(৩১৬)
قال أبو جعفر: أجمعت الأمة من أهل التأويل جميعًا على أن "الصراط المستقيم" هو الطريق الواضح الذي لا اعوجاج فيه. وكذلك ذلك في لغة جميع العرب.
অর্থ: ইমাম আবূ জা’ফর তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সমস্ত মুফাসসিরীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা একমত যে-اَلصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ উনার অর্থ হলো- সেই সরল, সঠিক ও সুস্পষ্ট পথ, যার কোন অংশই বাঁকা নয়। সকল আরবী অভিধানেও শব্দ দু’টির অর্থ অনুরূপ। (জামিউল্ বায়ান ফী তা’বীলিল্ কুরআন অর্থাৎ তাফসীরুত্ তাবারী, পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ৫ লেখক: হযরতুল আল্লামা মুহম্মদ বিন মুহম্মদ বিন জারীর বিন ইয়াযীদ বিন কাছীর বিন গালি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩১৩)
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا.
অর্থ: ঐ সমস্ত লোক উনাদের ছোহবত লাযিম করে নাও, যারা সকাল ও সন্ধ্যা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার উদ্দেশ্যে যিকির-আযকারে মশগুল থাকেন। আর পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে উনাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না। ঐ সমস্ত লোক উনাদের ইতায়াত (আনুগত্য) করবে না, (যার বদ আমলের কারণে) তার ক্বল্বকে আমার যিকির থেকে গাফিল করে দিয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই, যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাশরীফ মুবারক এনেছেন তাই উনাকে ব্যতীত অন্য কারো পথ, তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ করা যাবে না। যদি কেউ করে তাহলে প্রকাশ্য গোমরাহে সে গোমরাহ্ তো হবে-ই এবং তার ভয়াবহ পরিণতিও হবে। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا
অর্থ: “হযরত আমর ইবনে শুয়াইব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই বাকি অংশ পড়ুন...
আর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব মাহবুব নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খুছূছিয়ত এবং তিনিই যে একমাত্র অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় সে সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ أَخَذَ اللهُ مِيْـثَاقَ النَّبِيِّينَ لَمَا آتَـيْـتُكُم مِّنْ كِتَابٍ وَحِكْمَةٍ ثُمَّ جَاءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّمَا مَعَكُمْ لَتُـؤْمِنُنَّ بِهِ وَلَتَـنْصُرُنَّهٗ ۚ قَالَ أَأَقْـرَرْتُمْ وَأَخَذْتُمْ عَلٰى ذٰلِكُمْ إِصْرِي ۖ قَالُوا أَقْـرَرْنَا ۚ قَالَ فَاشْهَدُوْا وَأَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشَّاهِدِيْنَ
অর্থ: “যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে এই মর্মে ওয়াদা গ্রহণ করলেন যে, আমি আপনাদের বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন বলেছেন ঠিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ أَنَّ حَضْرَتْ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَلَيْهِ السَّلاَم أَتٰى رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنُسْخَةٍ مِنَ التَّـوْرَاةِ فَـقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذِهِ نُسْخَةٌ مِنَ التَّـوْرَاةِ فَسَكَتَ فَجَعَلَ يَـقْرَأُ وَوَجْهِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـتَـغَيَّـرُ فَـقَالَ حَضْرَتْ أَبُو بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَام ثَكِلَتْكَ الثَّـوَاكِلُ! مَا تَـرٰى مَا بِوَجْهِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَس বাকি অংশ পড়ুন...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যে মাধ্যম দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহাকারীগণ ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে পরষ্পর সংযুক্ত হওয়ার এবং তথ্য আদান প্রদান করার সুযোগ, সুবিধা বা সেবা লাভ করে থাকে সেই মাধ্যমটিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলা যায়। একটি সমাজে যেমন একে অপরকে চেনে, জানে এবং ভাব বিনিময় করে তদ্রুপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে চেনা পরিচয় হয়, তথ্যের আদান প্রদান হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন প্রয়োজন?
নিজের মতামত ও অবস্থাকে অগণিত মানুষের দৃষ্টিতে বাকি অংশ পড়ুন...
সরল সঠিক পথ বা ছিরাতুল মুস্তাক্বীম সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি সু-স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন-
يٰسٓ. وَالْقُرْاٰنِ الْحَكِيْمِ. اِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِيْنَ. عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
অর্থ: “হুরুফে মুক্বত্ব‘আত, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লক্বব মুবারক। হিকমতপূর্ণ কুরআন শরীফ উনার ক্বসম! নিশ্চয়ই আপনি মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আপনি যে পথে আছেন সেই পথই হচ্ছেন ছিরাতুল মুস্তাক্বীম বা সরল সঠিক পথ।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ: ১-৪)
উক্ত পবিত্র আয়া বাকি অংশ পড়ুন...
সরল সঠিক পথ বা ছিরাতুল মুস্তাক্বীম সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি সু-স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন-
يٰسٓ. وَالْقُرْاٰنِ الْحَكِيْمِ. اِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِيْنَ. عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
অর্থ: “হুরুফে মুক্বত্ব‘আত, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লক্বব মুবারক। হিকমতপূর্ণ কুরআন শরীফ উনার ক্বসম! নিশ্চয়ই আপনি মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আপনি যে পথে আছেন সেই পথই হচ্ছেন ছিরাতুল মুস্তাক্বীম বা সরল সঠিক পথ।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ: ১-৪)
উক্ত পবিত্র আয়া বাকি অংশ পড়ুন...
এখন সেই বিষয়টি-ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দু‘আ করো-
اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيْمَ
অর্থ: “আয় বারে ইলাহী! আমাদেরকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম অর্থাৎ সরল সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।” (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: ৫)
যে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম অর্থাৎ সরল সঠিক পথ কোনটি? সে প্রসঙ্গে পরবর্তী পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
صِرَاطَ الَّذِيْنَ اَنْـعَمْتَ عَلَيْهِمْ
অর্থ: “উনাদের পথ যাদেরকে আপনি নিয়ামত মুবারক দিয়েছেন।” (পবিত্র সূ বাকি অংশ পড়ুন...
তাকলীদ তথা অনুসরণ উনার প্রকারভেদ:
তাক্বলীদ তথা অনুসরণ সাধারণত: দুই প্রকার। যথা-
১. التقليد الشرعى আত-তাক্বলীদুশ্ শারয়ী তথা শরীয়ত সমর্থিত অনুসরণ:
পবিত্র কুরআন মাজীদ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস উনাদের দলীল-আদিল্লাহ মুতাবিক ইসলামী শরীয়ত উনার যাবতীয় হুকুম-আহকাম মেনে চলাকে ‘আত-তাকলীদুশ শারয়ী তথা শরীয়ত সমর্থিত অনুসরণ’ বলে। উনাকে ‘তাকলীদুল ইসলাম’, ‘তাকলীদুদ্ দ্বীন’ ও ‘তাকলীদুদ্ দালায়িল আরবায়াহ’ অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম উনার চারখানা দলীল উনাদের অনুসরণও বলা হয়ে থাকে।
২. التقليد غير الشرعى আত-তাকলীদু গাইরুশ্ শ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلْيَـوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِيْـنَكُمْ وَاَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِيْ وَرَضِيْتُ لَكُمُ الْاِسْلَامَ دِيْـنًا
অর্থ: “আজকে তোমাদের জন্য এই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পূর্ণ করে দিয়েছি, আমার সমস্ত নিয়ামত মুবারক তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছি এবং আমি তোমাদের জন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে মনোনীত করে সন্তুষ্ট হয়েছি।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: ০৩)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক দিয়েছেন এবং এই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম যে পালন করবে উনার প্রতি তিনি সন্ বাকি অংশ পড়ুন...












