SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মেঘের%' OR titleBn LIKE '%মেঘের%' OR descriptionEn LIKE '%মেঘের%' OR descriptionBn LIKE '%মেঘের%' OR slug LIKE '%মেঘের%' OR metaTag LIKE '%মেঘের%' OR metaDescription LIKE '%মেঘের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
গন্ধরাজের পাপড়ি দিয়ে তৈরি করে খাম
হাসনাহেনার সুবাস মেখে আরজ পাঠালাম
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদায়ী নাম।
নীল আকাশে মেঘের ভেলায় ছন্দ গেঁথে রোজ
ক্ষনিক পরেই আবেগী মন পেতাম না তার খোঁজ
দর্দো দিলে দুয়ার খুলে তাইতো কহিলাম
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদায়ী নাম।
পাখির কূজন শুনায় যখন সবুজ পাতার বন
সেথায় আমি পাই আপনার চর্চা সারাক্ষণ
পাক মহাশান অটুট করে রাখতে সকাল শাম
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদায়ী নাম।
নিঝুম রাতে জায়নামাযে সজল করে চোখ
খুব করে চাই সানি আক্বা আমার আপন হোক
ক্যারাভানে সঙ্গী হয়ে চলতে অবিরাম
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির সঙ্গে আকাশ থেকে বরফের টুকরো বা গোলাকার বরফখ- পড়াকে বলা হয় শিলাবৃষ্টি। এটি সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে সৃষ্টি হয়। এই মেঘে থাকা পানির কণা অত্যন্ত ঠান্ডা হয়ে বরফে পরিণত হয় এবং একসময় ভারী হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।
বিজ্ঞানীরা জানায়, শিলার জন্ম হয় ক্ষুদ্র একটি বরফ স্ফটিক থেকে। ঝড়ের কারণে সেই স্ফটিক মেঘের বিভিন্ন স্তরে ওঠানামা করতে থাকে। এ সময় হিমাঙ্কের নিচে থাকা ঠান্ডা পানির কণা স্ফটিকের গায়ে জমে বরফে রূপ নেয়। এভাবেই ধীরে ধীরে শিলার আকার বাড়তে থাকে।
বরফ জমার এই প্রক্রিয়া সবসময় সমান গতিতে হয় না। স্ফটিকের পৃ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বিদ্যুৎ চমকানোর সময়:যে রাস্তা দিয়ে বিদ্যুৎ চমকায় তা সাধারণত ১ ইঞ্চি চওড়া এবং ১-৫ মাইল লম্বা হতে পারে। অতি উচ্চমানের বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে এই সরু রাস্তার কণাগুলি অত্যধিক গরম হয়ে প্লাজমায় পরিণত হয়। তাপমাত্রা প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে পারে। যা সূর্যের উপরিপৃষ্ঠ থেকে ৫ গুণ বেশী গরম। এই উত্তপ্ত অংশ আশেপাশের বাতাসকে প্রচ- শক্তিতে ধাক্কা দেয়। ফলে শব্দের চেয়ে বেশী গতি সম্পন্ন শকওয়েভ (Shockwave) বিস্ফোরণ সৃষ্টি হয়। যা প্রথম ১০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত প্রভাব ফেলে। আর এই বিস্ফোরণের শব্দই হচ্ছে বজ্রধ্বনি। এই বজ বাকি অংশ পড়ুন...
আকাশে যখন বিজলি চমকায়, তখন আমরা কেবল আলোর ঝলকানি ও মেঘের ডাক শুনি। কিন্তু বজ্রপাত আসলে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি জটিল ও অদ্ভুত। বজ্রপাত শুরু হওয়ার আগে চারপাশের পরিবেশ থেকে এমন কিছু সংকেত মেলে, যা সঠিকভাবে চিনতে পারলে জীবন বাঁচানো সম্ভব। জেনে নিন, বজ্রপাত নিয়ে এমন অজানা ও অদ্ভুত দশটি তথ্য।
১. প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীতে ৯৩ বার বজ্রপাত হয়:
মাঝেমধ্যেই আকাশে একসঙ্গে বেশ কিছু বিদ্যুৎ চমকাতে দেখে আমরা অবাক হই। কিন্তু পৃথিবীতে বজ্রপাত আসলে কতটা সাধারণ ঘটনা? বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০ লাখেরও বেশিবার বজ্রপাত হয়। একে যদি আমরা সময়ের ম বাকি অংশ পড়ুন...
বিদ্যুৎ চমকানোর ধাপ:
মেঘ থেকে জমিনে ঋণাত্মক চার্জ প্রবাহের পথ তৈরী: মেঘের ঋণাত্মক চার্জগুলি বাতাসে পোলারাইজেশন এবং আয়োনাইজেশন এর মাধ্যমে ধনাত্মক চার্জকে মেঘের মধ্যে টেনে নিয়ে যায় এবং ঋণাত্মক চার্জ পকেটের মতো
এভাবে পর্যায়ক্রমে পরপর তিন-চার বার মেঘ থেকে যমীনে এবং যমীন থেকে মেঘে একই পথে বা কাছাকাছি ভিন্নপথে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ফলে একাধিক ‘প্রত্যাবর্তন ঘাত’ (জবঃঁৎহ ঝঃৎড়শব) সংঘটিত হয় এবং একাধিক আলোকচ্ছটা দেখা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে ইলেকট্রিক চার্জ প্রবাহের রাস্তাটি অত্যন্ত গরম হয়ে ওহপধহফবংপবহঃ সাদা আলো বিকিরণ করে এবং বাতা বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্যের তীব্র তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী যখন এই ধ্বংসাবশেষের মেঘের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। ইতোমধ্যে ২৮২টি উল্কাবৃষ্টির একটি গুচ্ছ শনাক্ত করা হয়েছে।
গবেষকদের ধারণা, এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। পাথুরে ধ্বংসাবশেষের এই স্তূপটি আসলে একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু বা রক কমেটের অবশিষ্টাংশ। সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় গ্রহাণুটি ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক বলে, এই আবিষ্কারটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হওয়া ও পৃথক হওয়া:
ঝড় বৃষ্টির সময় আকাশে কিমিউলোনিমবাস মেঘের পূর্ণাঙ্গ পর্যায়ে উর্ধ্বগামী বরফ কণা এবং নিম্নগামী শিলা খন্ড থাকে।
কণাগুলির পরস্পর ঘর্ষণের কারণে বরফ কণা ধনাত্মক এবং শিলা খন্ড ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয়। মেঘের উপরের অংশে জমা হয় ধনাত্মক চার্জ এবং নিচের অংশে জমা হয় ঋণাত্মক চার্জ। এই ঋণাত্মক চার্জের ইনডাকশন বা আবেশের কারণে যমীনে ধনাত্মক চার্জ জমা হয়।
এভাবে মেঘের ঋণাত্মক এবং যমীনের ধনাত্মক চার্জের মাঝখানে বাতাস ইনসুলেটর বা অপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু দমকা বাতাসের কারণে এই ধনাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি কম শক্তিশালী বজ্রমেঘের গতিবেগ সাধারণত ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার হয়ে থাকে। মাঝারি আকারের বজ্রঝড়ের গড় গতিবেগ ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। যেটি আবার তীব্র বজ্রঝড়, তার গতিবেগ ৮০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্তও হয়ে থাকে।
আবহাওয়াবিদরা বলেন, “ধরা যাক, আগারগাঁও বরাবর বজ্রঝড় সৃষ্টি হলো। সে যাবে পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে। সেক্ষেত্রে সে গুলশান, বনানীতে আঘাত হানতে পারে। কিন্তু সে তো মিরপুরের দিকে আঘাত হানবে না। তার আনুভূমিক যাত্রা যেদিকে, সেদিকেই ঝড় হয়। অন্যদিকে হয় না।”
“ত্রিমাত্রিক গঠনের বৈশিষ্ট্যের কারণে বজ্রঝড় বিভিন্ন জায়গায় সংঘটি বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
একেকটি ধাপ ৫০-১০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। যা ৫০ মাইক্রো সেকেন্ড সময়ে তৈরী হয় এবং বিভিন্ন দিকে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে। এই পথ তৈরীর বিষয়টি খালি চোখে দেখা যায় না। এই পর্যায়কে বলা হয় ‘ধাপযুক্ত অগ্রপথ’ (ঝঃবঢ়ঢ়বফ খবধফবৎ.)
২. যমীন থেকে মেঘের দিকে ধনাত্মক চার্জের গমন: যমীনে যে ধনাত্মক চার্জ জমা হয় সেগুলিও একই প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে বাতাসের মধ্য দিয়ে মেঘের দিকে উঠতে শুরু করে। এই ধাপকে বলা হয় Streamer Fire/ Upward Leader.
চার্জের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সরু বা কোণাকৃতির অংশে অধিক সংখ্যায় জমা হওয়া। এজন্য লম্বা গাছ, লম্বা স্থাপনা, লম্বা পিলার ইত্যাদির বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। একটি দীর্ঘ হাদীছ শরীফ উনার এক অংশে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ، وَأَبُو مَالِكٍ عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حَضْرَتْ حُذَيْفَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ، قَالاَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " يَجْمَعُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى النَّاسَ فَيَقُومُ الْمُؤْمِنُونَ حَتَّى تُزْلَفَ لَهُمُ الْجَنَّة......... فَيَأْتُونَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم فَيَقُومُ فَيُؤْذَنُ لَهُ وَتُرْسَلُ الأَمَانَةُ وَالرَّحِمُ فَتَقُومَانِ جَنَبَتَىِ الصِّرَاطِ يَمِينًا وَشِمَالاً فَيَمُرُّ أَوَّلُكُمْ كَالْبَرْقِ قَالَ قُلْتُ بِأَبِي বাকি অংশ পড়ুন...












