নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ مَنْصُورِيْنَ عَلَى الْـحَقِّ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَـهُمْ
অর্থ: সর্বদাই আমার উম্মতের মধ্যে একটি সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী দল হক্বের উপর থাকবে। বাতিলপন্থিরা উনাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত দ্বীন উনাকে জীবন্ত রাখার জন্য যুগে যুগে নিযুক্ত করেছেন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া এবং উনাদের ওয়ারিছ ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদ উনাদেরকে এবং উনাদের স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাকিস্তান আমলে ভাসানী ন্যাপের প্রতীক ছিল ধানের শীষ। যা পরবর্তীতে বিএনপির রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত হয়। সেই প্রতীকের উৎপত্তি ও রূপান্তরের কাহিনি নিয়েই বরাবরই রয়েছে নানা বিতর্ক ও কৌতূহল।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগ ত্যাগ করে গঠন করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)।
১৯৬৭ সালে ন্যাপ বিভক্তির পর ভাসানীর নেতৃত্বাধীন অংশ ধানের শীষ প্রতীক ধরে রাখে। ১৯৭০ সালের নির্বাচন ও ১৯৭৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই প্রতীক নিয়ে লড়াই করে ।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপ বাকি অংশ পড়ুন...
কারাগারের সেই স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ হাজার হাজার বনী আদম বন্দি হয়ে আছে, যাদের রূহ আজ এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ। অপরাধী হোক কিংবা নির্দোষ- প্রতিটি মানুষের ভেতরেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার দেওয়া এক নূরী সত্তা, যা উপযুক্ত তালিম ও তালক্বীন পেলে পুনরায় হিদায়াতের পথে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আধুনিক কারাগারগুলো আজ কেবল শাস্তির গুদামে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের আত্মিক সংশোধনের চেয়ে শারীরিক লাঞ্ছনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজাতীয় ইহুদীবাদি দ-বিধির প্রভাবে আমরা ভুলে গেছি যে, কারাগার হওয়া উচিত ছিল বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
৮. মাস গণনা পদ্ধতি:
আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী: প্রতিটি বিজোড়তম মাস ৩০ দিনে এবং জোড়তম মাসগুলো ৩১ দিনে শুধু ব্যতিক্রম হবে ১২তম মাস। কিন্তু ৪ দ্বারা বিভাজ্য সালগুলোতে ১২তম মাসটি ৩১ দিনে হবে; তবে ১২৮ দ্বারা বিভাজ্য সালগুলো ব্যতীত।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি: ফেব্রুয়ারী, এপ্রিল, জুন, সেপ্টেম্বর, নভেম্বর এই মাসগুলো বাদে বাকী সব মাস ৩১ দিনে।
আর এপ্রিল, জুন, সেপ্টেম্বর, নভেম্বর মাস ৩০ দিনে। কিন্তু ফেব্রুয়ারী মাস ২৮ দিনে।
তবে অধিবর্ষে (৪ দ্বারা বিভাজ্য সালগুলো) ২৯ দিন হবে। প্রতি ১০০ বছরে ১টি অধিবর্ষ বাদ যাবে, আবার প্রতি ৪০০ বছরে অতিরিক্ বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরপূজারীদের কুফরী আক্বীদার দলীলভিত্তিক খন্ডনমূলক জবাব:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৩য় দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
مَا يُؤْذِيْكَ فَلَكَ اِذَايَتُهٗ قَبْلَ اَنْ يُّؤْذِيَكَ
অর্থ : যে সমস্ত প্রাণী তোমার ক্ষতি বা যন্ত্রণার কারণ হবে, তার ক্ষতি তোমার উপর আসার আগে তুমি তার ক্ষতি করো। (আল ফাওয়াকিহ্ ২/৩৫২)
৪র্থ দলীল:
এজন্য সম্মানিত শরীয়ত উনার একখানা উছূল হচ্ছেন-
اُقْتُلُ الْمُؤْذِىَ قَبْلَ اَنْ يُّؤْذِىَ
অর্থ : তুমি কষ্টদায়ক প্রাণীকে কষ্ট দেয়ার পূর্বেই হত্যা করো।
কাজেই, যে সকল কুকুরের কার বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরপূজারীদের কুফরী আক্বীদার দলীলভিত্তিক খ-নমূলক জবাব:
কুকুর পূজারীরা যদি মুসলমান হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে অবশ্যই মহাপবিত্র শরীয়ত উনার হুকুম অনুযায়ী আমল করতে হবে। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের উপকারের জন্য। যেমন-
১ম দলীল:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
هُوَ الَّذِىْ خَلَقَ لَكُمْ مَا فِى الْاَرْضِ جَمِيْعًا
অর্থ : তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি যমীনে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু তোমাদের (উপকারের) জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ২৯)
অথচ ক বাকি অংশ পড়ুন...
ঝগড়া-বিবাদ খুবই ন্যাক্কারজনক ও খারাপ কাজ। নিজের হক্ব ও অধিকার রক্ষা ও লাভের জন্য ন্যায় পন্থায় বিবাদ করা দুরস্ত থাকলেও বিবাদ পরিহার করে চলা সর্বাবস্থায়ই উত্তম। ঝগড়া-বিবাদ করলে কথায় কথায় অশ্লীল, গালিগালাজ ও কটুবাক্য এসে যায় এবং মনের ভিতরে ঘৃণা বিদ্বেষের সৃষ্টি হয়। যার কারণে ভয়াবহ পরিণামেরও সম্মুখীন হতে হয়।
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি মুসলমানদের দুই দল জিহাদে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরু বাকি অংশ পড়ুন...
দেশজুড়ে ভাইরাসজনিত রোগ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিকিৎসকদের মতে, সামান্য অসচেতনতা এই রোগকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণের ফলে আক্রান্ত শিশুদের অনেকে মৃত্যুবরণও করেছে। হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া ও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি এর প্রধান লক বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ:
অন্যদিকে হযরত সাঈদ বিন আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উঠে এসে ‘মারহাবা’ বলে উনাকে খোশ আমদেদ জানালেন। অতঃপর তিনি নিজ ঘোড়ার উপর জিন চাপিয়ে তাতে আরোহণ করলেন এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে সঙ্গে বসিয়ে নিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফে নিজ বাসস্থানে নিয়ে গেলেন। সেখানে গিয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে নেতৃস্থানীয় কুরাইশদের নিকট নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বার্তা মুবারক শোনালেন। ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের চালানো আগ্রাসনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মৃত্যুবরণ করেছেন। এবার দেশটিকে ভেঙে ফেলতে চায় দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েল। খবর ফার্স নিউজ এজেন্সি।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলার পর সন্ত্রাসী ইসরায়েল ইরানকে ‘বিভক্ত করার চেষ্টা’ করছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, ইসরায়েলি ‘শাসকগোষ্ঠীর টিকে থাকার জন্য ব বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। পাশাপাশি এসব অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা ব্যয় ও অন্যান্য কারণে দেশের ক্ষতি হয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এক সমীক্ষা মতে তামাকজনিত মৃত্যুর মিছিল কমিয়ে আনতে উন্নত দেশগুলো শক্তিশালী আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে বৃহৎ আকারের সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ও প্লেইন প্যাকেজিং প্রবর্তন, তামাকের ওপর করহার ও মূল্য বৃদ্ধিসহ বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। যে কারণে উন্নত দেশগুলোতে তামাকের ব্যবহার ১.১ হারে কমছে। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুল বাকি অংশ পড়ুন...












