SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুতাবিক%' OR titleBn LIKE '%মুতাবিক%' OR descriptionEn LIKE '%মুতাবিক%' OR descriptionBn LIKE '%মুতাবিক%' OR slug LIKE '%মুতাবিক%' OR metaTag LIKE '%মুতাবিক%' OR metaDescription LIKE '%মুতাবিক%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আপনার সন্তানকে আপনি পড়ালেখা শেখার জন্য স্কুল-কলেজে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে তার পাঠ্যবইগুলোতে আপত্তিকর, ইসলামবিরোধী, বিধর্মী-বিজাতীয় লেখনী সর্বোপরি ইসলাম ও মুসলিম বিরুদ্ধ, সাংঘর্ষিক লেখা দিয়েই ঠেসে দেয়া হয়েছে স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইগুলোকে।
পাঠক! এই লেখাটির শিরোনামটি এইভাবে দেয়ার কারণ হলো- আপনি হয়তো নিজে নিজে নামায, কালাম পড়ে সহজেই নাজাতের কথা ভাবছেন। কিন্তু আপনার জানা উচিত- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মুতাবিক, আপনার অধীনস্থ সন্তানের অপরাধের জন্য আপনিও দায়ী। অর্থাৎ আপনার অজ্ঞতা, গাফলতির কারণে যদি আপনার সন্তান পথভ্রষ্ট হয়, গুনাহঠবাকি অংশ পড়ুন...
ফজর নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পড়া জায়িয নেই
হানাফী মাযহাবের ফতওয়া হলো, একমাত্র বিতর নামায ব্যতীত অন্য কোন নামাযে ‘কুনূত’ পড়া জায়িয নেই। জমহুর উলামায়ে কিরামও এ মতেরই প্রবক্তা। সুতরাং হানাফী মাযহাবের ফতওয়া মুতাবিক ফজরের নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পাঠ করা নাজায়িয এবং নামাযের বাইরের জিনিস পাঠ করার কারণে নামায ফাসিদ বা বাতিল হওয়ার কারণ।
যেমন, এ প্রসঙ্গে “শরহে মায়ানিল আছার” (তাহাবী শরীফ) নামক কিতাবে উল্লেখ আছে যে-
لَايَنْبَغِى الْقُنُوْتُ فِى الْفَجْرِ فِىْ حَالِ حَرْبٍ وَلَاغَيْرِهٖ وَهٰذَا قَوْلُ اَبِىْ حَنِيْفَةَ وَاَبِىْ يُوْسُفَ وَمُـحَمَّدٍ رَحِـمَهُمُ اللهُ.
অর্থ : যুদ্ধঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার যিনি শ্রেষ্ঠতম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার যারা নায়িব বা ওয়ারিছ উলিল আমর, ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের অনুসরণের বিষয়টিকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মতো কেউ চলতে পারবে না। কারণ বান্দার পক্ষে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে কোনকিছু জানা ও মানা কখনোই সম্ভব নয়।
কাজেই, বান্দাকে মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক অনুযায়ী চলঠবাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- ‘অনন্ত সুখময় জান্নাত কেবল কয়েক দিনের বাহ্যিক অনুষ্ঠান ক্রিয়াকলাপ দ্বারা লাভ করা যায় না। ইহা আন্তরিকতা ও একাগ্র চেষ্টা-কোশেশ দ্বারা লাভ করতে হয়।’
আমাদের বেহেশতে প্রবেশ করতে হলে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য কোশেশ করতে হবে। আমাদের কোশেশের মাধ্যমে ইলিম অর্জন করতে হবে এবং আমল করতে হবে। এই ইলিম এবং আমলের কোশেশ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে যদি আমরা ততোধিক কোশেশের মাধ্যমে ইখলাছ পয়দা না করতে পারি।
অতএব, ইখলাছই হচ্ছে সমস্ত ইবাদতের মূল। ইখলাছবিহীন ইবাদত প্রাণঠবাকি অংশ পড়ুন...
পূজার জন্য নির্দিষ্ট স্থান হলো মন্দির। তাছাড়া যার যার পূজা তাদের ব্যক্তিগত ঘর বা আঙিনায় হতে পারে। কিন্তু পাবলিকের জায়গা তথা রাস্তা, অলি-গলি, স্কুল মাঠ এগুলো দখল করে কোনোভাবেই পূজা মন্ডপ বসানো বৈধ হতে পারে না। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রচলিত কথিত গণতন্ত্রও এটা সমর্থন করে না। কারণ জনসংখ্যার সংখ্যানুপাতে হিন্দুদের সংখ্যা ১.৫ ভাগেরও কম, বিপরীতে মুসলমানদের সংখ্যা ৯৮ ভাগ। সে হিসেবেও সংখ্যাগুরু বা অধিকাংশ জনগণের অধিকারই এখানে প্রাধান্য পাওয়া সাংবিধানিক অধিকারও বটে। সংখ্যালঘু বিধর্মীদের এমন কোনো কাজ, যা সংখ্যাগুরু মুসলমানদের স্বাধীà বাকি অংশ পড়ুন...












