(ধারাবাহিক পর্ব- ০১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে বান্দা-বান্দীদেরকে অসংখ্য-অগণিত নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। তারমধ্যে বিশেষ এক নিয়ামত হচ্ছে গরুর গোশত। গরুর গোশত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য হালাল করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য হাছিলের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে পবিত্র কুরবানী। আর এই পবিত্র কুরবানীর পশু সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো গরু। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
আরেকজন মহিলা মারইয়াম বিনতে ইমরান।
وَمَرْيَمَ ابْنَةَ عِمْرَانَ الَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهِ مِنْ رُّوحِنَا وَصَدَّقَتْ بِكَلِمَاتِ رَبِّهَا وَكُتُبِهٖ وَكَانَتْ مِنَ الْقَانِتِينَ
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, আরেকজন হচ্ছেন কে? মারইয়াম বিনতে ইমরান, হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম উনার শানে বলা হচ্ছে। তিনি বিশেষ ব্যক্তিত্ব ছিলেন মারইয়াম বিনতে ইমরান।
الَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا
অত্যন্ত তিনি সতী-সাধ্বী ছিলেন। কোন ক্রটি ছিলো না। মানুষ উনার প্রতি অপবাদ দিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!
فَنَفَخْنَا فِيهِ مِنْ رُّوحِنَا
তিনি এতো পবিত্রা বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মানবাধিকার রক্ষার নামে যদি সার্বভৌমত্ব ক্ষুণœ হয়, তবে সেটি মানবাধিকারের নয়-বরং আধিপত্যের রাজনীতি। এই প্রবন্ধে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, কিভাবে “জাতিসংঘের সন্ত্রাসী মানবাধিকারের কার্যালয় স্থাপন” নামের এই পদক্ষেপটি আসলে ইহুদী-মুশরিক-কাফিরদের একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রকল্প, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের ওপর একটি স্থায়ী পর্যবেক্ষণ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া, দেশীয় আইন ও আদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّـهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا لَا تَـتَّخِذُوْا الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِيْـنَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِيْنَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَـبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّـقُوا اللهَ إِنْ كُنْـتُم مُّؤْمِنِيْنَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীন উনাকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে তাদেরকে এবং যারা কাফের, তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, যদি তোমরা (সত্যিকার অর্থে) মু’মিন হয়ে থাকো।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নওমুসলিম সোহাগের নিথর দেহটি আজ আমাদের সমাজের বুক চিরে কিছু রূঢ় প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে। বিশ বছর আগে যে মানুষটি সত্যের আলো চিনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, দুই দশক পর সেই ‘অপরাধের’ প্রতিশোধ নিতে মায়ের মমতাকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হলো-এ লজ্জা আমরা রাখব কোথায়?
তথ্যচিত্রে দেখা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের দোহাই দিয়ে সন্তানকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। অথচ সেই মা আজ নির্বিকার, তার চোখে অশ্রু নেই। যে সন্তান সুস্থ অবস্থায় মায়ের মুখ দেখতে গেল, কয়েক ঘণ্টা পর তার নিথর দেহে মিলল অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন। কেন এই নির্মমতা? কেন তড়িঘড়ি করে প্রশাস বাকি অংশ পড়ুন...
মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন নির্বাচনে চাঁদের ক্যালেন্ডারের যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; তেমনি ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রয়োজন রয়েছে সৌর ক্যালেন্ডারের। কিন্তু ইতিহাসে মুসলমানগণের রচিত কোনো সৌর ক্যালেন্ডারের তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারে মুসলমানগণ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অনেক কারণেই মুসলমানগণের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা উচিত নয়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সমাজ জীবনে সাধারণ মুসলমান তো বটেই, কার্যক্ষেত্রে আলিম দাবিদারদের মাঝেও পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকিরের প্রবণতা তথা এর হাক্বীক্বত উপলব্ধির চেতনা খুবই কম পরিলক্ষিত হয়। এই উদাসীনতার দিকে নির্দেশ করে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা কি পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে ফিকি বাকি অংশ পড়ুন...
জাহান্নামে তোমাদেরকে পৌঁছে দেয়াই হবে। এবং উনারা কখনও যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যা আদেশ মুবারক করেন তার খিলাফ করেন না। যা আদেশ মুবারক করেন তাই উনারা পালন করে থাকেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম! এতোক্ষণ বলা হলো ঈমানদারকে।
এরপর কাফিরদেকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! তোরা জেনে রাখ, আজ তোদের কোন ওজর গ্রহণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ মহান আল্লাহ পাক যিনি পূর্ববর্তী ওহী মুবারক দ্বারা নাযিলকৃত সমস্ত দ্বীন এবং পূর্ববর্তী পরব বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
مَّا لَهُم بِهٖ مِنْ عِلْمٍ
এদের এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম নেই।
وَلَا لِآبَائِهِمْ
এদের বাপ-দাদা, চৌদ্দ পুরুষেরও এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদেরতো ইলিম-কালাম নেই। যারা অপব্যাখ্যা করে থাকে, চূ-চেরা, কীল-কাল কওে, এদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষেরও কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। কাজেই এদেরকে অনুসরণ করা যাবে না।
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ
এদের মুখ থেকে বের হচ্ছে কঠিন, নি বাকি অংশ পড়ুন...












