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি চাঁদ ও সূর্যকে হিসাব মত চলমান রেখেছেন মুসলমানদের খিদমতের জন্য। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল ইজ্জত ইরশাদ মুবারক করেন-“চাঁদ ও সূর্য হিসাব মতো চলে থাকে”। (পবিত্র সূরা আর রহমান: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
তাই তাদের চলার হিসাব থেকে সময় নির্ধারণ করা সম্ভব।
পবিত্র কুরআনুল কারীম ও পবিত্র হাদীছ শরীফে সময় ও চাঁদ সম্পর্কীয় নির্দেশনা:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মানুষ আপনাকে বাঁকা চাঁদ সম্পর্কে সুওয়াল করে। আপনি বলে দিন, তা হলো মানুষের জন্য সময় নির্ধারক এবং পবিত্র হজ্জ উনার সময় ঠিক বাকি অংশ পড়ুন...
আসেন সাইয়্যিদুনা
আশিক তাই দিওয়ানা -ইশকে ফানা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
সারা জাহানে আলোকি সাজ সাজ
সাত আসমানে শাহী কারুকাজ
সকল জবানে আজ
ছন্দে ছন্দে রেওয়াজ -পাক ছানা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
কোন দিগন্তে হাসেন রাঙ্গা রবি
এ যেন হাসনাইন প্রতিচ্ছবি
বেশাক আল আরাবী
নকশায়ে হাবীবী -নূর নিশানা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
শাহানশাহ শাহযাদা সেরা সুলতান
ধরণীর বুকে আহলান ওয়া সাহলান
আপনি মোদের ঈমান
মহান মুর্শিদ ফরমান -এই ঘোষণা
খুশি প্রকাশের ভাষা অজানা।
কত রজনী এসেও চলে যায়
ঘুমন্ত গাফিল থাকেনা সিজদায়
তবু এই কাছীদায়
এঁকেছি মোর সিনায় - বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়া খোদা কবুল করুন নিবেদন
শাহজাদা শাহজাদা জপেই হোক মরণ
করেছি আমাকে আমি সমর্পন
আশিক হওয়ার কোশেশে আমার দিন যাপন
মাকসুদে যেতে লাগুক যতই লগন
তালাশী খুজিনি কোথাও অনুক্ষণ
দায়েমী অনুভবে রয় তনুমন
হাসিমুখে দিয়ে দিব মোর জীবন
মিলে যদি নিসবতের নিবিড় বাঁধন
হাজারো শব্দমালায় অন্তঃক্ষরন
আপনাকেই চাই শাহজাদাজান আজীবন।
শিরোনাম: হায়দারি বার্তা
মিষ্টি এমনই যে মিষ্টি
আমাদের শাহজাদা ক্বিবলা
দীদার বেলা তাবাসসুম
দেখেই অভাগা ইছলা
বিভোর সে নূরে হরদম
নজর জুড়ে অনুপম
ইশকে ডুবেছি অধম
দামানে বাকা বিল্লাহ
সরিয়ে রজনীর পর্দা
আসেন হায়দারী বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِىْ لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنْذِرِيْنَ (٣) فِيْهَا يُفْرَقُ كُلُّ اَمْرٍ حَكِيْمٍ (٤) اَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا اِنَّا كُنَّا مُرْسِلِيْنَ (٥)
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (পবিত্র শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই সতর্ককারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ হতে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। নিশ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সম্মানিত মাস সমূহের মাঝে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাত হচ্ছেন ‘পবিত্র শবে বরাত’। এ রাতের ফযীলত, নাযাত ও বরকতের কথা, দোয়া কবুলের বা দোয়া দ্বারা স্বীয় তাক্বদীর পরিবর্তন করার কথা প্রায় সকলেই অবগত।
বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। প্রথম নিয়ামত মুবারক হলেন- মহা বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা দুখান শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুম মুবারাকাহ বা বরকতময় রজনীতে (পবিত্র ল বাকি অংশ পড়ুন...
বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মানব বসতির ইতিহাস। এতদিনের জানা ইতিহাসের বাইরে সুপ্রাচীন ঢাকার সমৃদ্ধ ও উন্নত জনপদের প্রমাণ মিলছে, যা ৪০০ বছরের ঢাকার ইতিহাসকে আড়াই হাজার বছরের ইতিহাসে বদলে ফেলতে পারে! যার সঙ্গে সুপ্রাচীন কালের পুর্নগর বা মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বরের ইতিহাসের সদৃশ রয়েছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষকরা বলছে, প্রাচীন দুর্গের সন্ধানে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে পরিচালিত এক প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আদি-ঐতিহাসিক যুগের গ্লেজড ও রোলেটেড মৃৎপাত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। যা ঢাকাকে ভূ-মধ্য বাকি অংশ পড়ুন...
১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশ’ ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)
২. শস্য লুট:
★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
★পাট (৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।
★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ বাকি অংশ পড়ুন...












